বালিয়াকান্দি পদ্মা ক্লিনিকের নার্স ও মালিকপক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০৫:২৭:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩ ২০০ বার পঠিত

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি তালপট্রি মাদ্রাসা রোডে অবস্থিত পদ্মা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগণস্টিক সেন্টারে অসামাজিক কার্যকলাপ দেখে ফেলায় নার্সকে মারধর ও মালিকপক্ষ কর্তৃক নার্সের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ করেছেন।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে।
ওই ক্লিনিকের নার্স মোছাঃ বিথী বলেন, তিনি ওই ক্লিনিকে ১ বছর ৩ মাস যাবৎ সিস্টার হিসেবে কর্মরত। বিভিন্ন সময় বালিয়াকান্দি সদর ইউনিয়নের চরআড়কান্দি গ্রামের শিমুল হোসেন, চৌধুরীপাড়া বালিয়াকান্দির মনির হোসেন তার সাথে দুর্ব্যবহার করে। ক্লিনিক ব্যবসার আড়ালে বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায়ই অপরিচিত নারী নিয়ে এসে ক্লিনিকে অসামাজিক কার্যকলাপ করে। বিষয়টি দেখে ফেললে কাউকে না বলার জন্য হুমকি প্রদর্শন করে। চাকুরী টিকিয়ে রাখার জন্য কাউকে না বললেও তারা ভয়ে আমাকে ক্লিনিকে আসতে নিশেধ করে। ৩ মাসের বকেয়া বেতন চাইলে জীবন নাশের হুমকি প্রদান করে। ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার সময় ক্লিনিকের স্টাফ নার্স নিয়ে রুমের মধ্যে অপ্রীতিকর অবস্থায় দরজা দিয়ে দেখে ফেলি। এরপর গলাচেপে ধরে বলে কথা বাইরে গেলে হত্যা করে ফেলবো ও ক্লিনিকে আসতে নিশেধ করে।
২৭ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০ টার সময় ৩ মাসের বকেয়া বেতন চাইলে অকথ্যভাষায় গালিগালাজ করে। এরপর ক্লিনিকের মধ্যে নিয়ে এলোপাথারী ভাবে মারধোর করে। কৌশলে থানার একজন এসআইকে ফোন দিলে তিনি এসে তাকে উদ্ধার করেন। এ ব্যাপারে বালিয়াকান্দি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অপরদিকে, মোঃ কাজী মনির হোসেন কালন অভিযোগ করেছেন, তিনি সহ আরও ২জন শেয়ারে তালপট্রি ক্লিনিক পরিচালনা করে আসছেন। বুধবার সকাল ৯টার সময় নার্স বিথী ক্লিনিকের সার্জারী বিভাগের সকল মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়। আমরা ক্লিনিকে গিয়ে চাপ সৃষ্টি করলে সে চুরির কথা স্বীকার করে। পরে কৃষি ব্যাংকের পিছনে কালাম মন্ডলের বাড়ী থেকে মালামাল উদ্ধার করা হয়। পরে স্বীকার করে শেয়ার হোল্ডার অসিত কুমার সরকারের নির্দেশে তিনি এ কাজ করেছেন। এ ব্যাপারে বালিয়াকান্দি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।














