ঢাকা ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আলফাডাঙ্গায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু নাগেশ্বরীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের মৃত্যু রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ফরিদপুর‌ পৌরসভার ‌ সাবেক ১ নং ‌ প্যানেল মেয়র মনিরুল ইসলাম মনির গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ার সাংবাদিকতার উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রবীণ সাংবাদিক নুরুননবী বাবু সালথায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় পার্কিং করা যাত্রীবাহি বাসে আগুন  নাগেশ্বরীতে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির প্রতিবাদ সভা দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১জন আসামি গ্রেপ্তার খালের ইজারা বাতিল ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্তের দাবিতে দেবহাটায় মানববন্ধন নওগাঁয় ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী নি-হ-ত

পাইকগাছা-কয়রায় বিভিন্ন উন্নয়নের দাবিতে বিক্ষোভ-সমাবেশ ও লংমার্চ কর্মসূচি 

মোঃ ফসিয়ার রহমান- পাইকগাছা (খুলনা):
  • আপডেট সময় : ০৬:৫১:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫ ২০৫ বার পঠিত

“খুলনার পাইকগাছা-কয়রায় নদী ভাঙ্গন রোধে টেকসই ভেড়ি বাঁধ নির্মাণ,বেতগ্রাম থেকে কয়রা প্রধান সড়ক সংস্কার ও সুন্দরবন জেলা বাস্তবায়ন এবং খুলনা-৬ আসনে বহিরাগত এমপি প্রার্থী প্রতিরোধে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়েছে। লংমার্চ আয়োজন করেন পাইকগাছা-কয়রার নাগরিক ফোরাম। 

শনিবার দুপুরে পাইকগাছার প্রবেশদ্বার কাশিমনগরের শাপলা চত্তর এলাকা থেকে লংমার্চ শুরু হয়ে কয়রা উপজেলা সদরে যেয়ে শেষ হয়। লংমার্চের নেতৃত্ব দেন খুলনা-৬ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক। 
পাইকগাছা-কয়রার হাজার হাজার নেতা-কর্মীরা লংমার্চে অংশগ্রহণ করে। এসময় নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন দাবিতে স্লোগান দিতে থাকে। হাজারো মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা ও বিভিন্ন যানবাহনে নেতা-কর্মীরা লংমার্চ করে কয়রা সদরে পৌছান। 

লংমার্চ পূর্ব পথসভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম রফিক। তিনি বলেন, পাইকগাছা-কয়রার মানুষ অতি সাধারণ। এলাকার মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য পূর্বের এমপিরা যেকাজ করেছে তার থেকে লুটেপুটে বেশি খেয়েছে। প্রতি বছর নদী ভাঙ্গনে শত শত পরিরার ভিটে ছাড়া হচ্ছে। কিন্তু কোন কার্যকর কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি কেউ। আমরা ত্রান চাইনা স্থায়ী টেকসই ভেড়ি বাঁধ চাই। খুলনা জেলা সদরের সাথে পাইকগাছা ৭৫ এবং কয়রা সদরের দুরত্ব ১০০ কিঃ মিঃ সেকারনে পাইকগাছা কয়রাসহ আশেপাশের এলাকা নিয়ে সুন্দরবন জেলা বাস্তবায়ন করতে হবে। এ আসনে বহিরাগত কোন প্রার্থী যেন মনোনয়ন না পায় সেজন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
লংমার্চে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নতা খোকন সানা, এ্যাড. দিপঙ্কর সাহা, আবুল হাসান, মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবির, আজিজুল ইসলাম, আমানুর রহমান, হাবিবুর রহমান, ফারুক হোসেন, আক্তার হোসেন, জাহিদুল ইসলাম, জামাল, ফারুক প্রমুখ।

পাইকগাছা-কয়রায় বিভিন্ন উন্নয়নের দাবিতে বিক্ষোভ-সমাবেশ ও লংমার্চ কর্মসূচি 

আপডেট সময় : ০৬:৫১:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

“খুলনার পাইকগাছা-কয়রায় নদী ভাঙ্গন রোধে টেকসই ভেড়ি বাঁধ নির্মাণ,বেতগ্রাম থেকে কয়রা প্রধান সড়ক সংস্কার ও সুন্দরবন জেলা বাস্তবায়ন এবং খুলনা-৬ আসনে বহিরাগত এমপি প্রার্থী প্রতিরোধে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়েছে। লংমার্চ আয়োজন করেন পাইকগাছা-কয়রার নাগরিক ফোরাম। 

শনিবার দুপুরে পাইকগাছার প্রবেশদ্বার কাশিমনগরের শাপলা চত্তর এলাকা থেকে লংমার্চ শুরু হয়ে কয়রা উপজেলা সদরে যেয়ে শেষ হয়। লংমার্চের নেতৃত্ব দেন খুলনা-৬ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক। 
পাইকগাছা-কয়রার হাজার হাজার নেতা-কর্মীরা লংমার্চে অংশগ্রহণ করে। এসময় নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন দাবিতে স্লোগান দিতে থাকে। হাজারো মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা ও বিভিন্ন যানবাহনে নেতা-কর্মীরা লংমার্চ করে কয়রা সদরে পৌছান। 

লংমার্চ পূর্ব পথসভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম রফিক। তিনি বলেন, পাইকগাছা-কয়রার মানুষ অতি সাধারণ। এলাকার মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য পূর্বের এমপিরা যেকাজ করেছে তার থেকে লুটেপুটে বেশি খেয়েছে। প্রতি বছর নদী ভাঙ্গনে শত শত পরিরার ভিটে ছাড়া হচ্ছে। কিন্তু কোন কার্যকর কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি কেউ। আমরা ত্রান চাইনা স্থায়ী টেকসই ভেড়ি বাঁধ চাই। খুলনা জেলা সদরের সাথে পাইকগাছা ৭৫ এবং কয়রা সদরের দুরত্ব ১০০ কিঃ মিঃ সেকারনে পাইকগাছা কয়রাসহ আশেপাশের এলাকা নিয়ে সুন্দরবন জেলা বাস্তবায়ন করতে হবে। এ আসনে বহিরাগত কোন প্রার্থী যেন মনোনয়ন না পায় সেজন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
লংমার্চে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নতা খোকন সানা, এ্যাড. দিপঙ্কর সাহা, আবুল হাসান, মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবির, আজিজুল ইসলাম, আমানুর রহমান, হাবিবুর রহমান, ফারুক হোসেন, আক্তার হোসেন, জাহিদুল ইসলাম, জামাল, ফারুক প্রমুখ।