
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের নবুওছিমুদ্দিনপাড়া এলাকায় মসজিদের ওয়াকফার জমির কাগজ দেখানোর নামে মারপিটের
অভিযোগ উঠেছে ঢাকা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এক আইনজীবীর বিরুদ্ধে।
বিবাদীগন উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের হাই মাস্টারের ছেলে পলাশ শেখ (৪৫) ও পাবেল (৩০) এবং মান্নান শেখের ছেলে মোঃ রিজভী শেখ ও আব্দুল গফুরের ছেলে বদরুল আলম ও মোঃ আব্দুল মান্নান।
জানাযায়,গত ৭ জুন রবিবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে
মসজিদের ওয়াকফার জমির কাগজ পাতি গ্রামের লোকজন দেখতে চাইলে ঐদিন এশার নামাজের পর কাগজ পাতি দেখানোর কথা বলে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে রাত আটটার দিকে উপজেলার পশ্চিম উজানচর নবুওছিমুদ্দিন পাড়া এলাকার সমসের পুর জামে মসজিদের সামনে ইটের সলিং রাস্তার উপর নামাজের জন্য অপেক্ষা চলাকালীন সময়ে বিবাদীগন পূর্ব পরিকল্পনা অনুযারে বেআইনীভাবে তাদের হাতে থাকা চাপাতি, লোহার রড, লাঠি শোঠ্য নিয়ে আমার ভাইদের সাথে তর্কে লিপ্ত হয়।
আমিসহ আমার চাচাতো ভাইয়েরা বিবাদীদের থামাতে গেলে বিবাদীদের হাতে থাকা লোহার রড, লাঠি শোঠা দিয়ে আমাদের এলোপাথারী মারপিট করিয়া শরীরের বিভিন্নস্থানে বেদনাদায়ক জখম করে।
আমাদের আর্তচিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে বিবাদীগন আমাদের দেখে পালিয়ে যায়। আমরা আমাদের বাড়িতে চলে আসি।
একই তারিখ রাত অনুমান রাত আটটার ঘটিকার সময় বিবাদীগন সহ অজ্ঞাত আরো ২০/২৫ জন আমার বসত বাড়িতে বেআইনী জনতাবদ্ধ হয়ে আমার বাড়িতে অনাধিকার প্রবেশ করে আমাদের অকথ্য ভাষায় গালাগালি করতে থাকে।
আমরা ঘর থেকে বাহির হয়ে বিবাসীদের গালাগালি করিতে নিষেধ করলে অজাতনামা কয়েকজন আমাদের কে পিস্তল দেখিয়ে বিবাদীদের হাতে থাকা লোহার রড, লাঠি শোঠা দিয়ে আমাদের এলোপাথারী মারপিট করিয়া শরীরের বিভিন্নস্থানে নিলাফুলা বেদনা দায়ক জখম করে। আমাদের বাড়ির মহিলাদের শ্লীলতাহানি করে।
বিবাদীগন আমার ভাই আলমাসকে মাটিতে ফেলে এলোপাথারীভাবে মারপিট করিয়া গুরুত্বর আহত করে। বিবাদীগন আমাদেরকে প্রাণ নাশের হুমকিসহ বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন করিয়া চলে যায়।
আমার ভাইয়ের অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় আমার ভাইকে উদ্ধার করিয়া চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মধুখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ঘনা। কতবরিত ডাক্তার আমার ভাইকে চিকিৎসা প্রদান করেন।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম বলেন,বিষয়টি সম্পর্কে আমি এখনো অবহিত নই। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।