বকেয়া পাওনা আদায়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা
- আপডেট সময় : ০৮:৪২:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ নভেম্বর ২০২৩ ৫২১ বার পঠিত

খুলনা শিল্পাঞ্চলের বেসরকারি জুট মিল শ্রমিকদের গ্রাচুইটি সহ বকেয়া পাওনা সহ ৬ দফা দাবিতে দির্ঘদিন যাবৎ আন্দলনের ধারা বাহিকতায় ধারাবাহিকতায় রবিবার বেলা ২ টায় ফুলবাড়ীগেটে এক শ্রমিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি শেখ আমজাদ হোসেন বলেন খুলনার খালিশপুর , মিরেরডাঙ্গা, আটরা শিল্পাঞ্চল এখন মৃত্যু পুরিতে পরিনত হয়েছে। বেসরকারি ব্যক্তিমালিকানা জুট মিল গুলো শ্রম আইন লঙ্গন করে বছরের পর বছর বন্ধ করে রাখেছে। মিল মালিকরা বিভিন্ন ব্যাংক থেকে প্রায় শত শত কোটি টাকা ব্যাংক ঋণ নিয়ে এখন বেআাইনি ভাবে মিল গুলি বন্ধ করে রেখেছে। এ সকল মিলের শ্রমিক – কর্মচারীদের প্রায় ১শ ৪০ কোটি টাকা বকেয়া পাওনা পরিশোধের ব্যপারে মালিকরা উদাসীন শ্রমিকের পাওনা পরিশোধের এব্যপারে কোন ততপরতা নেই । এর মধ্যে কয়েকটি মিল আংশিক চালু রেখে শ্রমকি-কর্মচারীদের বকেয়া পাওনা পরিশোধ না করে ফায়দা লুটছে এমন অভিযোগ ও রয়েছে। তিনি আরো বলেন মিলগুলোর মালিক শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ না করায় অনাহারে-অর্ধাহারে প্রায় ৩ শতাধিক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে এবং শতশত শ্রমিক অর্থ অভাবে বিনাচিকিৎসায় ধুকেধুকে মৃত্যু পথযাত্রী। শ্রমিকদের বকেয়া পাওনার দাবীতে ফেডারেশন ধারাবাহিক আন্দোলন কর্মসুচি নিয়ে মাঠে রয়েছে। বেসরকারি জুট মিলে মজুরী কমিশন কার্যকর, শ্রমিকদের সকল পাওনা পরিশোধ, বন্ধমিল চালু, শ্রমিক ঠকানো মালিকদেরকে আইনের আওতায় আনা সহ ফেডারেশন ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি শেখ আমজাদ হোসেন, সাধারন সম্পাদক গোলাম রসুল খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্বারী আসহাব উদ্দীন, ইজ্ঞিল কাজী , লিয়াকত মুন্সি, সেকেন্দার আলী, সাইফুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, আবুল কালাম, নিজামউদ্দীন, সাইফুল্লাহ তারেক, বাবুল হোসেন, ওবায়দুর রহমান, এম এ কাশেম , মিহির রজ্ঞন বিশ্বাস, আফিল উদ্দীন, মোস্তাফিজুর রহমান, লুৎফর রহমান , আইন উদ্দিন প্রমুখ।
























