
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় পদ্মা নদীর ভাঙ্গনে নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে ১টি পরিবারের বসতভিটা।
দৌলতদিয়ার ৬নং ফেরীঘাট এলাকায় ভয়াবহ নদী ভাঙ্গন শুরু হলে চোখের পলকে একটি বাড়ী বিলীন হয়ে যায়। গত সোমবার সন্ধ্যা থেকে ভাঙ্গনের তীব্রতা শুরু হয়।

এতে যেকোনো সময় নদী গর্ভে চলে যেতে পারে আরো অন্তত ২০টি পরিবারের শেষ সম্বল বসত বাড়ী। ভাঙ্গন শুরু হওয়াতে মারাত্মক ঝুকিপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করছে অত্র এলাকায় বসবাসরত অন্তত ১ হাজার পরিবারের প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার মানুষের মধ্যে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ভাঙ্গনরোধে বিআইডব্লিউটিএ নামমাত্র জিওব্যাগ ফেলে নদী ভাঙ্গন রোধের চেষ্টা চলছে। এতে বিশেষ কোনো ফল হবে না বলে ধারণা করছে এলাকাবাসী, এলাকাবাসী সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রতি বছর ভাঙ্গন শুরু হলে এভাবেই জিওব্যাগ নদীর পানির উপরিভাগে ফেলা হয়৷ কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই জিও ব্যাগগুলো ভাঙ্গনের তলদেশে পৌঁছায় না। ভাঙ্গনে ফেলা জিওব্যাগ নদীর স্রোতে সাথে সাথেই ভাসিয়ে নিয়ে যায়। এলাকাবাসির ধারণা স্থায়ী ব্যবস্থা না নিলে,
জিওব্যাগ ফেলে কোনো লাভ হবে না। এই ভাঙ্গনরোধে জিওব্যাগ ফেলাটা লোক দেখানো ছাড়া আর কিছুই না। ঘাট কতৃপক্ষ দায় সারা কাজ করছেন বলেও এলাকাবাসী জানান। নদী পাড়ের মানুষ জানান, দৌলতদিয়া পদ্মাপাড়ের আমরা প্রায় ১০বছর যাবত স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারের কাছে নদী শাসনের দাবী জানিয়ে আসলেও, শুধু মাত্র নদী শাসনের আশ্বাস ছাড়া, বাস্তবয়নে দেখা যায়নি কিছুই।
এসম্পর্কে বিআইডব্লিউটিএ আরিচা জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ জহিরুল ইসলাম বলেন, নদী ভাঙ্গন রোধে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। আগামীতে নদী শাসন এবং ভাঙ্গন রোধের জন্য নেওয়া হবে স্থায়ী ও কার্যকর ব্যবস্থা।