ঢাকা ১২:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন পাইকগাছায় ওয়ারিশ সনদ নিয়ে বিরোধ গভীর রাতে রান্নাঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ২০ বছর পূর্তিতে সালথার নটখোলায় বিশাল ওয়াজ মাহফিল ,হাজারো মানুষের ঢল’ রাজবাড়ীতে স্বামীর অর্থ আত্মসাতের মামলায় নার্স স্ত্রী কারাগারে বাগালির ৫নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া: দিন-রাত গণসংযোগে ইউপি সদস্য প্রার্থী ইমরান হোসেন

খোকসা হাসপাতালে মেঝে-বারান্দায় চলছে চিকিৎসা

পুলক সরকার-কুষ্টিয়া:
  • আপডেট সময় : ০৪:২৯:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ৫৫৯ বার পঠিত

কুষ্টিয়ার খোকসায় ঠান্ডাজনিত রোগ বাড়ছে। শয্যা সংকটের কারণে অধিকাংশের ঠাঁই হয়েছে হাসপাতালের বারান্দায় ও মেঝেতে।

সরেজমিনে হাসপাতালের ওয়ার্ডে দেখা যায়, রোগীদের উপচেপড়া ভিড়। গাদাগাদি করে বারান্দা ও মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন রোগীরা। অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। জনবল ও জায়গার অভাব দেখা দিয়েছে। ওষুধ পর্যাপ্ত নেই। ওষুধ থাকলেও নানা অযুহাত দেখিয়ে রোগীর হাতে স্লিপ ধরিয়ে বাইরে থেকে কিনতে বলছেন হাসপাতালে কর্তব্যরত নার্সরা। ঠিকমতো চিকিৎসাসেবা পাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনরা।

রোগীর স্বজনরা বলেন, আমরা খোকসার মানুষ এই হাসপাতালের চিকিৎসার ওপর নির্ভরশীল কিন্তু এখানে চিকিৎসা সেবা পেতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন রোগী ভর্তি হচ্ছে। গত সপ্তাহ থেকে হঠাৎ করেই হাসপাতালে রোগীদের ভিড় বেড়ে গেছে। তাপদাহ আর আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে ঠান্ডা, নিউমোনিয়া, ডেঙ্গু জ্বরসহ নানা রোগে আক্রান্তদের সংখ্যা বেড়েছে। ধারণক্ষমতার বেশি রোগী থাকায় নার্সরাও চিকিৎসা দিতে হিম- শিম খাচ্ছেন।

এদিকে হাসপাতালের বহির্বিভাগেও ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বেড়েছে। বহির্বিভাগে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ জন শিশু চিকিৎসা নিচ্ছেন। বেশিরভাগ শিশুই ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত।

সিনিয়র নার্স ঝুমুর বিশ্বাস বলেন, হঠাৎ করে এক সপ্তাহ ধরে ঠান্ডা, নিউমোনিয়া ও জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। শয্যার চেয়ে বেশি রোগী ভর্তি রয়েছে। এত রোগীকে সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে আমাদের। তবুও সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি ভালোভাবে সেবা দেওয়ার জন্য।

খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী সার্জন ডা: সাহিনা খানম বলেন, গত সপ্তাহ থেকে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। হঠাৎ রোগী বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসাসেবা দিতে হিম শিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের। আবহাওয়ার পরিবর্তন, গরম-ঠান্ডাসহ নানা কারণে শিশুরা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। ফলে চাপ বাড়ছে হাসপাতালে। রোগীর তুলনায় চিকিৎসক, নার্স ও শয্যা সংকট থাকায় হিমশিম খেতে হচ্ছে।

খোকসা হাসপাতালে মেঝে-বারান্দায় চলছে চিকিৎসা

আপডেট সময় : ০৪:২৯:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩

কুষ্টিয়ার খোকসায় ঠান্ডাজনিত রোগ বাড়ছে। শয্যা সংকটের কারণে অধিকাংশের ঠাঁই হয়েছে হাসপাতালের বারান্দায় ও মেঝেতে।

সরেজমিনে হাসপাতালের ওয়ার্ডে দেখা যায়, রোগীদের উপচেপড়া ভিড়। গাদাগাদি করে বারান্দা ও মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন রোগীরা। অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। জনবল ও জায়গার অভাব দেখা দিয়েছে। ওষুধ পর্যাপ্ত নেই। ওষুধ থাকলেও নানা অযুহাত দেখিয়ে রোগীর হাতে স্লিপ ধরিয়ে বাইরে থেকে কিনতে বলছেন হাসপাতালে কর্তব্যরত নার্সরা। ঠিকমতো চিকিৎসাসেবা পাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনরা।

রোগীর স্বজনরা বলেন, আমরা খোকসার মানুষ এই হাসপাতালের চিকিৎসার ওপর নির্ভরশীল কিন্তু এখানে চিকিৎসা সেবা পেতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন রোগী ভর্তি হচ্ছে। গত সপ্তাহ থেকে হঠাৎ করেই হাসপাতালে রোগীদের ভিড় বেড়ে গেছে। তাপদাহ আর আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে ঠান্ডা, নিউমোনিয়া, ডেঙ্গু জ্বরসহ নানা রোগে আক্রান্তদের সংখ্যা বেড়েছে। ধারণক্ষমতার বেশি রোগী থাকায় নার্সরাও চিকিৎসা দিতে হিম- শিম খাচ্ছেন।

এদিকে হাসপাতালের বহির্বিভাগেও ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বেড়েছে। বহির্বিভাগে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ জন শিশু চিকিৎসা নিচ্ছেন। বেশিরভাগ শিশুই ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত।

সিনিয়র নার্স ঝুমুর বিশ্বাস বলেন, হঠাৎ করে এক সপ্তাহ ধরে ঠান্ডা, নিউমোনিয়া ও জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। শয্যার চেয়ে বেশি রোগী ভর্তি রয়েছে। এত রোগীকে সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে আমাদের। তবুও সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি ভালোভাবে সেবা দেওয়ার জন্য।

খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী সার্জন ডা: সাহিনা খানম বলেন, গত সপ্তাহ থেকে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। হঠাৎ রোগী বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসাসেবা দিতে হিম শিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের। আবহাওয়ার পরিবর্তন, গরম-ঠান্ডাসহ নানা কারণে শিশুরা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। ফলে চাপ বাড়ছে হাসপাতালে। রোগীর তুলনায় চিকিৎসক, নার্স ও শয্যা সংকট থাকায় হিমশিম খেতে হচ্ছে।