ঢাকা ০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আলফাডাঙ্গায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু নাগেশ্বরীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের মৃত্যু রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ফরিদপুর‌ পৌরসভার ‌ সাবেক ১ নং ‌ প্যানেল মেয়র মনিরুল ইসলাম মনির গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ার সাংবাদিকতার উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রবীণ সাংবাদিক নুরুননবী বাবু সালথায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় পার্কিং করা যাত্রীবাহি বাসে আগুন  নাগেশ্বরীতে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির প্রতিবাদ সভা দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১জন আসামি গ্রেপ্তার খালের ইজারা বাতিল ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্তের দাবিতে দেবহাটায় মানববন্ধন নওগাঁয় ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী নি-হ-ত

কেশবপুরে দাখিল পরীক্ষার ফল বিপর্যয়ে দু মাদ্রাসার শিক্ষক -কর্মচারীদের বেতন বন্ধ হচ্ছে

আজিজুর রহমান-কেশবপুর(যশোর):
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৯:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৭১ বার পঠিত

এ বছর দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ১০ শতাংশের কম হওয়ায় যশোরের কেশবপুরে দু’টি মাদ্রাসার শিক্ষকদের বেতন বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।

ফল বিপর্যয়ের কারণে এই উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। সারাদেশে এই তালিকায় রয়েছে ২৯ টি মাদ্রাসা।

কেশবপুরের দু’টি হচ্ছে, কেশবপুর উপজেলার ত্রিমোহিনী দারুল ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা ও শ্রীফলা কালিয়ারহী দাখিল মাদ্রাসা। এই দু’টি মাদ্রাসা থেকে এ বছর দাখিল পরীক্ষায় ১০ শতাংশের কম পরীক্ষার্থী পাস করেছে।

যার‘ফল বিপর্যয়’বলে মনে করছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। অধিদপ্তর থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, এ বছর দাখিল পরীক্ষায় ত্রিমোহনী দারুল ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ৮.৩৩ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাস করে। এছাড়া, শ্রীফলা কালিয়ারহী দাখিল মাদ্রাসা থেকে পাস করে ৯.০৯ শতাংশ পরীক্ষার্থী।

এ ধরনের ফলাফলের কারণে ইতিমধ্যে এই দু’টি মাদ্রাসার সুপারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের উপপরিচালক (প্রশাসন) জাকির হোসেন স্বাক্ষরিত কারণ দর্শানো নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে,‘২০২৩ সালের দাখিল পরীক্ষায় ত্রিমোহনী দারুল ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ১২ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এদের মধ্যে পাস করে মাত্র ৮.৩৩ শতাংশ। যা বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ (২৩ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত) এর ৫.৪ অনুচ্ছেদের পরিপন্থি। আপনার প্রতিষ্ঠানের এহেন কর্মকাণ্ড মাদ্রাসা অধিদপ্তরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে।

এমতাবস্থায় দাখিল পরীক্ষায় ফলাফল বিপর্যয়ের কারণে আপনার প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক-কর্মচারীগণের এমপিও সাময়িক স্থগিত/স্থায়ীভাবে বন্ধের সিদ্ধান্ত কেন গ্রহণ করা হবে না সে মর্মে ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে মহাপরিচালক, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর বরাবর জবাব প্রদানের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।’এই পত্রের স্মারক নম্বর ৫৭.২৫.০০০০.০০২.০১০.০০১.২০-৮২৬। তারিখ ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩। একই ধরনের পত্র দেয়া হয়েছে শ্রীফলা কালিয়ারহী দাখিল মাদ্রাসার সুপারকেও।

এই মাদ্রাসা থেকে এ বছর ১১ জন পরীক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এদের মধ্যে পাস করে ৯.০৯ শতাংশ।
কারণ দর্শানো পত্রের অনুলিপি কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,জেলা শিক্ষা অফিসার ও কেশবপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে প্রদান করা হয়েছে।

ট্যাগস :

কেশবপুরে দাখিল পরীক্ষার ফল বিপর্যয়ে দু মাদ্রাসার শিক্ষক -কর্মচারীদের বেতন বন্ধ হচ্ছে

আপডেট সময় : ০৭:৪৯:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩

এ বছর দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ১০ শতাংশের কম হওয়ায় যশোরের কেশবপুরে দু’টি মাদ্রাসার শিক্ষকদের বেতন বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।

ফল বিপর্যয়ের কারণে এই উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। সারাদেশে এই তালিকায় রয়েছে ২৯ টি মাদ্রাসা।

কেশবপুরের দু’টি হচ্ছে, কেশবপুর উপজেলার ত্রিমোহিনী দারুল ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা ও শ্রীফলা কালিয়ারহী দাখিল মাদ্রাসা। এই দু’টি মাদ্রাসা থেকে এ বছর দাখিল পরীক্ষায় ১০ শতাংশের কম পরীক্ষার্থী পাস করেছে।

যার‘ফল বিপর্যয়’বলে মনে করছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। অধিদপ্তর থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, এ বছর দাখিল পরীক্ষায় ত্রিমোহনী দারুল ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ৮.৩৩ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাস করে। এছাড়া, শ্রীফলা কালিয়ারহী দাখিল মাদ্রাসা থেকে পাস করে ৯.০৯ শতাংশ পরীক্ষার্থী।

এ ধরনের ফলাফলের কারণে ইতিমধ্যে এই দু’টি মাদ্রাসার সুপারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের উপপরিচালক (প্রশাসন) জাকির হোসেন স্বাক্ষরিত কারণ দর্শানো নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে,‘২০২৩ সালের দাখিল পরীক্ষায় ত্রিমোহনী দারুল ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ১২ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এদের মধ্যে পাস করে মাত্র ৮.৩৩ শতাংশ। যা বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ (২৩ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত) এর ৫.৪ অনুচ্ছেদের পরিপন্থি। আপনার প্রতিষ্ঠানের এহেন কর্মকাণ্ড মাদ্রাসা অধিদপ্তরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে।

এমতাবস্থায় দাখিল পরীক্ষায় ফলাফল বিপর্যয়ের কারণে আপনার প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক-কর্মচারীগণের এমপিও সাময়িক স্থগিত/স্থায়ীভাবে বন্ধের সিদ্ধান্ত কেন গ্রহণ করা হবে না সে মর্মে ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে মহাপরিচালক, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর বরাবর জবাব প্রদানের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।’এই পত্রের স্মারক নম্বর ৫৭.২৫.০০০০.০০২.০১০.০০১.২০-৮২৬। তারিখ ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩। একই ধরনের পত্র দেয়া হয়েছে শ্রীফলা কালিয়ারহী দাখিল মাদ্রাসার সুপারকেও।

এই মাদ্রাসা থেকে এ বছর ১১ জন পরীক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এদের মধ্যে পাস করে ৯.০৯ শতাংশ।
কারণ দর্শানো পত্রের অনুলিপি কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,জেলা শিক্ষা অফিসার ও কেশবপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে প্রদান করা হয়েছে।