
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউপির ৮ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত রফুর দোকান হতে উজানচর ইউপির সানালের বাড়ি পর্যন্ত নতুন রাস্তা নির্মাণের জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
শুক্রবার (২ জুন) দুপুরে সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দৌলতদিয়া ৮ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা একত্রিত হয়ে তাদের যাতায়াত সুবিধার জন্য রাস্তা নির্মাণে স্থানীয় প্রতিনিধির কাছে দাবি উত্থাপন করছেন।দৌলতদিয়া ৮ নং ওয়ার্ড বেশিরভাগ মানুষ কৃষিক কাজের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এলাকাটি কৃষি প্রধান এলাকা নামেই বেশি পরিচিত। ওই ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের প্রধান জীবিকার উৎস কৃষিকাজ। রাস্তার সংকটের কারণে এই এলাকার মানুষের দুঃখ দুর্দশা দিন দিন বেড়েই চলছে। শহরের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থার অবনতি হওয়ায় ফসল ফলিয়ে লাভবান হতে পারছেন না এলাকার কৃষকরা।
এই এলাকার কৃষকদের ফসল আনা-নেয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না থাকায় জমি থেকে ফসল তুলে বাজারে নিতে অনেক দূরের রাস্তা ঘুরে যেতে হয়। এলাকার শিক্ষার্থীদের অনেক রাস্তা ঘুরে স্কুল কলেজে যেতে হয়। এমনকি গুরুতর রোগীদের হাসপাতালে নিতে অনেকখানি রাস্তা ঘুরে যেতে হয়। এতে করে মাঝে মাঝেই বড় ধরনের দুর্ঘটনার শিকার হন এলাকাবাসী। এসব অসুবিধার কথা চিন্তা করে দ্রুত সময়ের মধ্যে রাস্তা নির্মাণের জোর দাবি জানান সংশ্লিষ্টদের কাছে।
এলাকাবাসির দাবি উত্থাপনের সময় উপস্থিত ছিলেন দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের স্থানীয় ইউপি সদস্য ফজলুল হক, অবসরপ্রাপ্ত বিডিআর সদস্য আব্দুর রহিম, স্থানীয় কুদ্দুস, মাছের, আলতাফ, রফিকুল, শফিক, সোবাহান, রাজু হাসানসহ শতাধিক এলাকাবাসী।
দৌলতদিয়া ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ফজলুল হক জানান, রফুর দোকান হতে উজানচরের সানালের বাড়ী অভিমুখী মরা পদ্মার গা ঘেঁষে কিছু মাটি ফেলেছিলেন উপজেলা পরিষদের প্রয়াত চেয়ারম্যান মরহুম এবিএম নুরুল ইসলাম। বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোস্তফা মুন্সি তার নির্বাচনের সময় বলেছিলেন এ রাস্তাটা করে দিবেন। তবে এখনো রাস্তার কাজ শুরু হয়নি, এ নিয়ে হতাশার মধ্যে রয়েছেন এলাকাবাসী। তিনি আরো বলেন, আমি বিশ্বাস করি বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা মুন্সী সরকারি বরাদ্দে বা তার নিজের অর্থায়নে দ্রুত সময়ের মধ্যে এ রাস্তার কাজ করে দেবেন।
এ ব্যাপারে গোয়ালন্দ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তফা মুন্সী জানান, এলাকাবাসির অসুবিধার কথা চিন্তা করে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে।