ঢাকা ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন পাইকগাছায় ওয়ারিশ সনদ নিয়ে বিরোধ গভীর রাতে রান্নাঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ২০ বছর পূর্তিতে সালথার নটখোলায় বিশাল ওয়াজ মাহফিল ,হাজারো মানুষের ঢল’ রাজবাড়ীতে স্বামীর অর্থ আত্মসাতের মামলায় নার্স স্ত্রী কারাগারে বাগালির ৫নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া: দিন-রাত গণসংযোগে ইউপি সদস্য প্রার্থী ইমরান হোসেন

বোয়ালমারীতে হত্যা মামলার আসামি ঝিনাইদহে গ্রেপ্তার

এমএম জামান,বোয়ালমারী (ফরিদপুর):
  • আপডেট সময় : ০১:৩০:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮৫ বার পঠিত

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ইব্রাহীম (৩৫) হত্যা মামলার তদন্তে পাওয়া আসামি মো. মাসুদুর রহমান মাসুদকে (৪০) ঝিনাইদহ থেকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে ঝিনাইদহ সদর থানার পোড়াহাটি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মাসুদুর রহমান ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার গালিমপুর গ্রামের মো. রুস্তম আলীর ছেলে।

মঙ্গলবার দুপুরে বোয়ালমারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ বলেন, ‘তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। এটি একটি ক্লুলেস ঘটনা ছিল। ঘটনার কোনো ক্লু ছিল না। এখন একটি ক্লু পেয়েছি। আশা করছি, জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ঘটনার আরও তথ্য পাওয়া যাবে।’

এসআরবি জানায়, ২০২৫ সালের ২০ নভেম্বর রাতে ব্যবসায়িক কাজে যাওয়ার পথে ইব্রাহীম ও তাঁর চাচাতো ভাই পিকআপচালক মো. হোসেন গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীর ভাটিয়াপাড়া এলাকায় একটি হোটেলে খাবার খাচ্ছিলেন। খাবার শেষে বের হওয়ার সময় দুটি প্রাইভেটকারে আসা ৭-৮ জন ব্যক্তি নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে তাঁদের জোর করে গাড়িতে তুলে নেয়।

পরে তাঁদের হাত, মুখ ও চোখ গামছা দিয়ে বেঁধে মারধর করা হয় এবং নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়া হয়। একপর্যায়ে হোসেনকে অজ্ঞাত স্থানে ফেলে রেখে ইব্রাহীমকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ইব্রাহীমকে হত্যা করে তাঁর লাশ ফরিদপুরের বোয়ালমারী থানার বনচাকী-রামচন্দ্রপুর ব্রিজ এলাকায় ফেলে রাখা হয় বলে জানায় এসআরবি।

এ ঘটনায় নিহত ইব্রাহীমের ভাই মো. ফরহাদ বাদী হয়ে বোয়ালমারী থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার অধিযাচনের পর এসআরবি-১০ গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-১০-এর সিপিসি-৩ ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি দল এসআরবি-৬-এর সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে মাসুদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে এসআরবির বিশেষ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

বোয়ালমারীতে হত্যা মামলার আসামি ঝিনাইদহে গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০১:৩০:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ইব্রাহীম (৩৫) হত্যা মামলার তদন্তে পাওয়া আসামি মো. মাসুদুর রহমান মাসুদকে (৪০) ঝিনাইদহ থেকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে ঝিনাইদহ সদর থানার পোড়াহাটি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মাসুদুর রহমান ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার গালিমপুর গ্রামের মো. রুস্তম আলীর ছেলে।

মঙ্গলবার দুপুরে বোয়ালমারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ বলেন, ‘তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। এটি একটি ক্লুলেস ঘটনা ছিল। ঘটনার কোনো ক্লু ছিল না। এখন একটি ক্লু পেয়েছি। আশা করছি, জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ঘটনার আরও তথ্য পাওয়া যাবে।’

এসআরবি জানায়, ২০২৫ সালের ২০ নভেম্বর রাতে ব্যবসায়িক কাজে যাওয়ার পথে ইব্রাহীম ও তাঁর চাচাতো ভাই পিকআপচালক মো. হোসেন গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীর ভাটিয়াপাড়া এলাকায় একটি হোটেলে খাবার খাচ্ছিলেন। খাবার শেষে বের হওয়ার সময় দুটি প্রাইভেটকারে আসা ৭-৮ জন ব্যক্তি নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে তাঁদের জোর করে গাড়িতে তুলে নেয়।

পরে তাঁদের হাত, মুখ ও চোখ গামছা দিয়ে বেঁধে মারধর করা হয় এবং নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়া হয়। একপর্যায়ে হোসেনকে অজ্ঞাত স্থানে ফেলে রেখে ইব্রাহীমকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ইব্রাহীমকে হত্যা করে তাঁর লাশ ফরিদপুরের বোয়ালমারী থানার বনচাকী-রামচন্দ্রপুর ব্রিজ এলাকায় ফেলে রাখা হয় বলে জানায় এসআরবি।

এ ঘটনায় নিহত ইব্রাহীমের ভাই মো. ফরহাদ বাদী হয়ে বোয়ালমারী থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার অধিযাচনের পর এসআরবি-১০ গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-১০-এর সিপিসি-৩ ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি দল এসআরবি-৬-এর সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে মাসুদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে এসআরবির বিশেষ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।