
ঘূর্ণিঝড় রিমলের কারণে উত্তাল হয়ে ওঠে পদ্মা-যমুনা নদী। এর প্রভাবে বন্ধ হয়ে যায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে লঞ্চ ও ফেরী চলাচল।
তবে টানা সাড়ে ৩৫ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার (২৮ মে) সকাল ৯টা থেকে নৌরুটে পুনরায় লঞ্চ ও ফেরী চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এর আগে দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় নদী পার হতে না পেরে আটকা পড়ে সহস্রাধিক যানবাহন ও অসংখ্য যাত্রী। দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া মধ্যে তারা সীমাহীন ভোগান্তির শিকার হন।
লঞ্চ ও ফেরি কতৃপক্ষ জানান, ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে দূর্ঘটনার আশঙ্কায় রবিবার (২৬ মে) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে এ রুটে লঞ্চ এবং রাত সাড়ে ৯টা হতে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। পরবর্তীতে মঙ্গলবার সকাল সারে ৯ টা হতে এ রুটে লঞ্চ ও ফেরী চলাচল স্বাভাবিক হয়।
বিআইডব্লিউটিএ'র আরিচা অঞ্চলের বন্দর কর্মকর্তা এসএম সাজ্জাদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এদিকে বিআইডাব্লউটিসি'র দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. সালাউদ্দিন জানান, ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতে দৌলতদিয়ার ৭ নং ফেরীঘাটের পন্টুনের রেম স্হানান্তর হয়ে যায়। মঙ্গলবার ঘাটটি বন্ধ রেখে সেটি ঠিক করার কাজ করা হয়।
দীর্ঘ সময় ফেরি বন্ধ থাকায় দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় মহাসড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি সৃষ্টি হয়।
তবে মঙ্গলবার সকালে ফেরি চালু হবার পর দুপুরের মধ্যেই আটকে থাকা সকল যানবাহন নদী পার করা হয়। তবে দীর্ঘ সময় আটকে থাকার পর বিরক্ত হয়ে অনেক গাড়ি পদ্মা-যমুনা সেতু ঘুরে চলে যায়।
তিনি আরো বলেন, ‘বতর্মান দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ছোট বড় ১৭টি ফেরী সার্বক্ষনিক চলাচল করছে।’