ঢাকা ০৫:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আলফাডাঙ্গায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু নাগেশ্বরীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের মৃত্যু রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ফরিদপুর‌ পৌরসভার ‌ সাবেক ১ নং ‌ প্যানেল মেয়র মনিরুল ইসলাম মনির গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ার সাংবাদিকতার উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রবীণ সাংবাদিক নুরুননবী বাবু সালথায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় পার্কিং করা যাত্রীবাহি বাসে আগুন  নাগেশ্বরীতে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির প্রতিবাদ সভা দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১জন আসামি গ্রেপ্তার খালের ইজারা বাতিল ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্তের দাবিতে দেবহাটায় মানববন্ধন নওগাঁয় ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী নি-হ-ত

গাইবান্ধায় ফুটপাতের ফল ব্যবসায়ীদের বাঁচার আকতি উচ্ছেদের আগে পূর্নবাসন

মোঃ আবু জাফর মন্ডল,গাইবান্ধা:
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৯:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬ ৫৫ বার পঠিত

Oplus_131072

গাইবান্ধায় ফুটপাতের ফল ব্যবসায়ীদের বাঁচার আকতি
উচ্ছেদের আগে পুনর্বাসন চাই এর ধারাবাহিকতায় প্রকাশ থাকে যে, গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌরসভা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় শহরের বিভিন্ন সড়ক, ড্রেন, ফুটপাত, সরকারি জায়গা ও জনসাধারণের চলাচলের পথে গড়ে ওঠা দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদের উদ্যোগ গ্রহন করেছে । তাদের নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব স্থাপনা সরিয়ে না নিলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তবে এই উচ্ছেদ অভিযানের খবরে বিপাকে পড়েছেন পলাশবাড়ী সাব-রেজিস্ট্রার অফিস থেকে ডাকবাংলো সীমানা প্রাচীরসংলগ্ন ফুটপাতে বসা মৌসুমি ফল ব্যবসায়ীরা। দীর্ঘদিন ধরে এখানে ব্যবসা করে আসা স্বল্প আয়ের এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাদের একমাত্র আয়ের উৎস হারানোর আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
ব্যবসায়ীরা জানান, ফুটপাতে ফল বিক্রির আয় দিয়েই তাদের পরিবার চলে। অনেকেই এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে এই ব্যবসা পরিচালনা করছেন, যার কিস্তি নিয়মিত পরিশোধ করতে হয়। হঠাৎ করে উচ্ছেদ করা হলে তারা আর্থিক সংকটে পড়বেন, ঋণের বোঝা বাড়বে এবং সন্তানের পড়াশোনাও বাধাগ্রস্ত হবে।বেকার সমস্যা বৃদ্ধি পাবে।অপরাধ বৃদ্ধি পাবে।সমাজের আইনশৃঙ্খলা অবনতি ঘটনার ঘটনার সম্ভাবনা থাকবে।

এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, কোনো বিকল্প ব্যবস্থা বা পুনর্বাসন ছাড়াই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা মানবিক হবে না। তাদের মতে, মৌসুমি ফল ব্যবসায়ীদের জন্য পৌর এলাকায় একটি নির্দিষ্ট মার্কেট বা বিকল্প স্থান নির্ধারণ করা জরুরি।

তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছেন, উচ্ছেদ কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে মানবিক দিক বিবেচনা করে দ্রুত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। একই সঙ্গে পরিকল্পিতভাবে একটি ফলের বাজার গড়ে তুলে এসব ব্যবসায়ীদের জীবিকা নির্বাহের সুযোগ নিশ্চিত করে বাঁচার আকুতি জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :

গাইবান্ধায় ফুটপাতের ফল ব্যবসায়ীদের বাঁচার আকতি উচ্ছেদের আগে পূর্নবাসন

আপডেট সময় : ০৯:৩৯:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

গাইবান্ধায় ফুটপাতের ফল ব্যবসায়ীদের বাঁচার আকতি
উচ্ছেদের আগে পুনর্বাসন চাই এর ধারাবাহিকতায় প্রকাশ থাকে যে, গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌরসভা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় শহরের বিভিন্ন সড়ক, ড্রেন, ফুটপাত, সরকারি জায়গা ও জনসাধারণের চলাচলের পথে গড়ে ওঠা দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদের উদ্যোগ গ্রহন করেছে । তাদের নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব স্থাপনা সরিয়ে না নিলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তবে এই উচ্ছেদ অভিযানের খবরে বিপাকে পড়েছেন পলাশবাড়ী সাব-রেজিস্ট্রার অফিস থেকে ডাকবাংলো সীমানা প্রাচীরসংলগ্ন ফুটপাতে বসা মৌসুমি ফল ব্যবসায়ীরা। দীর্ঘদিন ধরে এখানে ব্যবসা করে আসা স্বল্প আয়ের এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাদের একমাত্র আয়ের উৎস হারানোর আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
ব্যবসায়ীরা জানান, ফুটপাতে ফল বিক্রির আয় দিয়েই তাদের পরিবার চলে। অনেকেই এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে এই ব্যবসা পরিচালনা করছেন, যার কিস্তি নিয়মিত পরিশোধ করতে হয়। হঠাৎ করে উচ্ছেদ করা হলে তারা আর্থিক সংকটে পড়বেন, ঋণের বোঝা বাড়বে এবং সন্তানের পড়াশোনাও বাধাগ্রস্ত হবে।বেকার সমস্যা বৃদ্ধি পাবে।অপরাধ বৃদ্ধি পাবে।সমাজের আইনশৃঙ্খলা অবনতি ঘটনার ঘটনার সম্ভাবনা থাকবে।

এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, কোনো বিকল্প ব্যবস্থা বা পুনর্বাসন ছাড়াই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা মানবিক হবে না। তাদের মতে, মৌসুমি ফল ব্যবসায়ীদের জন্য পৌর এলাকায় একটি নির্দিষ্ট মার্কেট বা বিকল্প স্থান নির্ধারণ করা জরুরি।

তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছেন, উচ্ছেদ কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে মানবিক দিক বিবেচনা করে দ্রুত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। একই সঙ্গে পরিকল্পিতভাবে একটি ফলের বাজার গড়ে তুলে এসব ব্যবসায়ীদের জীবিকা নির্বাহের সুযোগ নিশ্চিত করে বাঁচার আকুতি জানানো হয়েছে।