মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিগাঁথা ৬ ডিসেম্বর: ঐতিহাসিক দেবহাটা মুক্ত দিবস পালিত
- আপডেট সময় : ০৯:৪৪:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ৬৭ বার পঠিত

শনিবার মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিগাঁথা ৬ ডিসেম্বর, ঐতিহাসিক দেবহাটা মুক্ত দিবস। মুক্তিকামী বাংলার বীর সেনানীদের কাছে পরাজিত হয়ে এই দিনে দেবহাটা ছেড়ে চলে যায় পাকিস্থানি হানাদার বাহিনী। সাথে সাথে হানাদার মুক্ত হয় দেবহাটা উপজেলা। বিজয়ের পতাকা হাতে উল্লাসে ফেটে পড়ে মুক্তিকামী সাধারণ মানুষ। সারা এলাকার মানুষের মুখে ফুটে ওঠে বিজয়ে হাসি।
এই দিনেই দেবহাটা উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ খুঁজে পেয়েছিল দীর্ঘদিনের যুদ্ধ জয়ের আনন্দ।প্রতি বছরের ন্যায় এবারও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে এই দিনটি স্মরণে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয় এদিন সকালে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। র্যালিটি উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে শুরু হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ প্রাঙ্গনে শেষ হয়। পরে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নবগঠিত কমিটির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারী।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা। উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক ও জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য শেখ সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, ৯নং সেক্টরের সাব সেক্টর কমান্ডার মরহুম ক্যাপ্টেন শাহজাহান মাস্টারের সহধর্মীনি মিসেস রাবেয়া শাহজাহান, দেবহাটা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মাবুদ গাজী, মরহুম ক্যাপ্টেন শাহজাহান মাস্টারের বড় ছেলে সাংবাদিক ফারুক মাহবুবুর রহমান, ছাত্র প্রতিনিধি ইমরান বাশার, ছাত্র প্রতিনিধি মুজাহিদ বিন ফিরোজ প্রমুখ। সভায় বীর মুক্তিযোদ্ধাগন, তাদের পরিবারবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সুধীমহল অংশগ্রহণ করেন। সভায় বক্তারা মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিগাথার সেই দিনের স্মৃতি উল্লেখ করে, দেবহাটা মুক্ত দিবসের তাৎপর্য সম্পর্কে বিষদ আলোচনা করেন।




















