ঢাকা ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন পাইকগাছায় ওয়ারিশ সনদ নিয়ে বিরোধ গভীর রাতে রান্নাঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ২০ বছর পূর্তিতে সালথার নটখোলায় বিশাল ওয়াজ মাহফিল ,হাজারো মানুষের ঢল’ রাজবাড়ীতে স্বামীর অর্থ আত্মসাতের মামলায় নার্স স্ত্রী কারাগারে বাগালির ৫নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া: দিন-রাত গণসংযোগে ইউপি সদস্য প্রার্থী ইমরান হোসেন

আশুলিয়ায় পরিকল্পিত ভাবে ব্যবসায়ীকে হত্যার অভিযোগ

প্রতিদিনের খবর ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় : ০৯:২৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৩ ২২৪ বার পঠিত

 

সাভার (ঢাকা)প্রতিনিধি:

সাভারের আশুলিয়ায় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে পানির সাথে চেতনা নাশক মিশিয়ে তাজিবুল ইসলাম মীর (৩০) নামের এক ব্যবসায়ীকে হত্যার অভিযোগ করেছে নিহতের পরিবার। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রবিবার (২৯ জানুয়ারী) সকাল ১০টার দিকে নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নোমান ছিদ্দিক।

এর আগে শনিবার (২৮ জানুয়ারী) বিকেল ৫টার দিকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ত্র মৃত্যু হয়।

নিহত তাজিবুল ইসলাম মীর আশুলিয়ার মধ্যজামগড়া (উত্তর মীর বাড়ী) এলাকার ওয়াহিদ মীরের ছেলে। সে একজন ইন্টারনেট ব্যবসায়ী ছিলেন।

অভিযুক্তরা হলো- আশুলিয়ার জামগড়া মীরবাড়ী এলাকার তমিজ উদ্দীন মীরের ছেলে সুমন মীর (৩০) এবং আশুলিয়ার ভাদাইল এলাকার মৃত সামাদ খানের ছেলে হিরা মিয়া (৩০), নাসির উদ্দীনের ছেলে শামীম (৩০) ও ইদ্রিস আলীর ছেলে সুমন মিয়া (২৮)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৬ জানুয়ারী সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ইন্টারনেট ব্যবসা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জের ধরে আশুলিয়ার ভাদাইল এলাকায় রাবিয়া স্কুল পাশের রাস্তা থেকে অভিযুক্ত সুমন মীর নিহত তাজিবুল ইসলামকে ডেকে ভাদাইল এলাকার সুমন মিয়ার অফিসে নিয়ে যায়। অফিসে তাদের সাথে কথার সময় তাজিবুল ইসলাম পানি খাইতে চাইলে অভিযুক্ত সুমন মিয়া তাকে পানি দেন। পানি খাওয়ার সাথেই তাজিবুল অস্থিবোধ করিয়া চিৎকার দেয়। এমন সময় তাজিবুলের মামতো ভাই রনি ওই অফিসের সামনে দিয়ে যাইতে ছিল। তার চিৎকার শুনে অফিসে ডুকলে তাজিবুল রনি কে জানায় তারা পানির সাথে তাকে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়েছে। পরে সে অজ্ঞান হয়ে পরে। এ সময় অভিযুক্তরা দ্রুত অফিস থেকে বের হয়ে পালিয়ে যায়। পরে রনির খবরের ভিত্তিতে তাজিবুলের পরিবার ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে বাসায় নিয়ে আসে। পরে রাত ৩ টার দিকে বমি শুরু হলে তাকে দ্রুত নিয়ে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তার অবস্থা আরও বেশি খারাপ হওয়ায় তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। ঘটনার ২১ দিন পর গতকাল বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহত বাবা বাদী হয়ে গত ১৮ জানুয়ারী আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নোমান ছিদ্দিক বলেন, নিহতের মরদেহ হাসপাতাল থেকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলে বিস্তারিত জানানো যাবে।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সেই সাথে অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

ট্যাগস :

আশুলিয়ায় পরিকল্পিত ভাবে ব্যবসায়ীকে হত্যার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৯:২৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৩

 

সাভার (ঢাকা)প্রতিনিধি:

সাভারের আশুলিয়ায় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে পানির সাথে চেতনা নাশক মিশিয়ে তাজিবুল ইসলাম মীর (৩০) নামের এক ব্যবসায়ীকে হত্যার অভিযোগ করেছে নিহতের পরিবার। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রবিবার (২৯ জানুয়ারী) সকাল ১০টার দিকে নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নোমান ছিদ্দিক।

এর আগে শনিবার (২৮ জানুয়ারী) বিকেল ৫টার দিকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ত্র মৃত্যু হয়।

নিহত তাজিবুল ইসলাম মীর আশুলিয়ার মধ্যজামগড়া (উত্তর মীর বাড়ী) এলাকার ওয়াহিদ মীরের ছেলে। সে একজন ইন্টারনেট ব্যবসায়ী ছিলেন।

অভিযুক্তরা হলো- আশুলিয়ার জামগড়া মীরবাড়ী এলাকার তমিজ উদ্দীন মীরের ছেলে সুমন মীর (৩০) এবং আশুলিয়ার ভাদাইল এলাকার মৃত সামাদ খানের ছেলে হিরা মিয়া (৩০), নাসির উদ্দীনের ছেলে শামীম (৩০) ও ইদ্রিস আলীর ছেলে সুমন মিয়া (২৮)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৬ জানুয়ারী সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ইন্টারনেট ব্যবসা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জের ধরে আশুলিয়ার ভাদাইল এলাকায় রাবিয়া স্কুল পাশের রাস্তা থেকে অভিযুক্ত সুমন মীর নিহত তাজিবুল ইসলামকে ডেকে ভাদাইল এলাকার সুমন মিয়ার অফিসে নিয়ে যায়। অফিসে তাদের সাথে কথার সময় তাজিবুল ইসলাম পানি খাইতে চাইলে অভিযুক্ত সুমন মিয়া তাকে পানি দেন। পানি খাওয়ার সাথেই তাজিবুল অস্থিবোধ করিয়া চিৎকার দেয়। এমন সময় তাজিবুলের মামতো ভাই রনি ওই অফিসের সামনে দিয়ে যাইতে ছিল। তার চিৎকার শুনে অফিসে ডুকলে তাজিবুল রনি কে জানায় তারা পানির সাথে তাকে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়েছে। পরে সে অজ্ঞান হয়ে পরে। এ সময় অভিযুক্তরা দ্রুত অফিস থেকে বের হয়ে পালিয়ে যায়। পরে রনির খবরের ভিত্তিতে তাজিবুলের পরিবার ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে বাসায় নিয়ে আসে। পরে রাত ৩ টার দিকে বমি শুরু হলে তাকে দ্রুত নিয়ে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তার অবস্থা আরও বেশি খারাপ হওয়ায় তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। ঘটনার ২১ দিন পর গতকাল বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহত বাবা বাদী হয়ে গত ১৮ জানুয়ারী আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নোমান ছিদ্দিক বলেন, নিহতের মরদেহ হাসপাতাল থেকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলে বিস্তারিত জানানো যাবে।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সেই সাথে অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।