ঢাকা ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আলফাডাঙ্গায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু নাগেশ্বরীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের মৃত্যু রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ফরিদপুর‌ পৌরসভার ‌ সাবেক ১ নং ‌ প্যানেল মেয়র মনিরুল ইসলাম মনির গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ার সাংবাদিকতার উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রবীণ সাংবাদিক নুরুননবী বাবু সালথায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় পার্কিং করা যাত্রীবাহি বাসে আগুন  নাগেশ্বরীতে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির প্রতিবাদ সভা দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১জন আসামি গ্রেপ্তার খালের ইজারা বাতিল ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্তের দাবিতে দেবহাটায় মানববন্ধন নওগাঁয় ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী নি-হ-ত

৫ দিনেও জ্ঞান ফেরেনি।। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে গোয়ালন্দ উপজেলা ছাত্রদল সম্পাদক সবুজ।।হামলাকারী নেতাকে অব্যাহতি প্রদান

মো. সাজ্জাদ হোসেন-গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী):
  • আপডেট সময় : ১০:৫৬:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪ ২২৩ বার পঠিত

নিজ দলীয় প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত গোয়ালন্দ উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সবুজ সরদার জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন। গত ৫ দিনেও তার জ্ঞান ফেরেনি। 

ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তিনি মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন।

এ ঘটনার জের ধরে হামলায় নেতৃত্বদানকারী অভিযুক্ত জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক শাহরিয়ার আদনান নুর ইসলামকে তার সাংগঠনিক পদ হতে অব্যহতি প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার (২৭ মে) ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছিরের অনুমোদন সাপেক্ষে দপ্তর সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম অব্যাহতি পত্রে স্বাক্ষর করেন। পত্রে অব্যাহতির কারণ হিসেবে অবশ্য দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ উল্লেখ করা হয়েছে। 

এদিকে আহত ছাত্রদল সম্পাদক সবুজ সরদারের বড় ভাই সেলিম সরদার চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে জানান, তার ভাই জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছে। গত শুক্রবার দিনগত রাত ২ টায় তার মাথায় অস্ত্রোপচারের পর শনিবার ভোর ৪ টায় আইসিইউতে স্হানান্তর করা হয়। তার পর হতে বুধবার (২৯ মে) দুপুর পর্যন্ত তার জ্ঞান ফেরেনি। সে খুবই জটিল অবস্হার মধ্যে রয়েছে। আমরা তাকে নিয়ে গভীর উদ্বেগের মধ্যে রয়েছি।  

তিনি অভিযোগ করে বলেন, শুক্রবার রাজবাড়ী জেলা ছাত্রদলের সম্মেলন শেষে বাসযোগে বাড়ি ফিরছিল তার ছোট ভাই সবুজ। গোয়ালন্দ উপজেলা হাসপাতালের সামনে বাসটি পৌঁছালে জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক, স্হানীয় যুবক নুর ইসলামের নেতৃত্বে একদল যুবক বাসের ভেতরে গিয়ে অস্ত্রের মুখে সবুজকে নিচে নামিয়ে এনে লোহার রড ও লাঠিসোটা দিয়ে বেদম মারপিট করে। এক পর্যায়ে তারা সবুজকে মৃত ভেবে ফেলে রেখে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা এসে তাকে উদ্ধার করে।

শুক্রবার রাজবাড়ীতে ছাত্রদলের সভায় নুর ইসলামের সাথে সবুজের তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি এবং চেয়ার ছোড়াছুড়ি হয়। সেই জের ধরে তারা এ হামলার ঘটনা ঘটায়। 

সবুজের চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ততার কারণে এ বিষয়ে মামলা দায়ের বিলম্ব হচ্ছে বলে তিনি জানান।

এ বিষয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রানবন্ধু চন্দ্র বিশ্বাস জানান, হামলার ঘটনায় বুধবার পর্যন্ত থানায় কোন অভিযোগ দায়ের হয়নি।অভিযোগ পেলে ব্যবস্হা নেয়া হবে। তবে আমরা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি।

৫ দিনেও জ্ঞান ফেরেনি।। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে গোয়ালন্দ উপজেলা ছাত্রদল সম্পাদক সবুজ।।হামলাকারী নেতাকে অব্যাহতি প্রদান

আপডেট সময় : ১০:৫৬:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪

নিজ দলীয় প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত গোয়ালন্দ উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সবুজ সরদার জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন। গত ৫ দিনেও তার জ্ঞান ফেরেনি। 

ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তিনি মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন।

এ ঘটনার জের ধরে হামলায় নেতৃত্বদানকারী অভিযুক্ত জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক শাহরিয়ার আদনান নুর ইসলামকে তার সাংগঠনিক পদ হতে অব্যহতি প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার (২৭ মে) ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছিরের অনুমোদন সাপেক্ষে দপ্তর সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম অব্যাহতি পত্রে স্বাক্ষর করেন। পত্রে অব্যাহতির কারণ হিসেবে অবশ্য দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ উল্লেখ করা হয়েছে। 

এদিকে আহত ছাত্রদল সম্পাদক সবুজ সরদারের বড় ভাই সেলিম সরদার চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে জানান, তার ভাই জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছে। গত শুক্রবার দিনগত রাত ২ টায় তার মাথায় অস্ত্রোপচারের পর শনিবার ভোর ৪ টায় আইসিইউতে স্হানান্তর করা হয়। তার পর হতে বুধবার (২৯ মে) দুপুর পর্যন্ত তার জ্ঞান ফেরেনি। সে খুবই জটিল অবস্হার মধ্যে রয়েছে। আমরা তাকে নিয়ে গভীর উদ্বেগের মধ্যে রয়েছি।  

তিনি অভিযোগ করে বলেন, শুক্রবার রাজবাড়ী জেলা ছাত্রদলের সম্মেলন শেষে বাসযোগে বাড়ি ফিরছিল তার ছোট ভাই সবুজ। গোয়ালন্দ উপজেলা হাসপাতালের সামনে বাসটি পৌঁছালে জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক, স্হানীয় যুবক নুর ইসলামের নেতৃত্বে একদল যুবক বাসের ভেতরে গিয়ে অস্ত্রের মুখে সবুজকে নিচে নামিয়ে এনে লোহার রড ও লাঠিসোটা দিয়ে বেদম মারপিট করে। এক পর্যায়ে তারা সবুজকে মৃত ভেবে ফেলে রেখে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা এসে তাকে উদ্ধার করে।

শুক্রবার রাজবাড়ীতে ছাত্রদলের সভায় নুর ইসলামের সাথে সবুজের তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি এবং চেয়ার ছোড়াছুড়ি হয়। সেই জের ধরে তারা এ হামলার ঘটনা ঘটায়। 

সবুজের চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ততার কারণে এ বিষয়ে মামলা দায়ের বিলম্ব হচ্ছে বলে তিনি জানান।

এ বিষয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রানবন্ধু চন্দ্র বিশ্বাস জানান, হামলার ঘটনায় বুধবার পর্যন্ত থানায় কোন অভিযোগ দায়ের হয়নি।অভিযোগ পেলে ব্যবস্হা নেয়া হবে। তবে আমরা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি।