ঢাকা ০৮:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন পাইকগাছায় ওয়ারিশ সনদ নিয়ে বিরোধ গভীর রাতে রান্নাঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ২০ বছর পূর্তিতে সালথার নটখোলায় বিশাল ওয়াজ মাহফিল ,হাজারো মানুষের ঢল’ রাজবাড়ীতে স্বামীর অর্থ আত্মসাতের মামলায় নার্স স্ত্রী কারাগারে বাগালির ৫নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া: দিন-রাত গণসংযোগে ইউপি সদস্য প্রার্থী ইমরান হোসেন

বুড়িগোয়ালিনীতে ভাঙা-চোরা দোকানে চলে সংসার

আল-হুদা মালী- শ্যামনগর (সাতক্ষীরা):
  • আপডেট সময় : ০৮:১১:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০২৪ ১৫২ বার পঠিত

সাতক্ষীরা শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নে চন্ডিপুর গ্রামে ভাঙা-চোরা দোকানে চকলেট-বিস্কুট বিক্রিতে জীবন চলে মহিউদ্দিনের সংসার চলে। ৮-৯ বছর ধরে ভাঙা দোকানে বাচ্চাদের বিভিন্ন খাবার বিক্রি করছেন তিনি। এই ছোট্ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে উপার্জনের উপর চলে তাঁর সংসার। প্রতিদিন ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিভিন্ন খাবার বিক্রি করে থাকেন। এলাকার ছোট বাচ্চা থেকে বৃদ্ধ সকলে তার দোকানের কাষ্টমার।

সে দশম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করছেন। মহিউদ্দিন যশোর ঝিকরগাছা উপজেলার ঝিকরগাছা সদর ইউনিয়নের মোবারকপুর গ্রামের মৃত্যু হাবিবুর রহমানের ছেলে। বর্তমানে তিনি বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের আবাদচন্ডিপুর এলাকার বনবিবিতলার মির্জাপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

মহিউদ্দিন পিতা-মাতা মৃত্যুর পরে ভাইদের সাথে বনিবনা না হওয়ায় বৈবাহিক কারণে পিত্রালয় ছেড়ে শ্বশুর বাড়িতে বসবাস করছে। আর্থিক অবস্থাও খুব বেশি ভাল না হওয়ায় সংসারের ঘানি টানতে প্রথমে এলাকায় দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন তিনি। পরে শারীরিক অবস্থা একটু খারাপ হওয়ায় বাড়ির পাশে রাস্তার ধারে ছোট্ট একটি দোকানে চকলেট-বিস্কুট-মুড়িসহ বিভিন্ন খাবারের দোকান গড়ে তোলেন তিনি।

তাঁর দুই ছেলে মেয়ে। ছেলেটা পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ে আর ছোট মেয়ের বয়স মাত্র দুই বছর। দুই সন্তান আর স্বামী-স্ত্রীসহ চারজনের সংসারে ভরণ পোষণ হয় এই সামান্য ব্যবসার আয় থেকে। তবে সংসারের খরচ যোগাতে ও মেয়ের লেখা পড়া খরচের সাথে ছেলে মেয়েদের আবদার পূরণে সামান্য আয় থেকে হিমশিম খেতে হয় তাঁর।

মহিউদ্দিন জানায়, আমি এই এলাকায় বিভিন্ন খাদ্য খাবার বিক্রি করে আমার সংসার চালায়। বাকি জীবনও ব্যবসা করতে চাই। এসব বিক্রি করে কোন রকমে বেঁচে থাকলেও আমি খুশি। কষ্ট করে হলেও আমার সন্তানদের মানুষের মত মানুষ করতে চাই। তাদের যেন আমার মত এমন কষ্টকর জীবন-যাপন করতে না হয়। ছেলেকে স্কুলে পড়াচ্ছি। ছোট মেয়েটাকেও পড়াতে চাই।

বুড়িগোয়ালিনীতে ভাঙা-চোরা দোকানে চলে সংসার

আপডেট সময় : ০৮:১১:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০২৪

সাতক্ষীরা শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নে চন্ডিপুর গ্রামে ভাঙা-চোরা দোকানে চকলেট-বিস্কুট বিক্রিতে জীবন চলে মহিউদ্দিনের সংসার চলে। ৮-৯ বছর ধরে ভাঙা দোকানে বাচ্চাদের বিভিন্ন খাবার বিক্রি করছেন তিনি। এই ছোট্ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে উপার্জনের উপর চলে তাঁর সংসার। প্রতিদিন ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিভিন্ন খাবার বিক্রি করে থাকেন। এলাকার ছোট বাচ্চা থেকে বৃদ্ধ সকলে তার দোকানের কাষ্টমার।

সে দশম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করছেন। মহিউদ্দিন যশোর ঝিকরগাছা উপজেলার ঝিকরগাছা সদর ইউনিয়নের মোবারকপুর গ্রামের মৃত্যু হাবিবুর রহমানের ছেলে। বর্তমানে তিনি বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের আবাদচন্ডিপুর এলাকার বনবিবিতলার মির্জাপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

মহিউদ্দিন পিতা-মাতা মৃত্যুর পরে ভাইদের সাথে বনিবনা না হওয়ায় বৈবাহিক কারণে পিত্রালয় ছেড়ে শ্বশুর বাড়িতে বসবাস করছে। আর্থিক অবস্থাও খুব বেশি ভাল না হওয়ায় সংসারের ঘানি টানতে প্রথমে এলাকায় দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন তিনি। পরে শারীরিক অবস্থা একটু খারাপ হওয়ায় বাড়ির পাশে রাস্তার ধারে ছোট্ট একটি দোকানে চকলেট-বিস্কুট-মুড়িসহ বিভিন্ন খাবারের দোকান গড়ে তোলেন তিনি।

তাঁর দুই ছেলে মেয়ে। ছেলেটা পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ে আর ছোট মেয়ের বয়স মাত্র দুই বছর। দুই সন্তান আর স্বামী-স্ত্রীসহ চারজনের সংসারে ভরণ পোষণ হয় এই সামান্য ব্যবসার আয় থেকে। তবে সংসারের খরচ যোগাতে ও মেয়ের লেখা পড়া খরচের সাথে ছেলে মেয়েদের আবদার পূরণে সামান্য আয় থেকে হিমশিম খেতে হয় তাঁর।

মহিউদ্দিন জানায়, আমি এই এলাকায় বিভিন্ন খাদ্য খাবার বিক্রি করে আমার সংসার চালায়। বাকি জীবনও ব্যবসা করতে চাই। এসব বিক্রি করে কোন রকমে বেঁচে থাকলেও আমি খুশি। কষ্ট করে হলেও আমার সন্তানদের মানুষের মত মানুষ করতে চাই। তাদের যেন আমার মত এমন কষ্টকর জীবন-যাপন করতে না হয়। ছেলেকে স্কুলে পড়াচ্ছি। ছোট মেয়েটাকেও পড়াতে চাই।