ঢাকা ০২:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আলফাডাঙ্গায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু নাগেশ্বরীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের মৃত্যু রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ফরিদপুর‌ পৌরসভার ‌ সাবেক ১ নং ‌ প্যানেল মেয়র মনিরুল ইসলাম মনির গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ার সাংবাদিকতার উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রবীণ সাংবাদিক নুরুননবী বাবু সালথায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় পার্কিং করা যাত্রীবাহি বাসে আগুন  নাগেশ্বরীতে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির প্রতিবাদ সভা দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১জন আসামি গ্রেপ্তার খালের ইজারা বাতিল ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্তের দাবিতে দেবহাটায় মানববন্ধন নওগাঁয় ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী নি-হ-ত

বোয়ালমারীতে মেয়ে জামাই কে নির্যাতন ও মেরে ফেলার হুমকি,বাবা ও চাচাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ

এমএম জামান,বোয়ালমারী (ফরিদপুর):
  • আপডেট সময় : ০৫:৩২:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫০ বার পঠিত

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বাবা মা, ও চাচাদের বিরুদ্ধে হামলা, নির্যাতন ও মেরে ফেলার হুমকি দেয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন এক সন্তানের জননী মোছাঃ হামিদা খানম। (শুক্রবার) ১৮ সেপ্টেম্বর বোয়ালমারী অডিটোরিয়াম হলের সামনে নিজ বাসায় সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ তুলে ধরেন।
অভিযোগে জানা যায়,ফরিদপুরের বোয়ালমারী পৌরসভার রায়পুর গ্রামের মো. গফুর শেখ ও মাতা রিনিয়া বেগম এর সন্তান মোছাঃ হামিদা খানম। হামিদা খানমের সাথে নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার বড়নাল গ্রামের মো. ইসমাইল শেখ এর সহিত বিবাহে আবদ্ধ হন। ইসমাইল পেশায় একটি কোম্পানিতে সেলসম্যান (বিক্রয়কর্মী) হিসেবে কর্মরত আছেন। হামিদার ঘরে ইসতিয়া আক্তার নামে ২ মাসের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।

ইসমাইল শেখ পূর্বে একটি বিবাহ করেন, ওই ঘরে দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। হামিদা খানম কে বিবাহের পরে হামিদার ঘরে একটি ফুটফুটে কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। হামিদা স্বামী সন্তান নিয়ে খুব সুখে শান্তিতে সংসারে জীবন অতিবাহিত করছেন। এতে হামিদার স্বামীর প্রতি কোন অভিযোগ অভিমান নেই।

হামিদার স্বামী বোয়ালমারীতে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সেলস্ ম্যান (বিক্রয়কর্মী) হিসেবে কাজ করেন এবং বাসা ভাড়া করে স্ত্রী সন্তান নিয়ে বসবাস করেন। কিন্তু ,হামিদার বাবা,গফুর শেখ, ‘মা. রিনিয়া বেগম চাচা শ্বশুর টুকু শেখ, শাহরিয়া শেখ সহ সকলে জোটবদ্ধ হয়ে , হামিদা খানম এর উপর বিভিন্ন ভাবে চাপ প্রয়োগ নির্যাতন ও মারপিট করেন বলে অভিযোগে জানান।

হামিদা খানম অভিযোগ করে আরো বলেন, নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার বড়নাল গ্রামের কাকা মোল্লার পুত্র মো. ইসমাইল মোল্লার সহিত আমার বিবাহ হয়। বিবাহের পর আমার স্বামীীর সহিত ওর (স্বামীর) দুটি কন্যা সন্তান সহ আমি সুখে শান্তিতে ঘরসংসার ও দাম্পত্য জীবন অতিবাহিত করিয়া আসিতে থাকা কালে,
আমার পিতামাতা আমার স্বামীকে জোর পূর্বক তালাক দেওয়ার হুমকি সহ আমার স্বামীকে মৃত্যুর ভয় ভীতি দেখায় আসিতেছে ওরা, আমি কোনভাবেই রাজী না হওয়ায় আমার পিতা ভাড়াটিয়া লোকজন দিয়া আমাকে জোর করে উঠায় নিয়া জাইবে বলিয়া, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকমের ও হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে। এবং এহাতে আমার স্বামী বাঁধা দিলে তাহাকে খুন করিয়া ফেলিবে বলে হুমকি দিতে থাকে।
এমতাবস্থায় ২০২৩ সালের ১৯ জুন আমি সজ্ঞানে পিতা মাতার সহিত আমি তাহাদের সন্তান নই বলে সম্পর্ক ছিন্ন করিবার সিদ্ধান্ত আমি নিজেই গ্রহন করি।
ছিন্ন করিবার বিষয় ইহাতে আমার স্বামী কোন প্রকার দায়ী নহে। কিন্ত আমার বাবা মা, চাচারা এখনো আমাকে ও আমার স্বামীকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে স্থানীয় ভাবে বিভিন্ন শালিশ দরবার হয়েছে সেখানে গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন কিন্তু কোন নালিশ শালিশে আমার বাবা মা “‘ ও চাচার মানেনী, আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, আপনাদের মাধ্যমে আইন অনুযায়ী অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই। স্থানীয় কাউন্সিলর শেখ আজিজুল হক শালিশের বিষয়ে অবগত আছেন।
এ ব্যপারে উপজেলার গুনবহা ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতা মো. এনায়েত হোসেন বলেন, গফুর শেখ এর মেয়ে হামিদা খানম ও তার স্বামীর সালিশে ছিলাম, হামিদার বাবা ও মাকে অনেক বুঝিয়েছি তারা আমাদের কোন কথা শোনে না,’মা বাবা-র সন্তানের প্রতি এমন আচরণ দুঃখজনক।

বোয়ালমারীতে মেয়ে জামাই কে নির্যাতন ও মেরে ফেলার হুমকি,বাবা ও চাচাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৫:৩২:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বাবা মা, ও চাচাদের বিরুদ্ধে হামলা, নির্যাতন ও মেরে ফেলার হুমকি দেয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন এক সন্তানের জননী মোছাঃ হামিদা খানম। (শুক্রবার) ১৮ সেপ্টেম্বর বোয়ালমারী অডিটোরিয়াম হলের সামনে নিজ বাসায় সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ তুলে ধরেন।
অভিযোগে জানা যায়,ফরিদপুরের বোয়ালমারী পৌরসভার রায়পুর গ্রামের মো. গফুর শেখ ও মাতা রিনিয়া বেগম এর সন্তান মোছাঃ হামিদা খানম। হামিদা খানমের সাথে নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার বড়নাল গ্রামের মো. ইসমাইল শেখ এর সহিত বিবাহে আবদ্ধ হন। ইসমাইল পেশায় একটি কোম্পানিতে সেলসম্যান (বিক্রয়কর্মী) হিসেবে কর্মরত আছেন। হামিদার ঘরে ইসতিয়া আক্তার নামে ২ মাসের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।

ইসমাইল শেখ পূর্বে একটি বিবাহ করেন, ওই ঘরে দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। হামিদা খানম কে বিবাহের পরে হামিদার ঘরে একটি ফুটফুটে কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। হামিদা স্বামী সন্তান নিয়ে খুব সুখে শান্তিতে সংসারে জীবন অতিবাহিত করছেন। এতে হামিদার স্বামীর প্রতি কোন অভিযোগ অভিমান নেই।

হামিদার স্বামী বোয়ালমারীতে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সেলস্ ম্যান (বিক্রয়কর্মী) হিসেবে কাজ করেন এবং বাসা ভাড়া করে স্ত্রী সন্তান নিয়ে বসবাস করেন। কিন্তু ,হামিদার বাবা,গফুর শেখ, ‘মা. রিনিয়া বেগম চাচা শ্বশুর টুকু শেখ, শাহরিয়া শেখ সহ সকলে জোটবদ্ধ হয়ে , হামিদা খানম এর উপর বিভিন্ন ভাবে চাপ প্রয়োগ নির্যাতন ও মারপিট করেন বলে অভিযোগে জানান।

হামিদা খানম অভিযোগ করে আরো বলেন, নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার বড়নাল গ্রামের কাকা মোল্লার পুত্র মো. ইসমাইল মোল্লার সহিত আমার বিবাহ হয়। বিবাহের পর আমার স্বামীীর সহিত ওর (স্বামীর) দুটি কন্যা সন্তান সহ আমি সুখে শান্তিতে ঘরসংসার ও দাম্পত্য জীবন অতিবাহিত করিয়া আসিতে থাকা কালে,
আমার পিতামাতা আমার স্বামীকে জোর পূর্বক তালাক দেওয়ার হুমকি সহ আমার স্বামীকে মৃত্যুর ভয় ভীতি দেখায় আসিতেছে ওরা, আমি কোনভাবেই রাজী না হওয়ায় আমার পিতা ভাড়াটিয়া লোকজন দিয়া আমাকে জোর করে উঠায় নিয়া জাইবে বলিয়া, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকমের ও হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে। এবং এহাতে আমার স্বামী বাঁধা দিলে তাহাকে খুন করিয়া ফেলিবে বলে হুমকি দিতে থাকে।
এমতাবস্থায় ২০২৩ সালের ১৯ জুন আমি সজ্ঞানে পিতা মাতার সহিত আমি তাহাদের সন্তান নই বলে সম্পর্ক ছিন্ন করিবার সিদ্ধান্ত আমি নিজেই গ্রহন করি।
ছিন্ন করিবার বিষয় ইহাতে আমার স্বামী কোন প্রকার দায়ী নহে। কিন্ত আমার বাবা মা, চাচারা এখনো আমাকে ও আমার স্বামীকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে স্থানীয় ভাবে বিভিন্ন শালিশ দরবার হয়েছে সেখানে গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন কিন্তু কোন নালিশ শালিশে আমার বাবা মা “‘ ও চাচার মানেনী, আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, আপনাদের মাধ্যমে আইন অনুযায়ী অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই। স্থানীয় কাউন্সিলর শেখ আজিজুল হক শালিশের বিষয়ে অবগত আছেন।
এ ব্যপারে উপজেলার গুনবহা ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতা মো. এনায়েত হোসেন বলেন, গফুর শেখ এর মেয়ে হামিদা খানম ও তার স্বামীর সালিশে ছিলাম, হামিদার বাবা ও মাকে অনেক বুঝিয়েছি তারা আমাদের কোন কথা শোনে না,’মা বাবা-র সন্তানের প্রতি এমন আচরণ দুঃখজনক।