ঢাকা ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আলফাডাঙ্গায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু নাগেশ্বরীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের মৃত্যু রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ফরিদপুর‌ পৌরসভার ‌ সাবেক ১ নং ‌ প্যানেল মেয়র মনিরুল ইসলাম মনির গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ার সাংবাদিকতার উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রবীণ সাংবাদিক নুরুননবী বাবু সালথায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় পার্কিং করা যাত্রীবাহি বাসে আগুন  নাগেশ্বরীতে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির প্রতিবাদ সভা দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১জন আসামি গ্রেপ্তার খালের ইজারা বাতিল ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্তের দাবিতে দেবহাটায় মানববন্ধন নওগাঁয় ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী নি-হ-ত

পাইকগাছায় সরকারী নীতিমালা উপেক্ষা করে চলছে ইটভাটার কার্যক্রম

মোঃ ফসিয়ার রহমান- পাইকগাছা (খুলনা):
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৪:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৫ ২৩৭ বার পঠিত

সরকারী নীতিমালা উপেক্ষা করে খুলনার পাইকগাছায় অসংখ্য ইটভাটার কার্যক্রম চলছে পুরোদমে। কর্তৃপক্ষের নেই কোন নড়ন চড়ন। পুরানো হচ্ছে কাঠ, কৃষি জমি ও নদী থেকে কাটা হচ্ছে মাটি। কোন কোন মালিকের কথা জরিমানার টাকা দিলেই সবকিছুই বৈধ।

উপজেলার চাঁদখালী, গদাইপুর, রাড়ুলী ও হরিঢালীতে ১৫ টি ইটভাটা কৃষিজমিতে অবস্থিত যার প্রায় সবগুলোই জনবসতি এলাকায় প্রতিষ্ঠিত। নিষিদ্ধ জায়গা যেমন কৃষিজমি ও নদীর চর থেকে কাটা হচ্ছে মাটি। ভাটায় বসানো হয়েছে করাত কল। অধিকাংশ ভাটার নেই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও লাইসেন্স। এদিকে ধোয়ার কুন্ডুলিতে নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ।

নীতিমালা অনুযায়ী কোন প্রতিষ্ঠান থেকে ১ কিলোমিটার দুরত্বে ও বনাঞ্চল থেকে ২ কিলোমিটার দুরত্বে ভাটা স্থাপনের কথা। কিন্তু এসব নীতিমালা সর্বক্ষেত্রে উপেক্ষিত। প্রত্যেকটি ইটের ভাটার পাশে সরকারী প্রতিষ্ঠান, স্কুল,কলেজ, হাট বাজার ও ব্যস্ততম সড়ক অবস্থিত। পাইগাছায় স্থাপিত ভাটাগুলো হলো হরিঢালীর মাহবুবুর রহমান রঞ্জুর দুটি ইট ভাটা। যমুনা ব্রিকস ১ ও ২, গদাইপুর মুজিবুর রহমানদের যৌথ ফাইভ ষ্টার, ফতেমা রহমানের এফএফবি, চাঁদখালীর নাজমুল হুদা মিথুনের এসএমবি, মহিউদ্দিন খানের বিএকে, বাদশা খানের খান ব্রিকস, মুনছুর গাজীর এস এম ব্রিকস, আব্দুল হালিমের স্টার ব্রিকস, আব্দুল মান্নান গাজীর বিবিএম ব্রিকস, আব্দুল জলিলের এডিবি ব্রিকস, শহাজাদা  ইলিয়াসের এমএসবি ব্রিকস, সিরাজুল ইসলামের এসবিএম ব্রিকস, শফিকুল ইসলামের এমবিএম ব্রিকস, রাড়ুলী ইউনিয়নের মিনারুল ইসলাম ও ডালিম সরদারের ইটের ভাটা। জানা যায়, পরিবেশ অধিদপ্তর ও উপজেলা নির্বাহী আদালতের উদ্যোগে প্রতিবছর ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা করা হয়।
তাতে ভাটা মালিকরা খুশি কারণ এ দিয়েই বৈধতা পাচ্ছে তারা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ভাটা মালিক জানায়, কিছু জরিমানার টাকা দিলেই আর কোন সমাস্যা থাকেনা। এ কারণে সে টাকা আগে থেকেই রেডি করে ভাটার কাজ শুরু করে। 

ভাটা মালিক মিঠু জানান, তিন বছর যাবৎ পরিবেশের কোন ছাড়পত্র পায়নি, লাইসেন্স নেই, তবে সরকার আমাদের কাছ থেকে আয়কর ও ভ্যাট আদায় করছে। এরপরও কয়েকবার আমাদেরকে জরিমানা করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট  মাহেরা নাজনীন বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের সাথে যোগযোগ করা হচ্ছে তাদের সহযোগিতায় এসব  জায়গায় ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে ব্যবস্থা নেনয়া হবে।

পাইকগাছায় সরকারী নীতিমালা উপেক্ষা করে চলছে ইটভাটার কার্যক্রম

আপডেট সময় : ০৪:৫৪:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৫

সরকারী নীতিমালা উপেক্ষা করে খুলনার পাইকগাছায় অসংখ্য ইটভাটার কার্যক্রম চলছে পুরোদমে। কর্তৃপক্ষের নেই কোন নড়ন চড়ন। পুরানো হচ্ছে কাঠ, কৃষি জমি ও নদী থেকে কাটা হচ্ছে মাটি। কোন কোন মালিকের কথা জরিমানার টাকা দিলেই সবকিছুই বৈধ।

উপজেলার চাঁদখালী, গদাইপুর, রাড়ুলী ও হরিঢালীতে ১৫ টি ইটভাটা কৃষিজমিতে অবস্থিত যার প্রায় সবগুলোই জনবসতি এলাকায় প্রতিষ্ঠিত। নিষিদ্ধ জায়গা যেমন কৃষিজমি ও নদীর চর থেকে কাটা হচ্ছে মাটি। ভাটায় বসানো হয়েছে করাত কল। অধিকাংশ ভাটার নেই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও লাইসেন্স। এদিকে ধোয়ার কুন্ডুলিতে নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ।

নীতিমালা অনুযায়ী কোন প্রতিষ্ঠান থেকে ১ কিলোমিটার দুরত্বে ও বনাঞ্চল থেকে ২ কিলোমিটার দুরত্বে ভাটা স্থাপনের কথা। কিন্তু এসব নীতিমালা সর্বক্ষেত্রে উপেক্ষিত। প্রত্যেকটি ইটের ভাটার পাশে সরকারী প্রতিষ্ঠান, স্কুল,কলেজ, হাট বাজার ও ব্যস্ততম সড়ক অবস্থিত। পাইগাছায় স্থাপিত ভাটাগুলো হলো হরিঢালীর মাহবুবুর রহমান রঞ্জুর দুটি ইট ভাটা। যমুনা ব্রিকস ১ ও ২, গদাইপুর মুজিবুর রহমানদের যৌথ ফাইভ ষ্টার, ফতেমা রহমানের এফএফবি, চাঁদখালীর নাজমুল হুদা মিথুনের এসএমবি, মহিউদ্দিন খানের বিএকে, বাদশা খানের খান ব্রিকস, মুনছুর গাজীর এস এম ব্রিকস, আব্দুল হালিমের স্টার ব্রিকস, আব্দুল মান্নান গাজীর বিবিএম ব্রিকস, আব্দুল জলিলের এডিবি ব্রিকস, শহাজাদা  ইলিয়াসের এমএসবি ব্রিকস, সিরাজুল ইসলামের এসবিএম ব্রিকস, শফিকুল ইসলামের এমবিএম ব্রিকস, রাড়ুলী ইউনিয়নের মিনারুল ইসলাম ও ডালিম সরদারের ইটের ভাটা। জানা যায়, পরিবেশ অধিদপ্তর ও উপজেলা নির্বাহী আদালতের উদ্যোগে প্রতিবছর ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা করা হয়।
তাতে ভাটা মালিকরা খুশি কারণ এ দিয়েই বৈধতা পাচ্ছে তারা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ভাটা মালিক জানায়, কিছু জরিমানার টাকা দিলেই আর কোন সমাস্যা থাকেনা। এ কারণে সে টাকা আগে থেকেই রেডি করে ভাটার কাজ শুরু করে। 

ভাটা মালিক মিঠু জানান, তিন বছর যাবৎ পরিবেশের কোন ছাড়পত্র পায়নি, লাইসেন্স নেই, তবে সরকার আমাদের কাছ থেকে আয়কর ও ভ্যাট আদায় করছে। এরপরও কয়েকবার আমাদেরকে জরিমানা করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট  মাহেরা নাজনীন বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের সাথে যোগযোগ করা হচ্ছে তাদের সহযোগিতায় এসব  জায়গায় ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে ব্যবস্থা নেনয়া হবে।