প্রিন্ট এর তারিখঃ নভেম্বর ৮, ২০২৬, ৪:০৬ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ মার্চ ২০, ২০২৩, ২:৫১ পি.এম
গোয়ালন্দে ৩ দিনেই ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে ক্লুলেস একটি হত্যাকাণ্ডের মাত্র তিন দিনের মধ্যে হত্যার রহস্য উদঘাটন করে আসামিদের গ্রেফতার করেছে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ।
সোমবার(২০ মার্চ) গোয়ালন্দ ঘাট থানায় সকাল এগারোটায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ ইফতেখারুজ্জামান।
প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা হয়, গত ১৬ মার্চ গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া পূর্বপাড়ায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা মুক্তি মহিলা সমিতির নির্মানাধীন ভবনে এক অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরবর্তীতে লাশ সনাক্ত হয়। তার নাম মোঃ সোহান শেখ (২০)। সে দৌলতদিয়া সিদ্দিক কাজীর পাড়া আলামীন শেখের ছেলে। তার মা দৌলতদিয়া পতিতা পল্লীর একজন যৌনকর্মী।
এ ঘটনায় তার চাচা মোঃ সেলিম শেক বাদী হয়ে পরদিন গোয়ালন্দ ঘাট থানায় কারো নাম উল্লেখ না করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ বিশ্বস্ত গুপ্তচর ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে আইনের সংঘাতে জড়িয়ে পরা শিশুদের কে গতকাল রবিবার গভীর রাতে কালুখালি থানার হরিণাবাড়িয়া প্রামাণিক পাড়া থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো উপজেলার শামসু মাষ্টার পাড়ার শহিদ শেখের ছেলে মোঃ নিরব শেখ (১৭) এবং সাহাদৎ মেম্বার পাড়ার মোঃ মাদার কাজীর ছেলে মোঃ হায়াত কাজী (১৭)।
ঘটনার বিবরণে তিনি বলেন, ঘটনার দিন রাতে সোহান শেখকে যৌনপল্লির জাহাঙ্গীরের দোকানে বসে থাকতে দেখে আসামিরা গাজা সেবনের কথা বলে তাকে ডেকে নিয়ে আসে। এরপর তারা প্রথমে কাঠের বাটাম ও ইট দিয়ে সোহানকে আঘাত করে। এরপর আইন সংঘাতে জড়িয়ে পরা শিশু তার কাছে থাকা ধারালো চাকু দিয়ে তার বুকে ও পেটে এলোপাতাড়ি আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি স্বপন কুমার মজুমদার বলেন, ঘটনার পর থেকেই গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশের একটি দল কাজ করতে থাকে। বিশ্বস্ত গুপ্তচর ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় তিন দিনেই আসামিদের গ্রেফতারসহ হত্যা মামলায় ব্যাবহ্রত চাকু উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। রাজবাড়ী জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ ইফতেখারুজ্জামান তাদেরকে যথাযথ দিক নির্দেশনা দেয়াসহ সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন বলে তিনি জানান।
Copyright © 2026 প্রতিদিনের খবর. All rights reserved.