পাইকগাছায় চাঁদার টাকা না পেয়ে মহিলা কাউন্সিলরকে লাঞ্চিত
- আপডেট সময় : ০৩:১৫:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫ ১৭৬ বার পঠিত

“খুলনার পাইকগাছায় চাঁদার টাকা না পেয়ে পৌরসভার ৪,৫ ও ৬নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত সাবেক মহিলা কাউন্সিলরকে মারপিট করে গুরুতর আহত করায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার সকালে পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান কাউন্সিলের মেয়ে ছন্দা রানী দাশ।সংবাদ সম্মেলনে ছন্দা রানী দাশ বলেন,আমার মা কবিতা রানী দাশ পৌরসভার ৪,৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের ৩ বারের সাবেক কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র ছিলেন।
এছাড়া তিনি মাসিক চুক্তিতে জোনাকী গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতিতে একজন মাঠকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। সমিতিতে গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনাও ঘটেছে। যা নিয়ে গ্রাহকদের টাকা আদায়ে মামলা মকদ্দমা ও আন্দোলন সংগ্রাম হয়েছে।
সর্বশেষ টাকা প্রদানের সিদ্ধান্ত হয়ে আছে। এর মধ্যে পৌরসভা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোস্তফা মোড়ল ও আওয়ামী শ্রমিকলীগের পৌরসভার যুগ্ম আহবায়ক জাকির হোসেনকে ১০ লাখ টাকা দিলে তারা সব সমাস্যা সমাধান করে দিবেন বলে জানান।
তাতে আমার মা রাজী না হওয়ায় শুক্রবার বিকেলে আমাদের বাড়ীতে ৩-৪ শ লোকজন নিয়ে হামলা চালায়। ঘরে ঢুকে কবিতা দাশকে বেধড়ক মারপিট করে টেনে-হিছড়ে ঘরের বাইরে এনে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্মমভাবে নির্যাতন চালায়।
আলমারী,শোকেজ ভেঙ্গে নগদ কয়েক লক্ষ টাকা চার ভরি সোনার গহনা ও মুল্যবান জিনিসপত্র লুটপাট করে নিয়ে গেছে।এমনকি তার শাড়ী কাপড় ছিড়ে বিবস্ত্র করে খুলনা-পাইকগাছার প্রধান সড়ক দিয়ে সমিতির সভাপতি সাবেক কাউন্সিলরের বাড়ীতে টানতে টানতে নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে সে গুরুতর আহত হয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করে। সেখানেও রাতে জাকির হোসেন ও মোস্তফা মোড়ল কিছু লোক নিয়ে তার সাথে আবারও অসাধাচারণ করে। রোগীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ছন্দা রাণী দাশ প্রশাসনের কাছে ন্যায় বিচার দাবী জানান।
এবিষয়ে মোস্তফা মোড়ল ও জাকির হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তারা চাঁদার কথা অস্বীকার করেন। তারা বলেন,গ্রাহকদের টাকা না দেয়ায় তারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। আমরা ঠেকায় দিয়েছি মাত্র। তানা হলে অবস্থা আরোও খারাপ হতো।




















