ঢাকা ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন পাইকগাছায় ওয়ারিশ সনদ নিয়ে বিরোধ গভীর রাতে রান্নাঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ২০ বছর পূর্তিতে সালথার নটখোলায় বিশাল ওয়াজ মাহফিল ,হাজারো মানুষের ঢল’ রাজবাড়ীতে স্বামীর অর্থ আত্মসাতের মামলায় নার্স স্ত্রী কারাগারে বাগালির ৫নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া: দিন-রাত গণসংযোগে ইউপি সদস্য প্রার্থী ইমরান হোসেন

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে যা বললেন হাতীবান্ধা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা

জাহিদুল ইসলাম জাহিদ-লালমনিরহাট:
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৩:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২৭৬ বার পঠিত

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা কৃষি কর্মকর্তা সুমন মিয়ার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবী করেছেন তিনি।

বুধবার সকালে তিনি জানান, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কন্দাল ফসলের পানি কচু প্রকল্পে বরাদ্দ বীজ ২০ কেজি, ইউরিয়া সার ১০ কেজি, ডিএপি ১০ কেজি, এমওপি ১০ কেজি, জিপসাম ৫ কেজি, দস্তা ৫০০ গ্রাম ও আঃন্তপরিচর্যা বাবদ ২৫০০ টাকা এবং ফসল উত্তোলন বাবদ আরো ২০০০ টাকা প্রকল্পের আওতাধীন কৃষকদের প্রকল্পের বিধিমালা অনুযায়ী দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো জানান, পানি কচু প্রকল্পের সুবিধাভোগী শাহা আলমের বাবা আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তুলেছেন তা মিথ্যা ও বানোয়াট। শাহা আলম সেজে তার ভাই সার এবং পরবর্তীতে শাহা আলম নিজে এসে চারা নিয়ে যায়।

পানি কচু প্রকল্পে সুবিধাভোগী শাহা আলম বলেন, আমি সিন্দুর্ণা ইউনিয়নের পানি কচু প্রকল্পের আওতাধীন একজন কৃষক। আমি ৩০০০ চারা, ইউরিয়া সার ১০ কেজি, ডিএপি ১০ কেজি, এমওপি ১০ কেজি, জিপসাম ৫ কেজি, দস্তা ৫০০ গ্রাম ও আঃন্তপরিচর্যা বাবদ ২৫০০ টাকা এবং ফসল উত্তোলন বাবদ আরো ২০০০ টাকা পেয়েছি।

এর আগে পানি কচু প্রকল্পে সুবিধাভোগী শাহা আলম সেজে তার ভাই সার এবং পরবর্তীতে শাহা আলম নিজে চারা নিয়ে গেছেন এই ব্যাপারে তার বাবা কিছুই জানতেন না বলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০২৩-২৪ অর্থবছ‌রে হাতীবান্ধায় কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রক‌ল্পের আওতায় মুখী কচু ৬‌টি, পা‌নিকচু ২‌টি, ল‌তিকচু ২‌টি, গাছ আলু ৪‌টি, কাসাভা ৪‌টি চাষ করা হ‌য়ে‌ছে।

ট্যাগস :

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে যা বললেন হাতীবান্ধা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা

আপডেট সময় : ০৭:৪৩:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা কৃষি কর্মকর্তা সুমন মিয়ার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবী করেছেন তিনি।

বুধবার সকালে তিনি জানান, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কন্দাল ফসলের পানি কচু প্রকল্পে বরাদ্দ বীজ ২০ কেজি, ইউরিয়া সার ১০ কেজি, ডিএপি ১০ কেজি, এমওপি ১০ কেজি, জিপসাম ৫ কেজি, দস্তা ৫০০ গ্রাম ও আঃন্তপরিচর্যা বাবদ ২৫০০ টাকা এবং ফসল উত্তোলন বাবদ আরো ২০০০ টাকা প্রকল্পের আওতাধীন কৃষকদের প্রকল্পের বিধিমালা অনুযায়ী দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো জানান, পানি কচু প্রকল্পের সুবিধাভোগী শাহা আলমের বাবা আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তুলেছেন তা মিথ্যা ও বানোয়াট। শাহা আলম সেজে তার ভাই সার এবং পরবর্তীতে শাহা আলম নিজে এসে চারা নিয়ে যায়।

পানি কচু প্রকল্পে সুবিধাভোগী শাহা আলম বলেন, আমি সিন্দুর্ণা ইউনিয়নের পানি কচু প্রকল্পের আওতাধীন একজন কৃষক। আমি ৩০০০ চারা, ইউরিয়া সার ১০ কেজি, ডিএপি ১০ কেজি, এমওপি ১০ কেজি, জিপসাম ৫ কেজি, দস্তা ৫০০ গ্রাম ও আঃন্তপরিচর্যা বাবদ ২৫০০ টাকা এবং ফসল উত্তোলন বাবদ আরো ২০০০ টাকা পেয়েছি।

এর আগে পানি কচু প্রকল্পে সুবিধাভোগী শাহা আলম সেজে তার ভাই সার এবং পরবর্তীতে শাহা আলম নিজে চারা নিয়ে গেছেন এই ব্যাপারে তার বাবা কিছুই জানতেন না বলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০২৩-২৪ অর্থবছ‌রে হাতীবান্ধায় কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রক‌ল্পের আওতায় মুখী কচু ৬‌টি, পা‌নিকচু ২‌টি, ল‌তিকচু ২‌টি, গাছ আলু ৪‌টি, কাসাভা ৪‌টি চাষ করা হ‌য়ে‌ছে।