অসহায় মুখে হাসি ফোটানোই যার সাধনা — মানবতার ফেরিওয়ালা মোঃ মিজানুর রহমান
- আপডেট সময় : ০১:০৯:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫ ১৬০ বার পঠিত

পৃথিবী জুড়ে যখন হানাহানি, যুদ্ধ আর স্বার্থপরতার রাজত্ব, তখন কিছু মানুষ নিঃস্বার্থভাবে দাঁড়িয়ে থাকেন মানবতার পাশে। যখন কেউ ক্ষুধায় কাতর হয়ে মৃত্যুর প্রহর গুনছে, আর কেউ বিলাসবহুল গাড়িতে জীবন উপভোগ করছে,তখন সমাজের প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের ডাকরা গ্রামের সন্তান মোঃ মিজানুর রহমান।
সাদাসিধে চেহারা,সাদামাটা পোশাক আর একটুকরো সোনার মতো মন নিয়ে তিনি দিনের পর দিন কাজ করে যাচ্ছেন অসহায় মানুষের জন্য। মুখে সবসময় প্রাণবন্ত হাসি, আচরণে মায়া ও আন্তরিকতা—এই মানুষটিই হয়ে উঠেছেন এলাকার সবার প্রিয়। তিনি শুধু একজন সমাজসেবকই নন, বরং একজন মানবতার সৈনিক, যিনি নিঃস্বার্থভাবে মানুষের কল্যাণে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন।
মোঃ মিজানুর রহমানের জীবনের বড় অংশ জুড়ে রয়েছে সমাজসেবা। দিন শুরু হয় তার মানুষের জন্য কাজ করার পরিকল্পনা দিয়ে,শেষ হয় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর পর। করোনা ও ২৪’শের বন্যার সময় যখন মানুষ আতঙ্কে ঘরবন্দি, তখনও তিনি নেমে পড়েছিলেন অসহায়দের পাশে। খাদ্য সামগ্রী বিতরণ থেকে শুরু করে দরিদ্রদের ঘর নির্মাণ পর্যন্ত—সবখানেই ছিল তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি।
তিনি বলেন,“ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা। ইসলামের শিক্ষা আমাদের শেখায়, মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সবচেয়ে বড় ইবাদত।”তাই মসজিদ-মাদ্রাসা, মন্দির, ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিংবা জনসেবামূলক কাজ—সবকিছুতেই তিনি নিজের অর্থ দিয়ে অবদান রেখে চলেছেন।
এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, মোঃ মিজানুর রহমান এমন একজন মানুষ,যিনি রাস্তাঘাটে কোনো অসহায় বা অসুস্থ মানুষ দেখলে নিজের হাতে বাজার সদাই করে দেন। এমনকি নিজের আয়ের বড় একটি অংশ ব্যয় করেন দরিদ্র মানুষের সেবায়।
তার স্বপ্ন,একটি সুন্দর সমাজ গঠন যেখানে কেউ ক্ষুধার্ত থাকবে না, কেউ অবহেলিত থাকবে না। তিনি বিশ্বাস করেন, মানবতা এমন এক শক্তি যা সমাজকে বদলে দিতে পারে। আর এই বিশ্বাসেই তিনি কাজ করে যাচ্ছেন নিরলসভাবে, নির্ভেজাল আন্তরিকতা নিয়ে।
এই মানবিক মানুষটি সমাজের প্রতিটি স্তরে হয়ে উঠেছেন অনুসরণযোগ্য এক অনুপ্রেরণা। মোঃ মিজানুর রহমানের মতো মানুষরা প্রমাণ করেন,এখনো পৃথিবীতে মানবতা বেঁচে আছে—যেখানে ভালোবাসা, সহানুভূতি আর সাহায্যের হাতই গড়ে তুলতে পারে একটি মানবিক বাংলাদেশ।




















