
খুলনার পাইকগাছা আলমতলা ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকের দপ্তরে গণস্বাক্ষরিত অভিযোগের তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক খুলনা তদন্ত করেন।
অভিযোগে প্রকাশ,আলমতলা ইসলামিয়া আজিজিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুস সবুর গাইন (ভারপ্রাপ্ত)। দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে তিনি বিভিন অনিয়ম,দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে। সরকারী নির্দেশনা উপেক্ষা করে দুপুর ১ টার সময় মাদ্রাসা ছুটি দিয়ে আসছেন। অধিকাংশ শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠানের পাশে বাজারে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সেখানে বেশি সময় কাটান।
এদিকে ম্যানিজিং কমিটি গঠন নিয়ে স্থানীদের সাথে চরম প্রতারনা করা হয়েছে। ২৭ মার্চ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে (শিক্ষা) সভাপতি করে ১৩ সদস্যের একটি কমিটি অনুমোদনের জন্য মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ঢাকাতে পাঠিনো হয়েছে। কিন্তু শিক্ষা বোর্ডে পাঠানোর ৪ দিন পর অধ্যক্ষ ঈদের ময়দানে মাইকে কমিটিতে থাকতে আগ্রহীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ পত্র জমা দিতে বলেন ।
এরপর তিনি কয়েকদিন মোবাইল ফোন বন্ধ রেখে আত্মগোপনে থাকেন। ২০২৪ সালের শেষের দিকে অধ্যক্ষ পদে কয়রা উপজেলার বে সিন মিম আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোশাররফ হোসেনকে নিয়োগ প্রদানের প্রক্রিয়া শেষ করেন। কমিটির লোকেরা বিষয়টি জানার পর খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন মোশাররফ হোসেন একজন দুর্নীতিবাজ,তার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ।
একারণে তার নিয়োগ বাতিলের জন্য কমিটির সদস্য আফি আজাদ বান্টি অন্যদিকে নিয়োগপত্র পেতে মোশারফ হোসেন আদালতে পৃথক দুটি মামলা করেছেন। অধ্যাক্ষ মাওঃ আব্দুস সবুর গাইন বলেন,নিয়মতান্ত্রিক ভাবে ও কোন প্রকার অনিয়ম ছাড়াই সব কিছু করা হচ্ছে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নুরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ শনিবার তদন্ত শেষে বলেন, মাদ্রাসার কল্যাণার্থে যা যা করা প্রয়োজন সেটাই করা হবে।