গ্যাস সিলিন্ডারের আগুনে দগ্ধ হয়ে বাবার পরে ছেলে গেলো কবরে
- আপডেট সময় : ০৪:২৯:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৩ ৪১৮ বার পঠিত

গাজীপুর মহানগরীর বোর্ড বাজারের মুক্তারবাড়ি এলাকায় গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকশন অফিসার মিনারুল ইসলামের (৩৫) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (১৮ আগস্ট) সকাল ১০টায় হরিনাকুন্ডু বাকচুয়া-লক্ষীপুর গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।
মিনারুল ইসলাম (৩৫) ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু থানার লক্ষ্মীপুর গ্রামের মো. ফরমান মন্ডলের (৭৫) ছেলে। তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ শিক্ষক প্রশিক্ষণ বিভাগের সেকশন অফিসার পদে কর্মরত ছিলেন।
এর আগে একই দুর্ঘটনায় গত ১৪ আগস্ট বিকেলে মিনারুলের বাবা ফরমান মন্ডল (৭৫) মারা যান। মিনারুলের মা ও খাদিজা বেগমের (৬৫) গুরুতর আহত অবস্থায় রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন।
জানা যায়, মহানগরের গাছা থানার উত্তর খাইলকুর মুক্তার বাড়ি এলাকার জমির উদ্দিন রোডে মিনারুল ইসলাম স্ত্রী-সন্তান ও মা-বাবাকে নিয়ে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
১৩ আগস্ট রাত সাড়ে ১০টার দিকে মিনারুলের মা রান্নার জন্য গ্যাসের চুলা জ্বালালে ঘরে জমে থাকা গ্যাস বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। তাতে রান্নাঘরে থাকা খাদিজা, পাশের কক্ষে থাকা মিনারুল, তার বাবা ফরমান মন্ডল গুরুতর আহত হন। মিনারুল ও ফরমান মন্ডলের শরীরের ৯০ শতাংশেরও বেশি পুড়ে যায়। বিস্ফোরণে ঘরের দরজা-জানালা ভেঙে যায়। তাদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন গিয়ে তাদের উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ আগস্ট মিনারুলের বাবা মারা যান। এর তিন দিন পর ১৭ আগস্ট সকাল ১০টায় মৃত্যু হয় মিনারুলের।
মিনারুল ইসলামের বড় ভাই দুলু মিয়া বলেন, বাবার কবরের পাশেই ছোট ভাইকে দাফন করা হয়েছে। মায়ের শরীরের ৮৫ শতাংশও পুড়ে গেছে। এখন মাকে কীভাবে বাঁচাব তা বুঝে উঠতে পারছি না।




















