পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে বাড়ি ভাঙচুর ও ধর্ষণ মামলার আসামি হলেন ফারুক
- আপডেট সময় : ০৯:৫৫:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৩ ১৭৭ বার পঠিত

কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার নাজিম খান ইউনিয়নের, মনিড়াকুয়া মৌজার রামসিং গ্রামের মো: সাজেদুল ইসলাম সাজু ড্রাইভারের স্ত্রী মোছা:ফাতেমা বেগম (৩৮)অভিযোগে বলেন, আমার স্বামী বাড়িতে না থাকায় তারা ৪/৫ জন আমার বাসার গেট ভেঙে, বাসার রুমে ঢুকে পড়ে। তারা নগদ ৭ লাখ টাকা সাড়ে তিন ভরি স্বর্ণ সহ আমার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেয় এবং আমাকে শ্লীলতাহানি করে ফারুকের সন্ত্রাসী বাহিনী।
গত ১১ নভেম্বর রাত ১ দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে সাংবাদিকদের জানান। পরে অভিযুক্ত আসামি মো: ফারুক হোসেন বলেন, সাজেদুল ইসলাম সাজু আমার সাথে বয়লার মুরগির ব্যবসা করে আসছে প্রায় দীর্ঘ এক বছর থেকে। আমি আমার পাওনা টাকা দেয়ার জন্য তাকে বলি সেই মুরগি বিক্রি করে টাকা দিবে বলে বিভিন্ন তাল বাহানা দেখায়। তাই গত ১১ তারিখে আমি আমার ছেলে ও খামারি ব্যবসায়ী রাশেদুল দুলাল সহ বেশ কয়েকজন তাদের বাসায় আনুমানিক ৮:৩০ মিনিটে যাই। কিন্তু বাসায় গিয়ে দেখি সাজু নেই। সাজু বাসায় না থাকায় তার স্ত্রীকে টাকার কথা বলে আসি। পরের দিন সকালে শুনতে পারি আমি নাকি সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে গিয়ে তার বউকে ধর্ষণ ও বাড়ি লুটপাট করে নিয়ে এসেছি।
আমি ফারুক হোসেন কোন মানুষের ক্ষতি বা কোন কু-কর্মে লিপ্তে জড়িত নই।আমি আমার পাওনা টাকা আদায়ের জন্য গিয়েছিলাম।অথচ সাজু তার নিজ ফোন থেকে তিন নং আসামি রাশিদুল ইসলামকে ফোনে নানা প্রকার ভয়-ভীতি সহ টাকা মেরে দেওয়ার হুমকি প্রদান করে। সে আরো বলেন তার নিজ বাড়ির গেট সহ ঘরে আসবাবপত্র ভাঙচুর তার ছেলে নিজেই করেছেন বলে উল্লেখ করেন। তারপর প্রমাণ তার ফোন কল রেকর্ড আমাদের কাছে আছে।
তাই আমার নামে যে মিথ্যা মামলা সহ নানা ধরনের মিথ্যা গুজব ছড়িয়েছে বা আমার ব্যবসার টাকা মেরে দেওয়ার ফন্দি করছে। আমি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।
এলাকাবাসীর দাবি, সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। তবেই মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা গুলো কমে যাবে বলে তারা মনে করেন।
























