ঢাকা ১০:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আলফাডাঙ্গায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু নাগেশ্বরীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের মৃত্যু রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ফরিদপুর‌ পৌরসভার ‌ সাবেক ১ নং ‌ প্যানেল মেয়র মনিরুল ইসলাম মনির গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ার সাংবাদিকতার উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রবীণ সাংবাদিক নুরুননবী বাবু সালথায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় পার্কিং করা যাত্রীবাহি বাসে আগুন  নাগেশ্বরীতে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির প্রতিবাদ সভা দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১জন আসামি গ্রেপ্তার খালের ইজারা বাতিল ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্তের দাবিতে দেবহাটায় মানববন্ধন নওগাঁয় ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী নি-হ-ত

হিলিতে পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে অতিষ্ট এলাকাবাসী

মোঃ ওয়াজ কুরনী- দিনাজপুর:
  • আপডেট সময় : ০৫:২২:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৮১ বার পঠিত

দিনাজপুরের হিলিতে পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে অতিষ্ট হয়ে উঠছেন এলাকাবাসী। ২৪ ঘণ্টায় ১০ থেকে ১২ বার বিদ্যুৎ যাওয়া-আসা করছে। একদিকে প্রচন্ড গরমে ছোট শিশুসহ নাজাহালে পড়ছে সব বয়সের মানুষরা। গরমে রাতে ঘুমাতে পারছেন না সাধারণ জনগন। অতি লোডশিডিংয়ে ফ্রিজ, টিভি, ফ্যান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন এলাকাবাসী। অপর দিকে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ বলছে, চাহিদার চেয়ে বরাদ্দ কম পাওয়ায় এই লোডশেডিং হচ্ছে। তবে অচিরেই সমাধান হবে।

কয়েকজন এলাকাবাসী বলেন, গত দুই তিন মাস থেকে হিলিতে পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিং চরম আকার ধারণ করেছে। একদিকে তীব্র গরম আর বিদ্যুতের বারবার যাওয়া-আসাতে বিদ্যুৎ চালিত জিনিসপত্র, টিভি, ফ্রিজ নিয়ে খুব বিপদে আছে সাধারণ জনগন। মাঝে মধ্যে ফ্রিজে সমস্যা দেখা দিচ্ছে বলে অভিযোগ গ্রাহকদের। দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎ না থাকায় রবফ গলে পানি বের হচ্ছে।’ বিদ্যুৎতের লোডশেডিংয়ের কারণে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বেশিভাগ কম বয়সের শিশুদের। ২৪ ঘণ্টায় ১০ থেকে ১২ বার বিদ্যুৎ যাওয়া-আসা করছে।

বৈগ্রাম গ্রামের করিম উদ্দিন বলেন, একদিকে তীব্র গরম অন্যদিকে বিদ্যুতের ভেলকিবাজির কারণে রাতে ঘুমানো যায় না। ছোট বাচ্চাদের সারারাত পাখা দিয়ে বাতাস করতে হচ্ছে। একবার বিদ্যুৎ গেলে এক থেকে দেড় ঘন্টার পর আসে। কোনো কোনো দিন আবার সারা রাতেও খবর নেই। যদি আসে তাও আবার আধা ঘণ্টা পর চলে যায়। ছোট ডাংগাপাড়ার ছাত্র শরিফ বলেন,অতি লোড শেডিংয়ের কারনে আমাদের ঠিকমতো লেখাপড়া হচ্ছেনা। যেই সময় আমরা পড়তে বসবো।

সেই সময়ই বিদ্যুৎ চলে যায়। এতে ছাত্র ছাত্রীদের পড়ালেখার ক্ষতি হচ্ছে। বিদ্যুৎ না থাকার কারনে বর্ডার এলাকায় রাতে বাহিরে ঘুড়াফেরা করছে তারা। এতে ছেলে মেয়েরা খারাপ হচ্ছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীদের। পেয়াজ আমদানিকারক শরিফ বলেন, এদিকে অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের কারনে কাচাঁ পন্য পেয়াজ গরমে পচেঁ যাচ্ছে কিন্তু ‘মাস শেষে আবার বিল পরিশোধ না করলে লাইন কেটে দিয়ে যায়। তারপরও তারা চাহিদা মতো বিদ্যুৎ পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ ভুক্তভোগিদের। বিদ্যুৎ না থাকার কারনে কাজ করতে না পারায় বিপাকে কর্মজিবি মানুষরা। হাকিমপুর পৌরসভার মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত বলেন, এদিকে পল্লি বিদ্যুৎতের লোডশেডিং কমানোর জন্য লিখিত পত্র এজিএমকে জমা দেওয়া হয়েছে। অচিরেই এই সমস্যা সমাধান হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

হিলি পল্লি বিদ্যুৎ সাব জোনাল অফিস এজিএম বিশ্বজিত সরকার বলেন, হিলিতে বিদ্যুতের চাহিদা সাড়ে ৮ মেগাওয়াট আর বরাদ্দ মাত্র আড়াই থেকে তিন মেগাওয়াট। এবং হাকিমপুর উপজেলায় পল্লি বিদ্যুতের সংযোগ রয়েছে ৩৮ হাজারের উপরে। চাহিদার চেয়ে বরাদ্দ কম পাওয়ায় এই লোডশেডিং হচ্ছে। তবে অচিরেই সমাধান হবে বলে আশ্বাস পল্লি বিদ্যুৎ কতৃপক্ষের।

হিলিতে পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে অতিষ্ট এলাকাবাসী

আপডেট সময় : ০৫:২২:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩

দিনাজপুরের হিলিতে পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে অতিষ্ট হয়ে উঠছেন এলাকাবাসী। ২৪ ঘণ্টায় ১০ থেকে ১২ বার বিদ্যুৎ যাওয়া-আসা করছে। একদিকে প্রচন্ড গরমে ছোট শিশুসহ নাজাহালে পড়ছে সব বয়সের মানুষরা। গরমে রাতে ঘুমাতে পারছেন না সাধারণ জনগন। অতি লোডশিডিংয়ে ফ্রিজ, টিভি, ফ্যান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন এলাকাবাসী। অপর দিকে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ বলছে, চাহিদার চেয়ে বরাদ্দ কম পাওয়ায় এই লোডশেডিং হচ্ছে। তবে অচিরেই সমাধান হবে।

কয়েকজন এলাকাবাসী বলেন, গত দুই তিন মাস থেকে হিলিতে পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিং চরম আকার ধারণ করেছে। একদিকে তীব্র গরম আর বিদ্যুতের বারবার যাওয়া-আসাতে বিদ্যুৎ চালিত জিনিসপত্র, টিভি, ফ্রিজ নিয়ে খুব বিপদে আছে সাধারণ জনগন। মাঝে মধ্যে ফ্রিজে সমস্যা দেখা দিচ্ছে বলে অভিযোগ গ্রাহকদের। দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎ না থাকায় রবফ গলে পানি বের হচ্ছে।’ বিদ্যুৎতের লোডশেডিংয়ের কারণে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বেশিভাগ কম বয়সের শিশুদের। ২৪ ঘণ্টায় ১০ থেকে ১২ বার বিদ্যুৎ যাওয়া-আসা করছে।

বৈগ্রাম গ্রামের করিম উদ্দিন বলেন, একদিকে তীব্র গরম অন্যদিকে বিদ্যুতের ভেলকিবাজির কারণে রাতে ঘুমানো যায় না। ছোট বাচ্চাদের সারারাত পাখা দিয়ে বাতাস করতে হচ্ছে। একবার বিদ্যুৎ গেলে এক থেকে দেড় ঘন্টার পর আসে। কোনো কোনো দিন আবার সারা রাতেও খবর নেই। যদি আসে তাও আবার আধা ঘণ্টা পর চলে যায়। ছোট ডাংগাপাড়ার ছাত্র শরিফ বলেন,অতি লোড শেডিংয়ের কারনে আমাদের ঠিকমতো লেখাপড়া হচ্ছেনা। যেই সময় আমরা পড়তে বসবো।

সেই সময়ই বিদ্যুৎ চলে যায়। এতে ছাত্র ছাত্রীদের পড়ালেখার ক্ষতি হচ্ছে। বিদ্যুৎ না থাকার কারনে বর্ডার এলাকায় রাতে বাহিরে ঘুড়াফেরা করছে তারা। এতে ছেলে মেয়েরা খারাপ হচ্ছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীদের। পেয়াজ আমদানিকারক শরিফ বলেন, এদিকে অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের কারনে কাচাঁ পন্য পেয়াজ গরমে পচেঁ যাচ্ছে কিন্তু ‘মাস শেষে আবার বিল পরিশোধ না করলে লাইন কেটে দিয়ে যায়। তারপরও তারা চাহিদা মতো বিদ্যুৎ পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ ভুক্তভোগিদের। বিদ্যুৎ না থাকার কারনে কাজ করতে না পারায় বিপাকে কর্মজিবি মানুষরা। হাকিমপুর পৌরসভার মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত বলেন, এদিকে পল্লি বিদ্যুৎতের লোডশেডিং কমানোর জন্য লিখিত পত্র এজিএমকে জমা দেওয়া হয়েছে। অচিরেই এই সমস্যা সমাধান হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

হিলি পল্লি বিদ্যুৎ সাব জোনাল অফিস এজিএম বিশ্বজিত সরকার বলেন, হিলিতে বিদ্যুতের চাহিদা সাড়ে ৮ মেগাওয়াট আর বরাদ্দ মাত্র আড়াই থেকে তিন মেগাওয়াট। এবং হাকিমপুর উপজেলায় পল্লি বিদ্যুতের সংযোগ রয়েছে ৩৮ হাজারের উপরে। চাহিদার চেয়ে বরাদ্দ কম পাওয়ায় এই লোডশেডিং হচ্ছে। তবে অচিরেই সমাধান হবে বলে আশ্বাস পল্লি বিদ্যুৎ কতৃপক্ষের।