ঢাকা ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আলফাডাঙ্গায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু নাগেশ্বরীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের মৃত্যু রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ফরিদপুর‌ পৌরসভার ‌ সাবেক ১ নং ‌ প্যানেল মেয়র মনিরুল ইসলাম মনির গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ার সাংবাদিকতার উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রবীণ সাংবাদিক নুরুননবী বাবু সালথায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় পার্কিং করা যাত্রীবাহি বাসে আগুন  নাগেশ্বরীতে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির প্রতিবাদ সভা দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১জন আসামি গ্রেপ্তার খালের ইজারা বাতিল ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্তের দাবিতে দেবহাটায় মানববন্ধন নওগাঁয় ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী নি-হ-ত

ঘুষ নিতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা নির্বাচন অফিস সহকারী

আজিজুর রহমান দুলাল,আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর):
  • আপডেট সময় : ০৫:১৮:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬ ৫৫ বার পঠিত

Oplus_131072

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাচন অফিসের এক অফিস সহকারী ঘুষ নেওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছেন। নতুন ভোটার আইডি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে তিনি এক যুবকের কাছে ৩ হাজার টাকা দাবি করেন এবং এর মধ্যে ২ হাজার টাকা গ্রহণও করেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলা কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে ভুক্তভোগী যুবক অভিযুক্তকে ঘুষের টাকাসহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কক্ষে নিয়ে যান এবং বিচার দাবি করেন।
জানা যায়, পৌর সদরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ইউসুফ তার ছোট ভাইয়ের নতুন ভোটার আইডি কার্ডের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে উপজেলা নির্বাচন অফিসে যান। সেখানে অফিস সহকারী (কম্পিউটার) যশোময় সাহা দ্রুত কাজ করে দেওয়ার শর্তে তার কাছে ৩ হাজার টাকা দাবি করেন।
ইউসুফ প্রথমে ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং পরে আরও ৫০০ টাকা দেন। এরপর তিনি জানতে চান, এই টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হবে কি না। এ সময় অভিযুক্ত কর্মকর্তা জানান, টাকা কোথাও জমা দিতে হবে না। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।
একপর্যায়ে ইউসুফ তাকে টাকাসহ ধরে ইউএনও’র কক্ষে নিয়ে যান এবং শাস্তির দাবি জানান। ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভুক্তভোগী ইউসুফ বলেন, “আমার ভাইয়ের বয়স ১৮ বছর তিন মাস। সব কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও ঘুষ দাবি করা হয়। টাকা দেওয়ার পর জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি ব্যক্তিগত খরচের জন্য নেওয়া হচ্ছে। তখনই তাকে হাতেনাতে ধরে নিয়ে যাই।”
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মনজুরুল আলম বলেন, তিনি তখন অফিসে ভোটারদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছিলেন। হঠাৎ বাইরে গোলযোগের শব্দ শুনে বিষয়টি জানতে পারেন। পরে বিষয়টি ইউএনওকে অবহিত করা হয়।
অভিযুক্ত যশোময় সাহার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত নূর মৌসুমী বলেন, “ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ঘুষ নিতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা নির্বাচন অফিস সহকারী

আপডেট সময় : ০৫:১৮:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাচন অফিসের এক অফিস সহকারী ঘুষ নেওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছেন। নতুন ভোটার আইডি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে তিনি এক যুবকের কাছে ৩ হাজার টাকা দাবি করেন এবং এর মধ্যে ২ হাজার টাকা গ্রহণও করেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলা কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে ভুক্তভোগী যুবক অভিযুক্তকে ঘুষের টাকাসহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কক্ষে নিয়ে যান এবং বিচার দাবি করেন।
জানা যায়, পৌর সদরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ইউসুফ তার ছোট ভাইয়ের নতুন ভোটার আইডি কার্ডের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে উপজেলা নির্বাচন অফিসে যান। সেখানে অফিস সহকারী (কম্পিউটার) যশোময় সাহা দ্রুত কাজ করে দেওয়ার শর্তে তার কাছে ৩ হাজার টাকা দাবি করেন।
ইউসুফ প্রথমে ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং পরে আরও ৫০০ টাকা দেন। এরপর তিনি জানতে চান, এই টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হবে কি না। এ সময় অভিযুক্ত কর্মকর্তা জানান, টাকা কোথাও জমা দিতে হবে না। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।
একপর্যায়ে ইউসুফ তাকে টাকাসহ ধরে ইউএনও’র কক্ষে নিয়ে যান এবং শাস্তির দাবি জানান। ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভুক্তভোগী ইউসুফ বলেন, “আমার ভাইয়ের বয়স ১৮ বছর তিন মাস। সব কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও ঘুষ দাবি করা হয়। টাকা দেওয়ার পর জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি ব্যক্তিগত খরচের জন্য নেওয়া হচ্ছে। তখনই তাকে হাতেনাতে ধরে নিয়ে যাই।”
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মনজুরুল আলম বলেন, তিনি তখন অফিসে ভোটারদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছিলেন। হঠাৎ বাইরে গোলযোগের শব্দ শুনে বিষয়টি জানতে পারেন। পরে বিষয়টি ইউএনওকে অবহিত করা হয়।
অভিযুক্ত যশোময় সাহার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত নূর মৌসুমী বলেন, “ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”