রাজবাড়ীতে অস্ত্রের মুখে প্যানেল চেয়ারম্যানকে পদত্যাগে বাধ্য, প্রতিবাদে বিক্ষোভ
- আপডেট সময় : ০৮:১৮:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৪ ১৫৫ বার পঠিত

রাজবাড়ীর সদর উপজেলার ৫ নম্বর বরাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী শামসুদ্দিনের বিরুদ্ধে অস্ত্রের মুখে প্যানেল চেয়ারম্যানকে পদত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ আগষ্ট) সকালে এঘটনার প্রতিবাদে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে শতাধিক নারী-পুরুষ বিক্ষোভ করে প্যানেল চেয়ারম্যানকে স্ব-পদে বহাল রাখার দাবি জানান।
বরাট ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম মিয়া শাহজাহান জানান, বৃহস্পতিবার অফিস চলাকালীন সময়ে বেলা ১২ টার দিকে চেয়ারম্যান ও পরিষদের সচিবসহ চেয়ারম্যানের সন্ত্রাসী বাহিনী আমাকে রুমের মধ্যে আটকে ফেলে। আটকানোর পর তাকে জোরপূর্বক একটি লিখিত কাগজে সাক্ষর করতে বলে চেয়ারম্যান। কাগজটি না পরে সাক্ষর করতে তিনি অস্বীকৃতি জানালে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে। এসময় তিনি রুম থেকে বের হতে গেলে নিজাম, দিরাজ শেখ, শফিক ও ইসলাম তার মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে মারধর করে। পরে প্রাননাশের হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক একটি কাগজে স্বাক্ষর নেয়।
বরাট ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য সামসুদ্দিন বিশ্বাস সানা প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, আব্দুল হালিম মিয়া শাহজাহান একজন জনপ্রিয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য। তিনি নির্বাচনের মাধ্যমেই প্যানেল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেয়েছেন। পরিষদের চেয়ারম্যান একজন ধ্বংসকামি, সাধারণ মানুষকে তিনি মানুষ মনে করে না। দেশের পটপরিবর্তন হওয়ার সাথে সাথে চেয়ারম্যানের রুপ বদলে গিয়েছে। গতকাল ইউনিয়ন পরিষদে সন্ত্রাসী বাহিনী সাথে নিয়ে এসে শাহজাহানকে একা পেয়ে জোরপূর্বক প্যানেল চেয়ারম্যানের পদ থেকে অব্যাহতি নিতে বাধ্য করেছে। এমন ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে প্রশাসনের কাছে চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবি করেন তিনি।
সুফিয়া আক্তার নামের স্থানীয় এক বাসিন্দা প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, আমরা আব্দুল হালিম মিয়া শাহজাহানকে স্ব-পদে বহাল চাই এবং অস্ত্র ঠেকিয়ে পদত্যাগে বাধ্য করা চেয়ারম্যানের অপসারণ চাই।
ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান কাজী শামসুদ্দিন হেসে হেসে বলেন, আমি এ ব্যাপারে কিছুই জানিনা। তার সাথে আমার কোনো দ্বন্দ্ব নাই, আমি কেন তাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করবো, তিনি নিজেই পদত্যাগ করেছেন।




















