ঢাকা ০৪:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন পাইকগাছায় ওয়ারিশ সনদ নিয়ে বিরোধ গভীর রাতে রান্নাঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ২০ বছর পূর্তিতে সালথার নটখোলায় বিশাল ওয়াজ মাহফিল ,হাজারো মানুষের ঢল’ রাজবাড়ীতে স্বামীর অর্থ আত্মসাতের মামলায় নার্স স্ত্রী কারাগারে বাগালির ৫নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া: দিন-রাত গণসংযোগে ইউপি সদস্য প্রার্থী ইমরান হোসেন

ফসিয়ার রহমান-পাইকগাছা (খুলনা):
  • আপডেট সময় : ০৮:০৫:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ জুন ২০২৪ ২০৯ বার পঠিত

প্রতিপক্ষকে শায়েস্থা করতে পাইকগাছায় দীর্ঘদিনের চলাচলের রাস্তার উপর পাকা ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। ফলে ১০ পরিবারের লোকজন রাস্তায় উঠতে না পারায় অনেকটা অবরুদ্ধ হয়ে আছে। আদালতে পথের দাবীতে মামলা হওয়ায় ঘর নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে। এনিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে চরম বিরোধ দেখা দিয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী আদালতের মামলার বিবারণে জানা যায়, উপজেলার রামনগর গ্রামের শেখ মশিউর রহমান ও আক্তার হোসেন শেখ একই বংসের লোক। তাদের চলাচলের জন্য ৬ফুট চওড়া ও ২০০ফুট দৈর্ঘের সেখানে পাকা রাস্তা তৈরী করে। দীর্ঘদিন ধরে এপথ দিয়ে ১০ টি পরিবারের সদস্যরা চলাচল করে আসছে। কিছুদিন ধরে দু’পক্ষের মধ্যে পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলছে। এজন্য আক্তার হোসেনরা তাদের শরীকের কিছু অংশ জমি নিলুফা বেগমদের কাছে বিক্রি করেন। জমি কিনেই প্রতিপক্ষ নিলুফা বেগম রাস্তার উপরেই পাকা ঘর নির্মাণ কাজ শুরু করেন। ফলে ১০ টি পরিবারের যাতায়ত বন্ধ হয়ে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। গেছে।পথ উম্মুক্ত রাখার দাবীতে শেখ মশিয়ার রহমান উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৭ ধারায় ২৭ মে মামলা  করেছেন। বিজ্ঞ আদালত উভয় পক্ষকে শান্তি শংখলা বজায় রাখার পাশাপাশি তদন্তপুর্বক প্রতিবেদন প্রদানের জন্য থানা ওসিকে আদেশ দেন। আদালতের আদেশ পেয়ে ওসি ওবাইদুর রহমান সরেজমিনে তদন্তের জন্য এএসআই ওয়াজেদ আলীকে দায়িত্ব দেন। গত ৪ জুন সরজমিনে তদন্ত কালে উভয়পক্ষকে আদালতের আদেশ পড়ে শোনান এবং ভবণ নির্মান কাজ বন্ধের জন্য বলা হলে নিলুফা বেগমরা তা অমান্য করে বলে তিনি জানান।

এব্যাপারে নিলুফা বেগম জানান, ভবন নির্মানের কাজ শুরু হলে তারা কোন বাঁধা না দিয়ে এখন মামলা করেছে। পূর্ব পাশে আমাদের জমি আছে সেখান দিয়ে পথ দিতে হবে অন্যথায় দেওয়াল ভেঙ্গে পথ দেয়া ছাড়া উপায় নেই।

মশিয়ার রহমান বলেন, আমাদের ১০টি পরিবারসহ লোকজনের চলাচলের জন্য শরীকভুক্ত জমিতে পাকারাস্তা করে দীর্ঘদিন ধরে যাতায়ত করছি। পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে আমাদের শায়েস্তা করতে তারা পথের উপর পাকা ঘর নির্মান করছেন। স্থানীয় অনেকেই বলেন, উভয়ের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে চরম বিরোধ দেখা দিয়েছে।

আপডেট সময় : ০৮:০৫:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ জুন ২০২৪

প্রতিপক্ষকে শায়েস্থা করতে পাইকগাছায় দীর্ঘদিনের চলাচলের রাস্তার উপর পাকা ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। ফলে ১০ পরিবারের লোকজন রাস্তায় উঠতে না পারায় অনেকটা অবরুদ্ধ হয়ে আছে। আদালতে পথের দাবীতে মামলা হওয়ায় ঘর নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে। এনিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে চরম বিরোধ দেখা দিয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী আদালতের মামলার বিবারণে জানা যায়, উপজেলার রামনগর গ্রামের শেখ মশিউর রহমান ও আক্তার হোসেন শেখ একই বংসের লোক। তাদের চলাচলের জন্য ৬ফুট চওড়া ও ২০০ফুট দৈর্ঘের সেখানে পাকা রাস্তা তৈরী করে। দীর্ঘদিন ধরে এপথ দিয়ে ১০ টি পরিবারের সদস্যরা চলাচল করে আসছে। কিছুদিন ধরে দু’পক্ষের মধ্যে পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলছে। এজন্য আক্তার হোসেনরা তাদের শরীকের কিছু অংশ জমি নিলুফা বেগমদের কাছে বিক্রি করেন। জমি কিনেই প্রতিপক্ষ নিলুফা বেগম রাস্তার উপরেই পাকা ঘর নির্মাণ কাজ শুরু করেন। ফলে ১০ টি পরিবারের যাতায়ত বন্ধ হয়ে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। গেছে।পথ উম্মুক্ত রাখার দাবীতে শেখ মশিয়ার রহমান উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৭ ধারায় ২৭ মে মামলা  করেছেন। বিজ্ঞ আদালত উভয় পক্ষকে শান্তি শংখলা বজায় রাখার পাশাপাশি তদন্তপুর্বক প্রতিবেদন প্রদানের জন্য থানা ওসিকে আদেশ দেন। আদালতের আদেশ পেয়ে ওসি ওবাইদুর রহমান সরেজমিনে তদন্তের জন্য এএসআই ওয়াজেদ আলীকে দায়িত্ব দেন। গত ৪ জুন সরজমিনে তদন্ত কালে উভয়পক্ষকে আদালতের আদেশ পড়ে শোনান এবং ভবণ নির্মান কাজ বন্ধের জন্য বলা হলে নিলুফা বেগমরা তা অমান্য করে বলে তিনি জানান।

এব্যাপারে নিলুফা বেগম জানান, ভবন নির্মানের কাজ শুরু হলে তারা কোন বাঁধা না দিয়ে এখন মামলা করেছে। পূর্ব পাশে আমাদের জমি আছে সেখান দিয়ে পথ দিতে হবে অন্যথায় দেওয়াল ভেঙ্গে পথ দেয়া ছাড়া উপায় নেই।

মশিয়ার রহমান বলেন, আমাদের ১০টি পরিবারসহ লোকজনের চলাচলের জন্য শরীকভুক্ত জমিতে পাকারাস্তা করে দীর্ঘদিন ধরে যাতায়ত করছি। পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে আমাদের শায়েস্তা করতে তারা পথের উপর পাকা ঘর নির্মান করছেন। স্থানীয় অনেকেই বলেন, উভয়ের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে চরম বিরোধ দেখা দিয়েছে।