কেশবপুরে অধিক লাভের আশায় পেঁয়াজের চাষে ঝুকছে কৃষকরা
- আপডেট সময় : ০৩:২১:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৩ ২১৬ বার পঠিত

কেশবপুরে অধিক লাভের আশায় পেঁয়াজের চাষে ঝুকে পড়েছে কৃষকরা।বাজারে পেঁয়াজের দাম বেশি থাকায় ও ভালো ফলন পাওয়ার জন্য কৃষকরা পুরাদমে পেঁয়াজের চারা রোপণসহ ক্ষেতে পরিচার্যা কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।ইতিমধ্যে কিছু কৃষকরা ক্ষেত পেঁয়াজ তুলে বাজারে ৭০/৮০ টাকা দরে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিত্রুি করছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে এবার কেশবপুর উপজেলায় ৩৭ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছেন কৃষকরা। সরকারের দেওয়া পেঁয়াজের বীজ ও সার কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হয়।চলতি মাসে গত কয়েকদিন আগে হঠাৎ বৃষ্টির ফলে কিছু কৃষকের পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে গেছে।আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে পেঁয়াজের বাম্পার ফলন ভালো হবে বলে ধারণা করেছেন এসব কৃষকরা।
মঙ্গলবার ১৯ ডিসেম্বর দুপুরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে কৃষকরা ক্ষেতে পেঁয়াজ রোপণের কাজ করছেন।উপজেলার ১নং ত্রিমোহিনী ইউনিয়ন,২নং সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন,৩নং মজিদপুর ইউনিয়ন,৪নং বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়ন,৫নং মঙ্গলকোট ইউনিয়ন,৬নং সদর ইউনিয়ন,৭নং পাঁজিয়া ইউনিয়ন,৮নং সুফলাকাটি ইউনিয়ন,৯নং গৌরিঘোনা ইউনিয়ন,১০নং সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন, ১১নং হাসানপুর ইউনিয়নে পেঁয়াজ চাষ করেছে কৃষকরা।
পৌর ৮নং ওয়ার্ডের ব্রক্ষকাটি আব্দুল লতিফ গাজী, মোস্তফা গাজী,জিয়াউর রহমান গাজী,কাকলিয়াখালী গ্রামের মিলন কুমার দাস,প্রতাপপুর গ্রামের আব্দুল কুদ্দুস,সাতবাড়িয়া গ্রামের রতন কুমার দত্ত,কেশবপুরর সীমান্তবর্তী
আটঘরা দক্ষিণ মাঠ গ্রামের রবিউল ইসলাম,সেলিম মোড়ল,শামসুর মোড়ল, নিজাম শেখ, মশিয়ার সানা,
লুৎফর সানা,আমছার মোড়ল এ প্রতিনিধি কে জানান, এ মাঠে ১৫০ বিঘা জমিতে পিয়াজ চারা রোপণ করা হয়েছে।
আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে প্রতি বিঘায় ৬০ মন পিঁয়াজ উৎপাদন করা সম্ভব আর যদি আবহাওয়া ভালো না থাকে বিঘাপ্রতি ২৫ থেকে ৩০ মন পিয়াজ উৎপাদন হবে।গত বছর পেঁয়াজ ভালো উৎপাদন হয়নি তারপরও বিঘায় ৩০ থেকে ৩৫ মন উৎপাদন হয়েছিল দামের দিক বিবেচনা করে প্রতি মন এক হাজার থেকে ১২ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।
এবছর পেঁয়াজের দাম যেহেতু বেশি সেহেতু পিয়াজ চাষীরা দাম বেশি পাবে বলে আশা করেছেন।জমি ভালো করে শুকিয়ে ৪ বার চাষ দিয়ে তারপর পেঁয়াজ রোপণ করতে হয়। মাঠে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত প্রতি জন শ্রম ব্যক্তিকে ৩ শত টাকায় কাজ করছে।
মাটি টান টান না হলে পেঁয়াজের ফলন ভাল হয় না। এই সকল চারা পেঁয়াজ থেকে আগামী ফাল্গুন মাসের শেষে এবং চৈত্র মাসের প্রথম দিকে পেঁয়াজ তুলা হবে।
এব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার মামুদা আক্তার বলেন,এবার কেশবপুর উপজেলায় ৩৭ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছেন কৃষকরা।আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে পেঁয়াজের ফলন ভালো হবে বলে তিনি জানান।




















