
দীর্ঘ ১৭ বছর পর অনুষ্ঠিত হওয়া ঐহিহাসিক সম্মেলনে ময়দানে ঈদগাহ মাঠে সকাল থেকেই আসতে থাকেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ ডেলিগেট ও কাউন্সিলর মিলিয়ে স্বাধীনতার চেতনায় বিশ্বাসী অগনিত মানুষ। তাদের উপস্থিতিতে বিকেল ৫ টা ২০ মিনিটে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে শুভ সুচনা হয়।
সঞ্চালনা করেন সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির যুগ্ম আহবায়ক অধ্যক্ষ নুরে আলম সিদ্দিকী মিলন ও যুগ্ম আহবায়ক ইমামুল কবীর।
শুরুতেই বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর প্রামাণ্য ভিডিও চিত্রের সাথে বাঁশি বাজিয়ে টানা ২৪ মিনিট (অনির্বাণ) অনুষ্ঠান স্থল যশোর ঈদগাহ মাঠ বুদ করে রাখেন ২১ পদকপ্রাপ্ত বংশীবাদক গাজী আব্দুল হাকিম। এ সময় তার সাথে অংশ নেন আরো ৯ জন দেশ সেরা যন্ত্রশিল্পী। দুটি নজরুল সংগীতসহ ৭ টি দেশের গান সম্বলিত মিউজিক্যাল ড্রামা উপস্থাপন করা হয়। এরপর স্বেচ্ছাসেবক লীগের ৩ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডের একটি প্রামান্য চিত্র প্রদর্শন করা হয় সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক ও সংগঠনের সাবেক সভাপতি আসাদুজ্জামান মিঠুর সার্বিক ব্যবস্থাপনায়।
দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয় সন্ধ্যা ৬ টা ৫ মিনিটে। কোরআন তেলোয়াত করেন হযরত মাওলানা আব্দুল হাই সিদ্দিকী, গীতা পাঠ করেন হরিদাস বিশ্বাস ও বাইবেল থেকে পাঠ করেন ডিটু সরকার।
যশোর জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের বহুকাঙ্খিত ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩ টার মধ্যে যশোর ঈদগাহ ময়দান পরিপূর্ণ হয়ে যায়। যশোর শহর উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়। শহরের সবত্র বর্ণিল সাজ মুগ্ধ করে মানুষকে।
এদিকে সম্মেলন ঘিরে রাত ১১ টায় সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী যশোর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের এই সম্মেলনে সভাপতি পদে ২৭ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ৪৬ জন তাদের আগ্রহ জানান দিয়েছেন। তবে অমিমাংসিত থেকে গেছে কমিটি গঠন। কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু ওই নামগুলো গ্রহণ করেছেন। আগামিতে যাচাই বাছাই করে কমিটি ঘোষণা করা হবে বলে জানান তিনি