ঢাকা ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আলফাডাঙ্গায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু নাগেশ্বরীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের মৃত্যু রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ফরিদপুর‌ পৌরসভার ‌ সাবেক ১ নং ‌ প্যানেল মেয়র মনিরুল ইসলাম মনির গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ার সাংবাদিকতার উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রবীণ সাংবাদিক নুরুননবী বাবু সালথায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় পার্কিং করা যাত্রীবাহি বাসে আগুন  নাগেশ্বরীতে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির প্রতিবাদ সভা দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১জন আসামি গ্রেপ্তার খালের ইজারা বাতিল ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্তের দাবিতে দেবহাটায় মানববন্ধন নওগাঁয় ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী নি-হ-ত

খুলনায় কয়রা উপজেলা আ’লীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

মোঃ ফসিয়ার রহমান- পাইকগাছা (খুলনা):
  • আপডেট সময় : ০১:৪২:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৩ ১৯৪ বার পঠিত

খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সুজিত অধিকারী বলেন ‘৭৫ এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা নিছক একটি হত্যাকান্ড নয়, ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে হত্যা করেছিলো। তিনি আরো বলেন, ‘৭১ এর অপশক্তি পরাজয়ের গ্লানি ভুলতে না পেরে প্রতিশোধ নিতে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে। এটা শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা নয়, এটা বিশ্ব মানবতাকে হত্যা করা হয়েছিলো। এ হত্যাকান্ডের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতিকে গোলামের জাতিতে পরিণত করার ষড়যন্ত্র হয়েছিলো। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা মানে গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা, মানুষের অধিকারকে হত্যা করা।

সে কারণেই সেদিন মানুষ প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে পারেনি। সেদিন বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে সংবিধানকে অকার্যকর করা হয়েছিলো।

তিনি আরো বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা নিজের জীবন বিপন্ন করে দেশে ফিরে বাংলার মানুষের অধিকার ফিরিয়ে আনার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। তাকে ২১ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে।
পরিবারের সবাইকে হারিয়েও তিনি ১৮ কোটি মানুষকে পরিবারের সদস্য মনে করে দেশের উন্নয়ন করে যাচ্ছে। এই উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে আগামী নির্বাচনে পুনরায় জননেত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করতে হবে। সেজন্য সকলকে দ্বিধাদ্বন্দ্ব ভুলে গিয়ে ঐক্যবদ্ধ ভাবে রাজপথে নেমে বিএনপির অগ্নিসন্ত্রাসকে মোকাবেলা করতে হবে।

শনিবার বিকাল ৪টায় কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে গিলাবাড়ি বাজার প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ ইব্রাহীম সানা।

আলোচনা সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা -৬ আসনের সাবেক মাননীয় সংসদ সদস্য ও খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট সোহরাব আলী সানা।

বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন খুলনা -৬ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আক্তারুজ্জামান বাবু, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার প্রেম কুমার মন্ডল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শেখ রকিবুল ইসলাম লাবু, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোল্লা মোজাফফর হোসেন, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃখায়রুল আলম, কোষাধ্যক্ষ ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল আলম, খুলনা জেলা আ’লীগের সদস্য সাবেক এমপি মরহুম আলহাজ্ব শেখ নুরুল হকের পুত্র শেখ মনিরুল ইসলাম,কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জি, এম, মোহসিন রেজা, সাধারণ সম্পাদক নিশিত রঞ্জন মিস্ত্রি, জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মানিকুজ্জামান অশোক, কয়রা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এস,এম শফিকুল ইসলাম।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অবনিশ সরদারের পরিচালনায় সভায় বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন লাভলু, মহেশ্বরীপুর ইউ,পি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শাহনেওয়াজ শিকারী, বাগালি ইউ.পি চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, উত্তর বেদকাশি ইউ.পি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম কোম্পানি, আমাদী ইউ.পি চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল, মোস্তাফিজুর রহমান, জি.এম ইকরামুল ইসলাম, জাফরুল ইসলাম পাড়, জয়দ্রুত বাছাড়,মহাশিষ সরদার,আব্দুল মান্নান,সাইফুল ইসলাম সাঈফ, তাপস অধিকারী সহ জেলা ও উপজেলা আ’লীগ এবং অন্যান্য সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

খুলনায় কয়রা উপজেলা আ’লীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

আপডেট সময় : ০১:৪২:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৩

খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সুজিত অধিকারী বলেন ‘৭৫ এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা নিছক একটি হত্যাকান্ড নয়, ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে হত্যা করেছিলো। তিনি আরো বলেন, ‘৭১ এর অপশক্তি পরাজয়ের গ্লানি ভুলতে না পেরে প্রতিশোধ নিতে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে। এটা শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা নয়, এটা বিশ্ব মানবতাকে হত্যা করা হয়েছিলো। এ হত্যাকান্ডের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতিকে গোলামের জাতিতে পরিণত করার ষড়যন্ত্র হয়েছিলো। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা মানে গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা, মানুষের অধিকারকে হত্যা করা।

সে কারণেই সেদিন মানুষ প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে পারেনি। সেদিন বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে সংবিধানকে অকার্যকর করা হয়েছিলো।

তিনি আরো বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা নিজের জীবন বিপন্ন করে দেশে ফিরে বাংলার মানুষের অধিকার ফিরিয়ে আনার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। তাকে ২১ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে।
পরিবারের সবাইকে হারিয়েও তিনি ১৮ কোটি মানুষকে পরিবারের সদস্য মনে করে দেশের উন্নয়ন করে যাচ্ছে। এই উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে আগামী নির্বাচনে পুনরায় জননেত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করতে হবে। সেজন্য সকলকে দ্বিধাদ্বন্দ্ব ভুলে গিয়ে ঐক্যবদ্ধ ভাবে রাজপথে নেমে বিএনপির অগ্নিসন্ত্রাসকে মোকাবেলা করতে হবে।

শনিবার বিকাল ৪টায় কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে গিলাবাড়ি বাজার প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ ইব্রাহীম সানা।

আলোচনা সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা -৬ আসনের সাবেক মাননীয় সংসদ সদস্য ও খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট সোহরাব আলী সানা।

বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন খুলনা -৬ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আক্তারুজ্জামান বাবু, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার প্রেম কুমার মন্ডল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শেখ রকিবুল ইসলাম লাবু, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোল্লা মোজাফফর হোসেন, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃখায়রুল আলম, কোষাধ্যক্ষ ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল আলম, খুলনা জেলা আ’লীগের সদস্য সাবেক এমপি মরহুম আলহাজ্ব শেখ নুরুল হকের পুত্র শেখ মনিরুল ইসলাম,কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জি, এম, মোহসিন রেজা, সাধারণ সম্পাদক নিশিত রঞ্জন মিস্ত্রি, জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মানিকুজ্জামান অশোক, কয়রা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এস,এম শফিকুল ইসলাম।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অবনিশ সরদারের পরিচালনায় সভায় বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন লাভলু, মহেশ্বরীপুর ইউ,পি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শাহনেওয়াজ শিকারী, বাগালি ইউ.পি চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, উত্তর বেদকাশি ইউ.পি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম কোম্পানি, আমাদী ইউ.পি চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল, মোস্তাফিজুর রহমান, জি.এম ইকরামুল ইসলাম, জাফরুল ইসলাম পাড়, জয়দ্রুত বাছাড়,মহাশিষ সরদার,আব্দুল মান্নান,সাইফুল ইসলাম সাঈফ, তাপস অধিকারী সহ জেলা ও উপজেলা আ’লীগ এবং অন্যান্য সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।