
কুষ্টিয়া দৌলতপুরে রিফাতপুর ও আড়িয়া ইউনিয়নে মাঝামাঝি জায়গা শিতলাইপাড়া ও ঘোড়ামারার যশোতলা নামক স্থানে একমি ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধির কাছ থেকে যে ছিনতাইয়ের ঘটনা টি ঘটেছিল সেটা শুধু অভিনয় ও চক্রান্ত।
মনে হয় প্রশাসনের সাথে তার শুত্রতা আছে, এই ঘটনাটি ছিল শুধু মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট।
গত ৩ তারিখ রোজ রবিবার আড়িয়া ইউনিয়নে ছাত্তারপাড়া নামক স্থান থেকে কোম্পানির ওষুধের টাকা তুলে দৌলতপুরে ফেরার পথে এস আর হাফিজুর এই কান্ডটি ঘটায়।
এস আর হাফিজুর সে নাটোর জেলার বড়াই গ্রাম থানার হাড়ুয়া বনপাড়া পৌরসভা গ্রামের লেদু প্রামানিক এর ছেলে।
গত দুই বছর যাবত সে কর্ম রত আছে, কম বেশি অনেক জায়গায় এই রকম অজুহাত দেখিয়ে কোম্পানি কাছ থেকে টাকা আত্মসাৎ করেছে।
ঘটনাটি ৩ তারিখ রাত ৯.৩০ মিনিটে ঘটে যাবার পর নিকস্থ দৌলতপুর উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি হয়।
পরে পুলিশ জিজ্ঞেসা বাদের জন্য হাফিজুরকে থানায় আনা হয়। হাফিজুর সত্য ঘটনাটি পুলিশের এস আই খসরু আলমের কাছে শিকারোক্তি করে।
হাফিজুর রহমান পুলিশের কাছে পরে ক্ষমা চাই।
হাফিজুরের মোটরসাইকেল টি আলামত হিসাবে গত ৪/১১/২৪ তারিখে পাবনা জেলার ঈশ্বরদী থানার মুলাডলি এলাকায় তার বন্ধু সাব্বির বাড়ি থেকে উদ্ধার করে।
সাব্বির কাছ থেকে বিষয় জানতে চাইলে সে বলে আমার বন্ধু ফোন করে গাড়ি আমাকে রাখতে বলে। তাই গাড়িটি রেখেছি। এই সব ঘটনা গুলো তো আমি কিছুই জানি না।
উক্ত আসামি কে ফৌঃ কাঃ বিঃ আইনে ৫৪ ধারায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।পরে আসামি হাফিজুরকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তীতে প্রতিবেদন প্রেরণ করা হবে।