বাগেরহাটে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষাব্যুরো’র গাফিলতি একের মধ্যে দুই !
- আপডেট সময় : ০২:১৯:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০২৩ ২৯৬ বার পঠিত

ছোটবেলায় গল্প শুনেছি একটা কুমিরের বাচ্চা সাতবার দেখিয়ে কুমিরকে সন্তুষ্টি করা হতো তার সাতটি বাচ্চা ই আছে। এমনই ঘটনা ঘটেয়ে বাগেরহাটে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর আউট অব স্কুল চিলড্রেন এডুকেশন প্রোগ্রাম ( পিইডিপি-৪) প্রকল্পে।
সুখী মানুষ নামে একটি বেসরকারী সংস্থা এই প্রকল্পের বাগেরহাট জেলার ৮টি উপজেলায় ঝরেপড়া শিশুদের লেখা পড়ার দায়িত্ব নেয়। এর মধ্যেই বাগেরহাটে এই প্রকল্প নিয়ে অনেক অনিয়ম ও দূর্নীতির খবর বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশ হয়। গত ২০ সেপ্টেম্বর বাগেরহাটে দুদকের গন শুনানী অনুষ্ঠানে প্রায় শতাধিক ভূক্ত ভোগী সুখী মানুষ ও বাগেরহাট উপানুষ্ঠানিক শিক্ষাব্যুরোর অনিয়ম ও দূর্নীতির ফিরিস্থি তুলেধরে আবেদন করেন।
গত ১ অক্টোবর বিকাল সাড়ে তিনটায় বাগেরহাট সদর উপজেলার ডেমা ইউনিয়নের বড়চাদপুর ও চাদপুর গ্রামে সুখী মানুষের তালিকায় দুটি শিখন কেন্দ্র রয়েছে। সরেজমিনে দেখাযায় মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গন শিক্ষা কার্যক্রম কেন্দ্রেই দুটি শিখন কেন্দ্রর ক্লাস চলছে। সেখানে শিক্ষক সাকিলা বেগম ক্লাস করাচ্ছেন। অপর শিক্ষকের কথা জানতে চাইলে শিক্ষক গিতা রানী কে সাকিলা ফোন দিয়ে ডেকে আনলেন্।
গিতা রানী জানান, তারা দুজন বড়চাদ পুর কালী বাড়ী বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। তারা দুজনেই তাদের স্কুলে ক্লাস করান। স্কুলে বালু তোলা হচ্ছে তাই এখানে ক্লোস করানো হচ্ছে। সুখী মানুষের পক্ষথেকে প্রাপ্ত ফ্যান, চেয়ার, টুল,ষ্ট্যাপলার ,ফ্লোর ম্যাট,ফলের চাট,বর্ণমালা,বিভিন্ন বিক্ষাত ব্যক্তিদের ছবি, টিউব লাইট,পানির জার, কেচি, ছুরি, ওয়েষ্ট পেপার বাকেট দেখতে চাইলে শিক্ষীকারা দেখাতে পারেনি। শিক্ষীকা সাকিলা বেগম জানান, ছাত্র ছাত্রীদের এ পর্যন্ত একসেট স্কুল ড্রেস ও একটি ব্যাগ দেওয়া হয়েছে। ছাত্র ছাত্রীরা জানান, তারা একটি করে স্কুল ড্রেস, ব্যাগ ও খাতা পেয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যাক্তি জানান, সকল শিশু ই কালী বাড়ী বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। একই শিশু সুখী মানুষের দেখান হয়। আবার এদের মধ্যথেকে অনেকে মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গন শিক্ষায় ও লেখা পড়া করছে। যেহেতু একই জায়গায় চারটি প্রতিষ্ঠান এত শিশু কোথায় পাবে তাই একই শিশু কে বারবার ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখান হয়। তারা আরো জানান, একদিনেত সব প্রতিষ্ঠানের পরিদর্শন হয়না এটুকু সুবিধা আমরা পাই।
এবিষয় উপানুষ্ঠানিক শিক্ষাব্যুরোর বাগেরহাটের সহকারী পরিচালক হিরামন বিশ্বাসের ০১৭১১৯৭৬৪৬২ মোবাইলে বারবার ফোন দিলেও তিনি ফোন ধরেন নি। #




















