
কুষ্টিয়া দৌলতপুরে আড়িয়া ইউনিয়নে হাবলু মোল্লার ভাটার সামনে,জহুরাগঞ্জ নামক স্থানে হাবলু মোল্লার বিক্রয়-কৃত জমি ক্রয় করে চট্টগ্রামের তারা কোম্পানি।
আছাদ মোল্লার বসত বাড়ি ও বিড়ি ফ্যাক্টারির সামনে তৈরী সম্পন্ন হয়েছে তারা কোম্পানির ফ্যাক্টারি।
তারাগুনিয়া টু কাতলামারি মেন রাস্তার সাথে সম্পৃক্ত করে ফেলেছে এই তারা কোম্পানি। কুষ্টিয়া ও দৌলতপুরের বিভিন্ন এলাকার বড় রাঘব বোয়ালদের যোগ সূত্রে রাস্তার সরকারি গাছ কর্তন ও রাস্তার জায়গা দখল করে তাদের ইচ্ছে মত কাজ সম্পন্ন করছে।
বিষয়টি ঐ কোম্পানি ম্যানাজারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমাদের বন বিভাগ থেকে অনুমতি আছে। পরে অনুমতি পত্র দেখতে চাইলে দেখাই, কিন্তু ছবি তুলতে মানা করে।
এমন সময় জেলা পরিষদের সদস্য হাজী হুমাওনের উপস্থিতে, তিনি বলেন, তুমি ছবি তুলছো কেন এই গাছ কাটার অনুমতি আছে। ওরা আমাদের মেহমান। হাজী হুমাওন বলেন, তুমি যদি নিউজ কর তাহলে আমি তোমার বিরুদ্ধে মামলা করবো বলে হুমকি দেখায়।
জেলা পরিষদের সদস্য হাজী হুমাওন আরো বলেন, এরা হচ্ছে বর্তমান শিক্ষা মন্ত্রী খুব কাছের লোক। এরা যা করবে সেটাই সঠিক। অকারণে চুলকি ঘা কর না।
এই কোম্পানি হওয়ার কারণে অনেক মানুষের যেমন উপকার হবে,আবার তেমনি অপকার ও হবে।যেমন রাস্তার কোল ঘেষে সরকারি গাছ কেটে পিলার দিয়ে দেয়াল তৈরী করেছে।
রাস্তা দিয়ে যখন বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করবে তখন এস্কিডেন্টের ঝুকি থাকবে বেশি।এছাড়া তারা বড় বড় তামাক ব্যবসায়ীকদের সাথে হাত মিলিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করছে।
দৌলতপুর বন বিভাগের অফিসার আবু বক্কর তিনি বলেন, এই রাস্তার গাছ সম্পন্ন জেলা পরিষদের, এভাবে তো গাছ কাটার কথা না।
বিষয় টি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সদর আলী খান সাহেবের কাছে তার মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি মোবাইল ফোনে বলেন বিষয়টি আমার জানার বাইরে। কিন্তু গাছ কাটতে হলে অবশ্যই পারমিশন সহ বন বিভাগের সহযোগিতা লাগবে তা না হলে গাছ কাটতে পারবে না।
কিন্তু সরজমিনে দেখা গেছে যে ঐ রাস্তার গাছ কেটে আর রাস্তার জমি দখলে নিয়ে ফেলেছে অনেকটা।
বিষয়টি দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে, তিনি বলেন,বিষয়টি আমার জানার বাইরে, তবে দেখছি।