ঢাকা ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আলফাডাঙ্গায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু নাগেশ্বরীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের মৃত্যু রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ফরিদপুর‌ পৌরসভার ‌ সাবেক ১ নং ‌ প্যানেল মেয়র মনিরুল ইসলাম মনির গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ার সাংবাদিকতার উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রবীণ সাংবাদিক নুরুননবী বাবু সালথায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় পার্কিং করা যাত্রীবাহি বাসে আগুন  নাগেশ্বরীতে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির প্রতিবাদ সভা দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১জন আসামি গ্রেপ্তার খালের ইজারা বাতিল ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্তের দাবিতে দেবহাটায় মানববন্ধন নওগাঁয় ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী নি-হ-ত

কয়রায় স্লুইসগেটের ফাটল: পানিবন্দি হওয়ার শঙ্কায় ৩০টি গ্রামের মানুষ

মোস্তাফিজুর রহমান- কয়রা  (খুলনা):
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৪:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫ ২৭৪ বার পঠিত

খুলনার কয়রা সদর ইউনিয়নের কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশন  সুতি বাজার সংলগ্ন বেড়িবাঁধের স্লুইসগেটের পাশে ভয়াবহ ধস দেখা দিয়েছে।

শাকবাড়িয়া খালের পাশে নির্মিত এই স্লুইসগেটের নতুন দেয়া সেখানের  মাটি সরে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের  চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য জোয়ারে বড় অংশ প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে, এবং এখানে প্লাবিত হলে করা সদর ইউনিয়ন এবং মহারাজপুর ইউনিয়নের  একাংশ প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে । 

সোমবার (১৬ জুন) নাদীতে  ভাটার টানে এই ধসের ঘটনা ঘটে। কয়রা উপজেলার সদর ইউনিয়ন এবার মহারাজপুর ইউনিয়নের পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে শাকবাড়িয়া খালের ওপর নির্মিত স্লুইসগেটটি।

দীর্ঘদিন ধরে স্লুইসগেটের দুপাশের মাটি সরে যাওয়ায় প্রায় প্রতি বর্ষায় ফাটল ও ধসের ঘটনা ঘটে । এই মাটির ধসের কারণে সদর ইউনিয়ন এবং মহারাজপুর ইউনিয়নের হাজার হাজার বিঘা কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে যানা যায়,নির্মাণের পর থেকে স্লুইসগেটের পাশে যথাযথ মেরামত ও সংস্কারের কাজ হয়নি। ফলে নিচের অংশ ফাঁকা হয়ে ধসের ঘটনা ঘটেছে। ধসের ফলে কয়রা সদর ইউনিয়ন, মহারাজপুর, বাগালী ইউনিয়নের  অন্তত ২৫/৩০ টি গ্রাম প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

মহারাজপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবু সাইদ মোল্লা বলেন, প্রতিবছর আমরা স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে নিয়ে ছোটখাটো সমস্যা মেরামত করি কিন্তু এ বছর ফাটলের অবস্থা ভয়াবহ। “স্লুইসগেটের পাশে ফাটল দ্রুত মেরামত করা না হলে বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হবে। পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে মহারাজপুর ও পার্শ্ববর্তী কয়রার হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়বে। 

কয়রা সদর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এস এম লুৎফার রহমান জানান, “স্লুইসগেট নির্মাণের পর থেকে বর্ষা মৌসুম আসলে আমাদের এই সমস্যা প্রতিবারই হয়। আমাদের অবহেলা ও যথাযথ মেরামত না করার কারণে ধস হচ্ছে। দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া না হলে জলাবদ্ধতা ও কৃষি ক্ষতি বেড়ে যাবে।আমি সংশ্লিষ্ট পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বলে  মেরামতের জন্য  বলবো। 

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী মো.আশরাফুল আলম বলেন, “অতি বৃষ্টির কারণে মাঝে মাঝে মাটি সরে যায়। বিষয়টি আমরা জানি এবং জরুরি ভিত্তিতে ধসে যাওয়া স্থান মেরামত করা হবে।

ট্যাগস :

কয়রায় স্লুইসগেটের ফাটল: পানিবন্দি হওয়ার শঙ্কায় ৩০টি গ্রামের মানুষ

আপডেট সময় : ০৮:৪৪:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫

খুলনার কয়রা সদর ইউনিয়নের কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশন  সুতি বাজার সংলগ্ন বেড়িবাঁধের স্লুইসগেটের পাশে ভয়াবহ ধস দেখা দিয়েছে।

শাকবাড়িয়া খালের পাশে নির্মিত এই স্লুইসগেটের নতুন দেয়া সেখানের  মাটি সরে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের  চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য জোয়ারে বড় অংশ প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে, এবং এখানে প্লাবিত হলে করা সদর ইউনিয়ন এবং মহারাজপুর ইউনিয়নের  একাংশ প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে । 

সোমবার (১৬ জুন) নাদীতে  ভাটার টানে এই ধসের ঘটনা ঘটে। কয়রা উপজেলার সদর ইউনিয়ন এবার মহারাজপুর ইউনিয়নের পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে শাকবাড়িয়া খালের ওপর নির্মিত স্লুইসগেটটি।

দীর্ঘদিন ধরে স্লুইসগেটের দুপাশের মাটি সরে যাওয়ায় প্রায় প্রতি বর্ষায় ফাটল ও ধসের ঘটনা ঘটে । এই মাটির ধসের কারণে সদর ইউনিয়ন এবং মহারাজপুর ইউনিয়নের হাজার হাজার বিঘা কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে যানা যায়,নির্মাণের পর থেকে স্লুইসগেটের পাশে যথাযথ মেরামত ও সংস্কারের কাজ হয়নি। ফলে নিচের অংশ ফাঁকা হয়ে ধসের ঘটনা ঘটেছে। ধসের ফলে কয়রা সদর ইউনিয়ন, মহারাজপুর, বাগালী ইউনিয়নের  অন্তত ২৫/৩০ টি গ্রাম প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

মহারাজপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবু সাইদ মোল্লা বলেন, প্রতিবছর আমরা স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে নিয়ে ছোটখাটো সমস্যা মেরামত করি কিন্তু এ বছর ফাটলের অবস্থা ভয়াবহ। “স্লুইসগেটের পাশে ফাটল দ্রুত মেরামত করা না হলে বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হবে। পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে মহারাজপুর ও পার্শ্ববর্তী কয়রার হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়বে। 

কয়রা সদর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এস এম লুৎফার রহমান জানান, “স্লুইসগেট নির্মাণের পর থেকে বর্ষা মৌসুম আসলে আমাদের এই সমস্যা প্রতিবারই হয়। আমাদের অবহেলা ও যথাযথ মেরামত না করার কারণে ধস হচ্ছে। দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া না হলে জলাবদ্ধতা ও কৃষি ক্ষতি বেড়ে যাবে।আমি সংশ্লিষ্ট পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বলে  মেরামতের জন্য  বলবো। 

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী মো.আশরাফুল আলম বলেন, “অতি বৃষ্টির কারণে মাঝে মাঝে মাটি সরে যায়। বিষয়টি আমরা জানি এবং জরুরি ভিত্তিতে ধসে যাওয়া স্থান মেরামত করা হবে।