ঢাকা ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আলফাডাঙ্গায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু নাগেশ্বরীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের মৃত্যু রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ফরিদপুর‌ পৌরসভার ‌ সাবেক ১ নং ‌ প্যানেল মেয়র মনিরুল ইসলাম মনির গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ার সাংবাদিকতার উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রবীণ সাংবাদিক নুরুননবী বাবু সালথায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় পার্কিং করা যাত্রীবাহি বাসে আগুন  নাগেশ্বরীতে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির প্রতিবাদ সভা দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১জন আসামি গ্রেপ্তার খালের ইজারা বাতিল ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্তের দাবিতে দেবহাটায় মানববন্ধন নওগাঁয় ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী নি-হ-ত

মিঠাপুকুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ২ ইউনিট

রুবেল হোসাইন সংগ্রাম- রংপুর ব্যুরো:
  • আপডেট সময় : ০৩:২৫:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৩ ৩৩০ বার পঠিত

রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলা বড়বালা ইউনিয়নের কেশবপুর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৯ আগষ্ট) রাত তিনটায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের কারনে এ ঘটনা ঘটে।

এসময় বেলাল কসমেটিক্স আরিফুল ভ্যারাইটি ষ্টোর ও মামুন কম্পিউটারের দোকানসহ মোট চারটি দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী দ্রুত মিঠাপুকুর ফায়ার সার্ভিসকে ফোন দেন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মিঠাপুকুর ফায়ার সার্ভিস। এর আগেই এলাকাবাসীর সহায়তায় আগুন অনেকাংশেই নেভানো হয় । পরে অগ্নি নির্বাপক বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছালে প্রায় আধা ঘন্টার চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। ততক্ষণে চারটি দোকানের সবকিছুই পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

এ ঘটনায় সবথেকে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন কেশবপুর বাজারের মৃত-শফিকুল ইসলামের ছেলে হাফেজ বেলাল হোসাইন। রেফ্রিজারেটর টিভি সহ প্রসাধনী ও ভ্যারাইটি স্টোরের দুটি দোকানের তার প্রায় ৮ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। এবং আরিফুল ষ্টোর ও মামুন কম্পিউটারের পিসি কম্পিউটার ও টিভি ফ্রিজসহ দোকানের প্রায় তিন লক্ষ টাকার মালামাল পুড়ে যায়।

এ বিষয়ে,বেলাল হোসাইনের খালু আমিরুল ইসলাম বলেন,“ সে ছোট বেলায় বাবাকে হারিয়েছে এতিম একটা ছেলে। তাঁর স্বামীহারা মা ঢাকায় একটি গার্মেন্টসে কাজ করেন। তার মায়ের যেটুকু জমানো টাকা ছিলো তা এবং বিভিন্ন ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে বাজারে কসমেটিক্স ও মুদিখানার দোকান দেয় সে। অসহায় ছেলেটার হঠাৎ এরকম ভাবে সব শেষ হয়ে গেল”।

প্রত্যক্ষদর্শী কামরু মিয়া জানান, “আমি এই বাজারে হোটেলে কাজ করি। প্রতিদিনের ন্যায় সমস্ত কাজ শেষ করে ঘুমাতে যাচ্ছিলাম হঠাৎ কি রকম যেন আওয়াজ শুনতে পেলাম আমার পাশেই বেলালের দোকান এসে দেখি আগুন লেগেছে। পরে সবাইকে ডাকাডাকি ও এলাকাবাসীর সহায়তায় আগুন নেভানোর চেষ্টা করি”।

এ বিষয়ে মিঠাপুকুর ফায়ার স্টেশন ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন,“ আমরা খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাই এবং আমাদের দুটি ইউনিটের প্রায় আধা ঘন্টার প্রচেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের কারণে অগ্নিকান্ডটি ঘটেছে”।

ট্যাগস :

মিঠাপুকুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ২ ইউনিট

আপডেট সময় : ০৩:২৫:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৩

রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলা বড়বালা ইউনিয়নের কেশবপুর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৯ আগষ্ট) রাত তিনটায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের কারনে এ ঘটনা ঘটে।

এসময় বেলাল কসমেটিক্স আরিফুল ভ্যারাইটি ষ্টোর ও মামুন কম্পিউটারের দোকানসহ মোট চারটি দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী দ্রুত মিঠাপুকুর ফায়ার সার্ভিসকে ফোন দেন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মিঠাপুকুর ফায়ার সার্ভিস। এর আগেই এলাকাবাসীর সহায়তায় আগুন অনেকাংশেই নেভানো হয় । পরে অগ্নি নির্বাপক বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছালে প্রায় আধা ঘন্টার চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। ততক্ষণে চারটি দোকানের সবকিছুই পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

এ ঘটনায় সবথেকে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন কেশবপুর বাজারের মৃত-শফিকুল ইসলামের ছেলে হাফেজ বেলাল হোসাইন। রেফ্রিজারেটর টিভি সহ প্রসাধনী ও ভ্যারাইটি স্টোরের দুটি দোকানের তার প্রায় ৮ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। এবং আরিফুল ষ্টোর ও মামুন কম্পিউটারের পিসি কম্পিউটার ও টিভি ফ্রিজসহ দোকানের প্রায় তিন লক্ষ টাকার মালামাল পুড়ে যায়।

এ বিষয়ে,বেলাল হোসাইনের খালু আমিরুল ইসলাম বলেন,“ সে ছোট বেলায় বাবাকে হারিয়েছে এতিম একটা ছেলে। তাঁর স্বামীহারা মা ঢাকায় একটি গার্মেন্টসে কাজ করেন। তার মায়ের যেটুকু জমানো টাকা ছিলো তা এবং বিভিন্ন ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে বাজারে কসমেটিক্স ও মুদিখানার দোকান দেয় সে। অসহায় ছেলেটার হঠাৎ এরকম ভাবে সব শেষ হয়ে গেল”।

প্রত্যক্ষদর্শী কামরু মিয়া জানান, “আমি এই বাজারে হোটেলে কাজ করি। প্রতিদিনের ন্যায় সমস্ত কাজ শেষ করে ঘুমাতে যাচ্ছিলাম হঠাৎ কি রকম যেন আওয়াজ শুনতে পেলাম আমার পাশেই বেলালের দোকান এসে দেখি আগুন লেগেছে। পরে সবাইকে ডাকাডাকি ও এলাকাবাসীর সহায়তায় আগুন নেভানোর চেষ্টা করি”।

এ বিষয়ে মিঠাপুকুর ফায়ার স্টেশন ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন,“ আমরা খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাই এবং আমাদের দুটি ইউনিটের প্রায় আধা ঘন্টার প্রচেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের কারণে অগ্নিকান্ডটি ঘটেছে”।