
প্রকৃতির সান্নিধ্যে আসা প্রকৃতিতে অবগাহন করা কার না ভালো লাগে? অজানাকে জানার তীব্র কৌতূহল থেকে অনুসন্ধিৎসু মন ভ্রমণের টানে পাড়ি জমায় দিগ্-দিগন্তে। পুথিগত বিদ্যার বাইরে বাস্তবতালব্ধ জ্ঞান সমৃদ্ধ করে আমাদের মানসজগৎকে।
দেশকে জানার তীব্র আকর্ষণ থেকে এবার সঞ্চারণ পরিবার ভ্রমণের উদ্দেশ্যে পাড়ি জমায় চায়ের দেশ সিলেটে। ২ জুলাই ২০২৩ রাত ১০টায় আমাদের যাত্রা শুরু হয়।
সোমবার ৩ জুলাই সঞ্চারণ পরিবার সিলেট বিভাগের বিভিন্ন ঐতিহাসিক পর্যটনকেন্দ্রগুলো ভ্রমণ করে- চা-বাগান, ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর, রাতারগুল।
সিলেটের প্রকৃতি আমাদের অন্যভাবে আকর্ষণ করে। সেখানকার সহজ- সরল মানুষদের আতিথেয়তা আমাদের মুগ্ধ করে।সিলেটের প্রকৃতির রূপ আমাদের বিমোহিত করেছে। যা অনেক দিন মনে থাকবে।
সংগঠনটির সভাপতি এসএম পারভেজ বলেন, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি আমাদের এই বাংলাদেশ। আর এই বাংলাদেশের পর্যটন মানচিত্রে চোখজুড়ানো প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর রোমাঞ্চকর অনেক জায়গার জন্য উল্লেখযোগ্য ও আকর্ষণীয় স্থান সিলেট।
চা-বাগান, ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর, বিছানাকান্দি, রাতারগুল, জাফলং সহ অসংখ্য চোখ জুড়ানো পর্যটন স্পট রয়েছে শাহজালাল-শাহপরান (রহ.) এর স্মৃতিবিজড়িত পূণ্যভূমি সিলেটে। এই অপরূপ লীলাভূমির সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতি বছর অসংখ্য মানুষ ছুটে যায় সেখানে। এবার সঞ্চারিয়ানরাও দলবেঁধে ছুটে গিয়েছে সিলেট, উপভোগ করেছে চায়ের দেশের অন্যতম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।
সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মাসুম খান বলেন, আলহামদুলিল্লাহ সুস্থ, সুন্দর, ও প্রানবন্ত ভাবে শেষ হলো, প্রাণের সঞ্চারণ এর আনন্দ ভ্রমণ।
অসংখ্য ধন্যবাদ, যারা এই আনন্দ ভ্রমণ কে সফল করার জন্য, রাত, দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে সফল করেছন।
আরো ধন্যবাদ জানাই, যারা প্রাণের সঞ্চারণের আনন্দ ভ্রমনের কথা শুনে, কাজ, পরিবার, ব্যাবসা, চাকরী, পড়াশুনা ছেড়ে, অনেক দূর দূরান্ত থেকে আমাদের সাথে যোগ দিয়ে আনন্দ ভ্রমণ কে এতটা উল্লাসিত করেছেন।
সঞ্চারণ আনন্দ ভ্রমণে উপস্থিত ছিলেন, মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, ফয়সাল আহম্মেদ রাহুল, মোঃ রাসেল, খায়ের আমিন, কায়সার হামিদ, মাসুদ,বোরহান,ফরহাদ,জুবায়ের, সৌরভ , কবির, সোহেল, মাসুম, তালেব, ফাহিদ গাজি, মমতাজ জাহান মুমু সহ অনেকেই।