ঢাকা ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আলফাডাঙ্গায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু নাগেশ্বরীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের মৃত্যু রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ফরিদপুর‌ পৌরসভার ‌ সাবেক ১ নং ‌ প্যানেল মেয়র মনিরুল ইসলাম মনির গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ার সাংবাদিকতার উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রবীণ সাংবাদিক নুরুননবী বাবু সালথায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় পার্কিং করা যাত্রীবাহি বাসে আগুন  নাগেশ্বরীতে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির প্রতিবাদ সভা দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১জন আসামি গ্রেপ্তার খালের ইজারা বাতিল ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্তের দাবিতে দেবহাটায় মানববন্ধন নওগাঁয় ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী নি-হ-ত

সদরপুরে শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে পশুর হাট

নুরুল ইসলাম-সদরপুর(ফরিদপুর):
  • আপডেট সময় : ১২:০০:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫ ২৫৪ বার পঠিত

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় শেষ মুহুর্তে কোরবানীর পশুর হাট জমে উঠেছে। উপজেলার বড় পশুর হাট কৃষ্ণপুর ও সাড়ে সাতরশি হাটে কোরবানীর ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে ক্রেতা বিক্রেতার সংখ্যা ততই বাড়ছে৷
হাটে গরুর পাশাপাশি ছাগলের বেচা বিক্রিও বেশ। সব ধরনের গরু হাটে পাওয়া গেলেও সাইজে ছোট ও মাঝারী গরুর চাহিদা বেশী। দূর দুরান্ত থেকে বিভিন্ন পাইকাররা এসে গরু ছাগল ক্রয় করে বেশী লাভের আশায় রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে।

শনিবার উপজেলার বড় গরুরহাট সাড়ে সাতরশি বাজারে গিয়ে সরজমিনে দেখা যায়,ছোট সাইজের গরু ৭৫/৮৫ হাজার টাকায় বেচা বিক্রি হচ্ছে, মাঝারী সাইজের গরু ১ লক্ষ থেকে ১ লক্ষ ২০/৩০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বড় সাইজের গরুর চাহিদা কম।

গরু বিক্রেতা সাঈদ জানান,তিনি ২ টি গরু এনেছিলেন একটি ছোট সাইজের গরু ৯৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন,আরেকটির দাম হাকছেন দেড় লক্ষ টাকা। বেচা বিক্রিতে খুশী তিনি।

অপর গরু বিক্রেতা আইয়ুব হাওলাদার জানান, আমি ৪ টা গরু পালন করে হাটে এনেছি বিক্রি করতে। এবছর গো-খাদ্যের দাম বেশী হওয়ায় গরু পালনে উৎপাদন খরচ অনেক বেশি হয়েছে। ভাল দাম না পেলে লোকসান গুনতে হবে।

সদরপুর উপজেলার পশ্চিম শ্যামপুর গ্রামের ক্রেতা হাবিবুর রহমান বলেন,‘প্রতি বছরের মতো এবারও দেশি জাতের একটি ষাঁড় কিনেছি। আগামী বছরের তুলনায় দাম কিছুটা বেশি মনে হচ্ছে।

সদরপুর উপজেলার সাড়ে সাতরশি গ্রামের বিক্রেতা আবু সালেহ মুসা জানান,‘গত বছর কোরবানির ঈদের পর ছয়টি গরু কিনেছিলাম সাড়ে ৪ লাখ টাকায়। প্রতিটা গরুর জন্য দিনে খাওয়া খরচ হয় ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। বছরে একটা গরু বড় করতেই খরচ হয়ে যায় ৮০-৯০ হাজার টাকা। সমিতির ঋণের টাকা সুদসহ দিতে হবে। বাজারে যে গরুটি এনেছি এখন গরু বিক্রি করে সব টাকা শোধ করা লাগবে।’

সাড়ে সাতরশি গরু হাটের ইজারাদার বাহালুল মাতুব্বর বলেন,অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর গরুর সংখ্যা বেশী৷ বিক্রিও হচ্ছে অনেক৷ প্রতি হাটে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাইকাররা আসছেন গরু ছাগল কিনতে। হাটে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য থানা পুলিশের পাশাপাশি হাট কমিটির পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারীর ব্যাবস্থা করা হয়েছে।

ফরিদপুর জেলা প্রানীসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সঞ্জীব কুমার বিশ্বাস বলেন,জেলার নয়টি উপজেলায় ১ লাখ ১০ হাজার গরু,ছাগল ও মহিষ আসন্ন কোরবানির জন্য মোটাতাজা করা হয়েছে। যা জেলার চাহিদার চেয়েও বেশি। আশা করছি খামারিরা তাদের পালনকৃত পশুর ন্যায্যমূল্য পাবেন।

সদরপুরে শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে পশুর হাট

আপডেট সময় : ১২:০০:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় শেষ মুহুর্তে কোরবানীর পশুর হাট জমে উঠেছে। উপজেলার বড় পশুর হাট কৃষ্ণপুর ও সাড়ে সাতরশি হাটে কোরবানীর ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে ক্রেতা বিক্রেতার সংখ্যা ততই বাড়ছে৷
হাটে গরুর পাশাপাশি ছাগলের বেচা বিক্রিও বেশ। সব ধরনের গরু হাটে পাওয়া গেলেও সাইজে ছোট ও মাঝারী গরুর চাহিদা বেশী। দূর দুরান্ত থেকে বিভিন্ন পাইকাররা এসে গরু ছাগল ক্রয় করে বেশী লাভের আশায় রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে।

শনিবার উপজেলার বড় গরুরহাট সাড়ে সাতরশি বাজারে গিয়ে সরজমিনে দেখা যায়,ছোট সাইজের গরু ৭৫/৮৫ হাজার টাকায় বেচা বিক্রি হচ্ছে, মাঝারী সাইজের গরু ১ লক্ষ থেকে ১ লক্ষ ২০/৩০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বড় সাইজের গরুর চাহিদা কম।

গরু বিক্রেতা সাঈদ জানান,তিনি ২ টি গরু এনেছিলেন একটি ছোট সাইজের গরু ৯৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন,আরেকটির দাম হাকছেন দেড় লক্ষ টাকা। বেচা বিক্রিতে খুশী তিনি।

অপর গরু বিক্রেতা আইয়ুব হাওলাদার জানান, আমি ৪ টা গরু পালন করে হাটে এনেছি বিক্রি করতে। এবছর গো-খাদ্যের দাম বেশী হওয়ায় গরু পালনে উৎপাদন খরচ অনেক বেশি হয়েছে। ভাল দাম না পেলে লোকসান গুনতে হবে।

সদরপুর উপজেলার পশ্চিম শ্যামপুর গ্রামের ক্রেতা হাবিবুর রহমান বলেন,‘প্রতি বছরের মতো এবারও দেশি জাতের একটি ষাঁড় কিনেছি। আগামী বছরের তুলনায় দাম কিছুটা বেশি মনে হচ্ছে।

সদরপুর উপজেলার সাড়ে সাতরশি গ্রামের বিক্রেতা আবু সালেহ মুসা জানান,‘গত বছর কোরবানির ঈদের পর ছয়টি গরু কিনেছিলাম সাড়ে ৪ লাখ টাকায়। প্রতিটা গরুর জন্য দিনে খাওয়া খরচ হয় ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। বছরে একটা গরু বড় করতেই খরচ হয়ে যায় ৮০-৯০ হাজার টাকা। সমিতির ঋণের টাকা সুদসহ দিতে হবে। বাজারে যে গরুটি এনেছি এখন গরু বিক্রি করে সব টাকা শোধ করা লাগবে।’

সাড়ে সাতরশি গরু হাটের ইজারাদার বাহালুল মাতুব্বর বলেন,অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর গরুর সংখ্যা বেশী৷ বিক্রিও হচ্ছে অনেক৷ প্রতি হাটে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাইকাররা আসছেন গরু ছাগল কিনতে। হাটে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য থানা পুলিশের পাশাপাশি হাট কমিটির পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারীর ব্যাবস্থা করা হয়েছে।

ফরিদপুর জেলা প্রানীসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সঞ্জীব কুমার বিশ্বাস বলেন,জেলার নয়টি উপজেলায় ১ লাখ ১০ হাজার গরু,ছাগল ও মহিষ আসন্ন কোরবানির জন্য মোটাতাজা করা হয়েছে। যা জেলার চাহিদার চেয়েও বেশি। আশা করছি খামারিরা তাদের পালনকৃত পশুর ন্যায্যমূল্য পাবেন।