ঢাকা ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আলফাডাঙ্গায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু নাগেশ্বরীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের মৃত্যু রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ফরিদপুর‌ পৌরসভার ‌ সাবেক ১ নং ‌ প্যানেল মেয়র মনিরুল ইসলাম মনির গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ার সাংবাদিকতার উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রবীণ সাংবাদিক নুরুননবী বাবু সালথায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় পার্কিং করা যাত্রীবাহি বাসে আগুন  নাগেশ্বরীতে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির প্রতিবাদ সভা দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১জন আসামি গ্রেপ্তার খালের ইজারা বাতিল ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্তের দাবিতে দেবহাটায় মানববন্ধন নওগাঁয় ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী নি-হ-ত

দৌলতপুরে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য গ্রেপ্তার

মো.হারুন অর রশীদ,দৌলতপুর (কুষ্টিয়া):
  • আপডেট সময় : ০১:২৬:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬ ২১ বার পঠিত

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে অভিযান চালিয়ে কামরুল ইসলাম (৫৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তি একটি আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। তার বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া, মেহেরপুর ও পাবনা জেলার বিভিন্ন থানায় চুরি, অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।

গ্রেপ্তার কামরুল ইসলাম দৌলতপুর উপজেলার মাদাপুর মিস্ত্রিপাড়া এলাকার রূপচাঁদ বিশ্বাসের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন থানায় দায়ের করা মামলায় কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান পরিচালনা করে দৌলতপুর থানা পুলিশ।
গত ২৮ আগস্ট দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. খালেদুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়। এতে এসআই মহসীন চৌধুরী, এসআই মিলন হোসেনসহ পুলিশের অন্যান্য সদস্যরা অংশ নেন। পরে পরোয়ানামূলে কামরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের দাবি, কামরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে আন্তঃজেলা অপরাধী চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত। কুষ্টিয়ার পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী মেহেরপুর ও পাবনা জেলার বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। এসব মামলার মধ্যে চুরি, অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা মামলাও রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারের পর কামরুল ইসলামকে দৌলতপুর থানায় নেওয়া হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে গতকাল শুক্রবার তাকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
দৌলতপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অপরাধী চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তবে কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর অভিযোগ আদালতে বিচারাধীন। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আইন অনুযায়ী তিনি নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।

দৌলতপুরে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০১:২৬:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে অভিযান চালিয়ে কামরুল ইসলাম (৫৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তি একটি আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। তার বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া, মেহেরপুর ও পাবনা জেলার বিভিন্ন থানায় চুরি, অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।

গ্রেপ্তার কামরুল ইসলাম দৌলতপুর উপজেলার মাদাপুর মিস্ত্রিপাড়া এলাকার রূপচাঁদ বিশ্বাসের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন থানায় দায়ের করা মামলায় কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান পরিচালনা করে দৌলতপুর থানা পুলিশ।
গত ২৮ আগস্ট দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. খালেদুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়। এতে এসআই মহসীন চৌধুরী, এসআই মিলন হোসেনসহ পুলিশের অন্যান্য সদস্যরা অংশ নেন। পরে পরোয়ানামূলে কামরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের দাবি, কামরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে আন্তঃজেলা অপরাধী চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত। কুষ্টিয়ার পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী মেহেরপুর ও পাবনা জেলার বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। এসব মামলার মধ্যে চুরি, অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা মামলাও রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারের পর কামরুল ইসলামকে দৌলতপুর থানায় নেওয়া হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে গতকাল শুক্রবার তাকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
দৌলতপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অপরাধী চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তবে কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর অভিযোগ আদালতে বিচারাধীন। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আইন অনুযায়ী তিনি নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।