ঢাকা ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আলফাডাঙ্গায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু নাগেশ্বরীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের মৃত্যু রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ফরিদপুর‌ পৌরসভার ‌ সাবেক ১ নং ‌ প্যানেল মেয়র মনিরুল ইসলাম মনির গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ার সাংবাদিকতার উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রবীণ সাংবাদিক নুরুননবী বাবু সালথায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় পার্কিং করা যাত্রীবাহি বাসে আগুন  নাগেশ্বরীতে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির প্রতিবাদ সভা দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১জন আসামি গ্রেপ্তার খালের ইজারা বাতিল ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্তের দাবিতে দেবহাটায় মানববন্ধন নওগাঁয় ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী নি-হ-ত

কুড়িগ্রামে ৭ শিক্ষার্থীর ভর্তি জালিয়াতির ঘটনায় তদন্ত শুরু

আল মাসুদ সরকার-কুড়িগ্রাম সদর:
  • আপডেট সময় : ১২:২৪:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩ ২৬৪ বার পঠিত

কুড়িগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৪ সালে ষষ্ঠ শ্রেণিতে প্রভাতী ও দিবা শিফটে ক ও খ শাখা মিলে মোট ২২০জন, ৮ম শ্রেণিতে ২০জন এবং ৯ম শ্রেণিতে ২০জন শিক্ষার্থী ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

সে অনুযায়ী কেন্দ্রীয় লটারির মাধ্যমে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। গত ৩ ডিসেম্বর শিক্ষার্থী ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হয় । ভর্তি কার্যক্রমের প্রথম দিনেই প্রধান শিক্ষক তাড়াহুড়ো করে ৭ শিক্ষার্থীকে ভর্তির নির্দেশ দেন ভর্তি কমিটিকে। এদের কেউই ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করেননি।
তিনি আরো যোগ করেন, যেহেতু এ ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে এবং তদন্ত শুরু হয়েছে তাই নতুন করে রোববার ভর্তির অপেক্ষমান তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন করে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ২৫জন, ৮ম শ্রেণিতে ৩জন এবং ৯ম শ্রেণিতে একজন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পাবে।

কিন্তু বিতর্কিত এবং জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তিকৃত ৭ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলও করা হয়নি। এমতাবস্থায় ওই ৭ শিক্ষার্থীর ভাগ্যে কি ঘটবে তা কেউ নিশ্চিত না। কারণ এসব শিক্ষার্থী প্রকাশিত লটারীর ফলাফলে নাই, তারা কোনও কোটাতেও স্থান পায়নি।
সিনিয়র শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘ভর্তি হওয়া চার শিক্ষার্থী কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের চার শিক্ষকের সন্তান। তারা শুধুমাত্র প্রধান শিক্ষক বরাবর ভর্তির আবেদন করে ভর্তির সুযোগ নেয়। লিখিত আবেদনে তারা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কোটার (এমই) কথা উল্লেখ করলেও সে কোটাতেও তাদের সন্তানরা স্থান পায়নি। ঐ কোটা ইতোমধ্যে ফিলাপ হয়েছে। সহদর কোটায় দুজন এবং জমোজ কোটায় একজন ভর্তির আবেদন করে প্রধান শিক্ষকের কাছে। অনলাইনে তাদের কোন আবেদন নেই।
একজন অভিভাবক বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের কঠোর নির্দেশনার পরও এভাবে শিক্ষার্থী ভর্তি সম্পূর্ণ বেআইনি। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে প্রধান শিক্ষক অবসরে যাবেন। ধারণা করছি, অবসরের আগে এভাবে শিক্ষার্থী ভর্তি করে তিনি মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।’

জেলা শিক্ষা অফিসার শামছুল আলম বলেন, ‘প্রকাশিত ফলাফলের বাইরে শিক্ষার্থী ভর্তির কোনও সুযোগ নেই। সরকারি কলেজের শিক্ষকের সন্তান হলেও তাদেরকে অনলাইনে আবেদন করে লটারিতে অংশ নিয়ে টিকতে হবে। এমনকি কোটাভুক্ত হলেও লটারিতে টিকতে হবে। এর বাইরে শিক্ষার্থী ভর্তি কোনও বৈধ চর্চা হতে পারে না। এভাবে শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালা পরিপন্থি।’
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক জিয়াসমিন আরা হক বলেন, ‘প্রকাশিত লটারির ফলাফলের বাইরে শিক্ষার্থী ভর্তির কোনও সুযোগ নেই। যেটা হয়েছে তা বিধি সম্মত হয়নি বুঝতে পেরে ওই ৭ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল করা হয়েছে। শুন্য আসনে ভর্তির জন্য অপেক্ষমান তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এটা অনিচ্ছাকৃত ভুল, কোন প্রকার অনৈতিক লেনদেন ছিল না বলে তিনি জানান।

কুড়িগ্রামে ৭ শিক্ষার্থীর ভর্তি জালিয়াতির ঘটনায় তদন্ত শুরু

আপডেট সময় : ১২:২৪:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩

কুড়িগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৪ সালে ষষ্ঠ শ্রেণিতে প্রভাতী ও দিবা শিফটে ক ও খ শাখা মিলে মোট ২২০জন, ৮ম শ্রেণিতে ২০জন এবং ৯ম শ্রেণিতে ২০জন শিক্ষার্থী ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

সে অনুযায়ী কেন্দ্রীয় লটারির মাধ্যমে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। গত ৩ ডিসেম্বর শিক্ষার্থী ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হয় । ভর্তি কার্যক্রমের প্রথম দিনেই প্রধান শিক্ষক তাড়াহুড়ো করে ৭ শিক্ষার্থীকে ভর্তির নির্দেশ দেন ভর্তি কমিটিকে। এদের কেউই ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করেননি।
তিনি আরো যোগ করেন, যেহেতু এ ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে এবং তদন্ত শুরু হয়েছে তাই নতুন করে রোববার ভর্তির অপেক্ষমান তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন করে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ২৫জন, ৮ম শ্রেণিতে ৩জন এবং ৯ম শ্রেণিতে একজন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পাবে।

কিন্তু বিতর্কিত এবং জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তিকৃত ৭ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলও করা হয়নি। এমতাবস্থায় ওই ৭ শিক্ষার্থীর ভাগ্যে কি ঘটবে তা কেউ নিশ্চিত না। কারণ এসব শিক্ষার্থী প্রকাশিত লটারীর ফলাফলে নাই, তারা কোনও কোটাতেও স্থান পায়নি।
সিনিয়র শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘ভর্তি হওয়া চার শিক্ষার্থী কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের চার শিক্ষকের সন্তান। তারা শুধুমাত্র প্রধান শিক্ষক বরাবর ভর্তির আবেদন করে ভর্তির সুযোগ নেয়। লিখিত আবেদনে তারা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কোটার (এমই) কথা উল্লেখ করলেও সে কোটাতেও তাদের সন্তানরা স্থান পায়নি। ঐ কোটা ইতোমধ্যে ফিলাপ হয়েছে। সহদর কোটায় দুজন এবং জমোজ কোটায় একজন ভর্তির আবেদন করে প্রধান শিক্ষকের কাছে। অনলাইনে তাদের কোন আবেদন নেই।
একজন অভিভাবক বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের কঠোর নির্দেশনার পরও এভাবে শিক্ষার্থী ভর্তি সম্পূর্ণ বেআইনি। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে প্রধান শিক্ষক অবসরে যাবেন। ধারণা করছি, অবসরের আগে এভাবে শিক্ষার্থী ভর্তি করে তিনি মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।’

জেলা শিক্ষা অফিসার শামছুল আলম বলেন, ‘প্রকাশিত ফলাফলের বাইরে শিক্ষার্থী ভর্তির কোনও সুযোগ নেই। সরকারি কলেজের শিক্ষকের সন্তান হলেও তাদেরকে অনলাইনে আবেদন করে লটারিতে অংশ নিয়ে টিকতে হবে। এমনকি কোটাভুক্ত হলেও লটারিতে টিকতে হবে। এর বাইরে শিক্ষার্থী ভর্তি কোনও বৈধ চর্চা হতে পারে না। এভাবে শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালা পরিপন্থি।’
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক জিয়াসমিন আরা হক বলেন, ‘প্রকাশিত লটারির ফলাফলের বাইরে শিক্ষার্থী ভর্তির কোনও সুযোগ নেই। যেটা হয়েছে তা বিধি সম্মত হয়নি বুঝতে পেরে ওই ৭ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল করা হয়েছে। শুন্য আসনে ভর্তির জন্য অপেক্ষমান তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এটা অনিচ্ছাকৃত ভুল, কোন প্রকার অনৈতিক লেনদেন ছিল না বলে তিনি জানান।