ঢাকা ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আলফাডাঙ্গায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু নাগেশ্বরীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের মৃত্যু রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ফরিদপুর‌ পৌরসভার ‌ সাবেক ১ নং ‌ প্যানেল মেয়র মনিরুল ইসলাম মনির গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ার সাংবাদিকতার উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রবীণ সাংবাদিক নুরুননবী বাবু সালথায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় পার্কিং করা যাত্রীবাহি বাসে আগুন  নাগেশ্বরীতে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির প্রতিবাদ সভা দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১জন আসামি গ্রেপ্তার খালের ইজারা বাতিল ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্তের দাবিতে দেবহাটায় মানববন্ধন নওগাঁয় ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী নি-হ-ত

মুক্তিপণের টাকায় ঋণ পরিশোধ করতে অপহরণ, হত্যা-ঘাতক গ্রেপ্তার

মাসুদুর রহমান রুবেল,আশুলিয়া (ঢাকা):
  • আপডেট সময় : ১০:১৯:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫ ১১৬ বার পঠিত

ঢাকার আশুলিয়ায় মুক্তিপণের টাকায় ঋণ পরিশোধ করতে জোনায়েদ (০৫) নামের এক শিশুকে অপরহণ করে হত্যা করেছে অপহরণকারী। অপহরণের ১৩ দিন পর এর মূলহোতা মোরসালিনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি জঙ্গল থেকে শিশু জোনায়েদের গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাত ৮ টার দিকে আশুলিয়ার মধুপুর ফারুকনগর এলাকার একটি জঙ্গল থেকে  শিশু জোনায়েদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত জোনায়েদ গাইবান্ধা জেলা সদরের খামার বোয়ালি গ্রামের সাগর মিয়ার ছেলে। সে পোশাক শ্রমিক বাবা-মায়ের সাথে আশুলিয়ার ফারুকনগর এলাকায় মিয়াজ উদ্দিন ভান্ডারির বাড়িতে ভাড়া থাকতো।

গ্রেপ্তারকৃত মোরসালিন রাজশাহী জেলার গোদাগারী থানার কাপাসিয়া পাড়ার মামুন আলীর ছেলে। তিনিও মিয়াজ উদ্দিন ভান্ডারির বাড়ির ভাড়াটিয়া।

র‍্যাব জানায়, গত ১৬ আগস্ট ওই এলাকা থেকে খেলাধুলার কথা বলে জোনায়েদকে নিয়ে একটি জঙ্গলে আটকে রাখে মোরসালিন। পরে জোনায়েদের পরিহিত টি-শার্ট দিয়ে তাকে শ্বাসরোধ করেন। এসময় জোনায়েদ মারা গেলে তাকে ওই জঙ্গলে ফেলে রেখে চলে যায় মোরসালিন। পরদিন আবার ঘটনাস্থলে গিয়ে জোনায়েদের মরদেহ লতাপাতা দিয়ে ঢেকে রেখে চলে যায় ঘাতক। এর পর থেকে আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে আর যায় নি মোরসালিন। পরে গতকাল ২৮ আগস্ট জোনায়েদের মায়ের কাছে ফোন করে ১০ হাজার টাকা দাবি করে, শিশুকে ফেরত দিলে বাকি ৩০ হাজার পরিশোধের জন্য বলে মোরসালিন। সেই ফোনের সূত্র ধরে আজ মোরসালিনকে আটক করে জোনায়ের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব-৪ সিপিসি-২ এর স্কোয়াড্রন লিডার মোঃ নাজমুল ইসলাম বলেন, আটক মোরসালিন প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন যে, তার বেশ কিছু টাকা ঋণ হলে জোনায়েদকে অপহরণ করে আটকে রাখে। উদ্দেশ্য ছিল অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায় করে ঋণের টাকা পরিশোধ করা। তিনি বলেন, আমরা আজ মুক্তিপণের টাকা দাবি করা ফোন কলের সূত্র ধরে ঘাতক মোরসালিনকে আটক করি এবং তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জোনায়েদের মরদেহ উদ্ধার করি।

ট্যাগস :

মুক্তিপণের টাকায় ঋণ পরিশোধ করতে অপহরণ, হত্যা-ঘাতক গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ১০:১৯:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

ঢাকার আশুলিয়ায় মুক্তিপণের টাকায় ঋণ পরিশোধ করতে জোনায়েদ (০৫) নামের এক শিশুকে অপরহণ করে হত্যা করেছে অপহরণকারী। অপহরণের ১৩ দিন পর এর মূলহোতা মোরসালিনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি জঙ্গল থেকে শিশু জোনায়েদের গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাত ৮ টার দিকে আশুলিয়ার মধুপুর ফারুকনগর এলাকার একটি জঙ্গল থেকে  শিশু জোনায়েদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত জোনায়েদ গাইবান্ধা জেলা সদরের খামার বোয়ালি গ্রামের সাগর মিয়ার ছেলে। সে পোশাক শ্রমিক বাবা-মায়ের সাথে আশুলিয়ার ফারুকনগর এলাকায় মিয়াজ উদ্দিন ভান্ডারির বাড়িতে ভাড়া থাকতো।

গ্রেপ্তারকৃত মোরসালিন রাজশাহী জেলার গোদাগারী থানার কাপাসিয়া পাড়ার মামুন আলীর ছেলে। তিনিও মিয়াজ উদ্দিন ভান্ডারির বাড়ির ভাড়াটিয়া।

র‍্যাব জানায়, গত ১৬ আগস্ট ওই এলাকা থেকে খেলাধুলার কথা বলে জোনায়েদকে নিয়ে একটি জঙ্গলে আটকে রাখে মোরসালিন। পরে জোনায়েদের পরিহিত টি-শার্ট দিয়ে তাকে শ্বাসরোধ করেন। এসময় জোনায়েদ মারা গেলে তাকে ওই জঙ্গলে ফেলে রেখে চলে যায় মোরসালিন। পরদিন আবার ঘটনাস্থলে গিয়ে জোনায়েদের মরদেহ লতাপাতা দিয়ে ঢেকে রেখে চলে যায় ঘাতক। এর পর থেকে আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে আর যায় নি মোরসালিন। পরে গতকাল ২৮ আগস্ট জোনায়েদের মায়ের কাছে ফোন করে ১০ হাজার টাকা দাবি করে, শিশুকে ফেরত দিলে বাকি ৩০ হাজার পরিশোধের জন্য বলে মোরসালিন। সেই ফোনের সূত্র ধরে আজ মোরসালিনকে আটক করে জোনায়ের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব-৪ সিপিসি-২ এর স্কোয়াড্রন লিডার মোঃ নাজমুল ইসলাম বলেন, আটক মোরসালিন প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন যে, তার বেশ কিছু টাকা ঋণ হলে জোনায়েদকে অপহরণ করে আটকে রাখে। উদ্দেশ্য ছিল অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায় করে ঋণের টাকা পরিশোধ করা। তিনি বলেন, আমরা আজ মুক্তিপণের টাকা দাবি করা ফোন কলের সূত্র ধরে ঘাতক মোরসালিনকে আটক করি এবং তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জোনায়েদের মরদেহ উদ্ধার করি।