
খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ২নং বাগালি ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। এই ওয়ার্ডে সাধারণ সদস্য (ইউপি সদস্য) পদে প্রার্থী হিসেবে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন তরুণ, উদ্যমী ও উচ্চশিক্ষিত সমাজসেবক মোঃ ইমরান হোসেন। ওয়ার্ডবাসীর সমর্থন ও ভালোবাসা সঙ্গে নিয়ে তিনি দিন-রাত অবিরাম গণসংযোগ ও প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
উচ্চশিক্ষিত প্রার্থীর নতুন বার্তা আধুনিক ও কল্যাণমুখী সমাজ গঠনে সুশিক্ষিত নেতৃত্বের বিকল্প নেই। মোঃ ইমরান হোসেন স্থানীয় কয়রা মদিনাবাদ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং কপোতাক্ষ মহাবিদ্যালয় থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে খুলনা সরকারি আজম খান কমার্স কলেজ থেকে হিসাববিজ্ঞান (BBA in Accounting) বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। প্রার্থীর উচ্চশিক্ষা ও মার্জিত ব্যক্তিত্ব ওয়ার্ডের ভোটারদের মাঝে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত তিনি। মোঃ ইমরান হোসেন বর্তমানে ‘দক্ষিণ বামিয়া যুব সংঘ’-এর সভাপতি, সামাজিক সংগঠন ‘মানব কল্যাণ ইউনিট’-এর সহ-সাধারণ সম্পাদক এবং বাগালি ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। এসব সংগঠনের মাধ্যমে তরুণ ও যুবসমাজকে একতাবদ্ধ করে মাদক ও সামাজিক ব্যাধি থেকে দূরে রাখতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন।
অসহায় মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে সারাবছর নানা সমাজসেবামূলক কাজের পাশাপাশি ধর্মীয় ও বিভিন্ন উৎসবে এলাকার সাধারণ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান তিনি। শীতকালে দুস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, পবিত্র রমজান মাসে খাদ্যসামগ্রী প্রদান এবং ঈদ উৎসবসহ নানা আয়োজনে উপহার সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া তাঁর নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ।
বামিয়া মাঝি পাড়া গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দারা জানান, এলাকার যেকোনো বিপদে তাকে কাছে পাওয়া যায়। গ্রামের বয়োবৃদ্ধ রবি মাঝি বলেন, আমাদের সুখে-দুঃখে, শীতে কি ঈদে—ইমরানকে সবসময় কাছে পাই। সে এলাকার অসহায় মানুষের পাশে থাকে। এমন একজন শিক্ষিত ও পরোপকারী তরুণকে আমরা আমাদের মেম্বার হিসেবে দেখতে চাই।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও লক্ষ্য সম্পর্কে মোঃ ইমরান হোসেন বলেন, ৫নং ওয়ার্ডের উন্নয়ন নিশ্চিত করা এবং অবহেলিত মানুষের পাশে থাকা আমার প্রধান লক্ষ্য। সুশাসন প্রতিষ্ঠা, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন এবং যুবসমাজকে সুপথে রাখতে আমি কাজ করে যাব।
বর্তমানে প্রবীণদের দোয়া ও তরুণদের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন সঙ্গে নিয়ে তিনি সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ওয়ার্ডের প্রতিটি পাড়া-মহল্লা ও হাটে-বাজারে ঘুরে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করছেন।