ঢাকা ০৬:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আলফাডাঙ্গায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু নাগেশ্বরীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের মৃত্যু রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ফরিদপুর‌ পৌরসভার ‌ সাবেক ১ নং ‌ প্যানেল মেয়র মনিরুল ইসলাম মনির গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ার সাংবাদিকতার উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রবীণ সাংবাদিক নুরুননবী বাবু সালথায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় পার্কিং করা যাত্রীবাহি বাসে আগুন  নাগেশ্বরীতে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির প্রতিবাদ সভা দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১জন আসামি গ্রেপ্তার খালের ইজারা বাতিল ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্তের দাবিতে দেবহাটায় মানববন্ধন নওগাঁয় ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী নি-হ-ত

ঢাবিতে সুযোগ পেয়েও ভর্তি অনিশ্চিত মেধাবী শিক্ষার্থী জোবায়েরের

চঞ্চল হাওলাদার-ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম):
  • আপডেট সময় : ০২:২১:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪ ১৫০ বার পঠিত

কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী সরকারি কলেজের মেধাবী শিক্ষার্থী জোবায়ের হোসেন স্কুল জীবন থেকেই পরিবারের আর্থিক সংকট ছিল তাঁর নিত্যসঙ্গী। সব বাধা পেরিয়ে চলতি বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন তিনি। আর্থিক সংকটের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিসহ তার উচ্চশিক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

জোবায়ের হোসেন কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলার চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের নতুন হাটবাজার এলাকার দরিদ্র দর্জি শাহজালাল ও গৃহিণী কোহিনূর বেগম দম্পতির ছেলে। তিনি ২০২১ সালে চর ভূরুঙ্গামারী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ এবং ২০২৩ সালে ভূরুঙ্গামারী সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পান।

জোবায়ের বলেন, আমি চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছি। আমার ইচ্ছা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করার। কিন্তু ভর্তির টাকা জোগাড় হবে কি না জানি না। তা ছাড়া ভর্তির পর লেখাপড়ার খরচ চালিয়ে যাওয়াও সম্ভব হবে কি না তাও জানি না। এসব নিয়ে
উৎকণ্ঠায় আছি। আমার স্বপ্ন পূরণে
সবার সহযোগিতা ও দোয়া চাই।
জোবায়েরের বাবা শাহজালাল বলেন, জোবায়ের ছোটবেলা থেকেই পড়ালেখায় ভালো। আমি গরিব মানুষ, তবু স্বপ্ন দেখছি জোবায়েরকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানোর। যেটুকু জমি ছিল সেটুকুও বন্ধক রেখে ঢাকার একটি কোচিংয়ে ভর্তি করেছিলাম। কিন্তু সেখানকার খরচ মেটাতে একটি এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছিলাম। প্রায় ১০ বছর আগে আমার বড় ছেলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে চাকরিতে ঢোকার পর তার অকালমৃত্যু হয়। এখন আমার সব আশা এই ছেলেটাকে নিয়ে। এ জন্য সবার সহযোগিতা চাই।

ভূরুঙ্গামারী সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আজিজুর রহমান স্বপন বলেন, জোবায়ের অনেক মেধাবী ছাত্র। তার উচ্চ শিক্ষার জন্য সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার অনুরোধ করছি।

ঢাবিতে সুযোগ পেয়েও ভর্তি অনিশ্চিত মেধাবী শিক্ষার্থী জোবায়েরের

আপডেট সময় : ০২:২১:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪

কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী সরকারি কলেজের মেধাবী শিক্ষার্থী জোবায়ের হোসেন স্কুল জীবন থেকেই পরিবারের আর্থিক সংকট ছিল তাঁর নিত্যসঙ্গী। সব বাধা পেরিয়ে চলতি বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন তিনি। আর্থিক সংকটের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিসহ তার উচ্চশিক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

জোবায়ের হোসেন কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলার চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের নতুন হাটবাজার এলাকার দরিদ্র দর্জি শাহজালাল ও গৃহিণী কোহিনূর বেগম দম্পতির ছেলে। তিনি ২০২১ সালে চর ভূরুঙ্গামারী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ এবং ২০২৩ সালে ভূরুঙ্গামারী সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পান।

জোবায়ের বলেন, আমি চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছি। আমার ইচ্ছা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করার। কিন্তু ভর্তির টাকা জোগাড় হবে কি না জানি না। তা ছাড়া ভর্তির পর লেখাপড়ার খরচ চালিয়ে যাওয়াও সম্ভব হবে কি না তাও জানি না। এসব নিয়ে
উৎকণ্ঠায় আছি। আমার স্বপ্ন পূরণে
সবার সহযোগিতা ও দোয়া চাই।
জোবায়েরের বাবা শাহজালাল বলেন, জোবায়ের ছোটবেলা থেকেই পড়ালেখায় ভালো। আমি গরিব মানুষ, তবু স্বপ্ন দেখছি জোবায়েরকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানোর। যেটুকু জমি ছিল সেটুকুও বন্ধক রেখে ঢাকার একটি কোচিংয়ে ভর্তি করেছিলাম। কিন্তু সেখানকার খরচ মেটাতে একটি এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছিলাম। প্রায় ১০ বছর আগে আমার বড় ছেলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে চাকরিতে ঢোকার পর তার অকালমৃত্যু হয়। এখন আমার সব আশা এই ছেলেটাকে নিয়ে। এ জন্য সবার সহযোগিতা চাই।

ভূরুঙ্গামারী সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আজিজুর রহমান স্বপন বলেন, জোবায়ের অনেক মেধাবী ছাত্র। তার উচ্চ শিক্ষার জন্য সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার অনুরোধ করছি।