দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে রাতের আঁধারে ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রি,একজন আটক
- আপডেট সময় : ১২:১৮:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬ ৭২ বার পঠিত

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কোন্ডা ইউনিয়নের নতুন বাক্তারচর ও বড় চর এলাকায় রাতের আঁধারে অবৈধভাবে ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব খাটিয়ে ট্রাকযোগে বিপুল পরিমাণ মাটি কেটে বিক্রি করে আসছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, জাজিরা মৌজার বড় চর ও মোল্লার বাজার সংলগ্ন এলাকায় গত শনিবার রাতে দুই থেকে তিনশ ট্রাক, কোনো কোনো হিসেবে প্রায় ৩৬৫ ট্রাক মাটি কেটে নেওয়া হয়। এতে এলাকার কৃষকদের ফসলি জমি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় চরম ক্ষোভ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
অভিযোগ রয়েছে, এ ঘটনায় কোন্ডা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আখতার হোসেন, ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদল নেতা নাসির উদ্দিন এবং তাঁর ভাই সালাউদ্দিন (রবিন) জড়িত।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর দাবি, নাসির উদ্দিন ও সালাউদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে মাটি চুরি ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত। আরও অভিযোগ করা হয়, সালাউদ্দিন আগে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বর্তমানে নাসির উদ্দিনের পরিচয়ে বিভিন্ন ব্যবসা জোরপূর্বক পরিচালনা করে আসছেন।
ঘটনার পর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা-পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাতে সালাউদ্দিন রবিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে।
অভিযোগ প্রসঙ্গে আক্তার হোসেন বলেন, মাটি কাটার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তাঁর দাবি, গ্রেপ্তার হওয়া সালাউদ্দিন তাঁর চাচাতো ভাই এবং সে নিজ মালিকানাধীন জমি থেকেই মাটি কেটেছে।
এদিকে নিউভিশন হাউজিংয়ের ম্যানেজার মনির হোসেন জানান, আলোচ্য জমিটি যৌথ মালিকানাধীন। ভিডিও ফুটেজে মাটি কাটার দৃশ্য দেখা গেছে। তবে ঠিক কত পরিমাণ মাটি কাটা হয়েছে, তা নিরূপণে সময় লাগবে।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, এ ঘটনায় আগেই একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। সেই মামলার ভিত্তিতেই একজনকে আটক করা হয়েছে এবং অন্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।




















